একদিকে যুদ্ধ, অন্যদিকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি মিলিয়ে কার্যত নাভিশ্বাস ট্রাম্পের। এর মধ্যেই নিজের বড় ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের বিয়েতে যাওয়া নিয়ে দোলাচলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, ছেলের বিয়েতে 'যাওয়ার ইচ্ছা আছে' তাঁর। তবে এই মুহূর্তে সময় একেবারেই অনুকূল নয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর, চলতি সপ্তাহান্তেই বাহামাদ্বীপে দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে চলেছেন ৪৮ বছর বয়সী ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। পাত্রী বেটিনা অ্যান্ডারসন।
ছেলের বিয়ের সময়ে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ থামাতেই ব্যস্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই যুদ্ধ আমেরিকার সাধারণ মানুষের কাছে একেবারেই জনপ্রিয় নয়। যুদ্ধের জেরে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় ভোটাররা ক্ষুব্ধ, যার প্রভাব পড়েছে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার গ্রাফেও। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যা ট্রাম্পের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
বিয়েতে যাওয়া প্রসঙ্গে ওভাল অফিসে ট্রাম্প বলেন, ‘‘ও চাইছে আমি যাই। খুব ছোট করে পারিবারিক অনুষ্ঠান হচ্ছে, আমি যাওয়ার চেষ্টা করব।’’ এর পরেই ট্রাম্প যোগ করেন, ‘‘আমি ওকে বলেছি, সময়টা আমার জন্য ভালো নয়। আমার মাথায় এখন ইরান যুদ্ধসহ আরও অনেক কিছু ঘুরছে।’’
যুদ্ধ যখন থমকে রয়েছে, তখন তিনি ছেলের বিয়েতে মেতে উঠলে সংবাদমাধ্যম তা নিয়ে জলঘোলা করবে- তা ভালোই বোঝেন ট্রাম্প। তাঁর আক্ষেপ, ‘‘এই পরিস্থিতিতে আমি যেটাই করি না কেন, দোষ আমারই হবে। বিয়েতে গেলেও সংবাদমাধ্যম আমাকে ছাড়বে না, না গেলেও কথা শোনাবে- অবশ্যই ভুয়ো খবরের দুনিয়া এটাই করবে।’’ তবে ছেলের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আশা করি ওদের বিবাহিত জীবন খুব ভালো কাটবে।’’
ঘরোয়া মহলে ‘ডন জুনিয়র’ নামে পরিচিত ট্রাম্পের এই বড় ছেলে। তাঁদের পারিবারিক রিয়েল এস্টেট ব্যবসা ‘দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশন’-এর অন্যতম শীর্ষকর্তা তিনি। সেই সঙ্গে বাবার রাজনৈতিক ভাবাদর্শের একনিষ্ঠ সমর্থকও বটে। প্রায়শই তাঁকে বাবার পাশে দেখা যায়। জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেও ফ্লোরিডার মার-আ-লাগো রিসর্ট থেকে বাবার সঙ্গে হোয়াইট হাউসে ফেরেন তিনি।
গত বছর ডন জুনিয়র ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ‘ভবিষ্যতে কোনও একদিন’ তিনিও প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়তে পারেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফার মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২৯ সালের জানুয়ারিতে। তবে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট এখনও তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে কারও নাম ঘোষণা করেননি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর, চলতি সপ্তাহান্তেই বাহামাদ্বীপে দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে চলেছেন ৪৮ বছর বয়সী ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। পাত্রী বেটিনা অ্যান্ডারসন।
ছেলের বিয়ের সময়ে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ থামাতেই ব্যস্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই যুদ্ধ আমেরিকার সাধারণ মানুষের কাছে একেবারেই জনপ্রিয় নয়। যুদ্ধের জেরে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় ভোটাররা ক্ষুব্ধ, যার প্রভাব পড়েছে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার গ্রাফেও। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যা ট্রাম্পের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
বিয়েতে যাওয়া প্রসঙ্গে ওভাল অফিসে ট্রাম্প বলেন, ‘‘ও চাইছে আমি যাই। খুব ছোট করে পারিবারিক অনুষ্ঠান হচ্ছে, আমি যাওয়ার চেষ্টা করব।’’ এর পরেই ট্রাম্প যোগ করেন, ‘‘আমি ওকে বলেছি, সময়টা আমার জন্য ভালো নয়। আমার মাথায় এখন ইরান যুদ্ধসহ আরও অনেক কিছু ঘুরছে।’’
যুদ্ধ যখন থমকে রয়েছে, তখন তিনি ছেলের বিয়েতে মেতে উঠলে সংবাদমাধ্যম তা নিয়ে জলঘোলা করবে- তা ভালোই বোঝেন ট্রাম্প। তাঁর আক্ষেপ, ‘‘এই পরিস্থিতিতে আমি যেটাই করি না কেন, দোষ আমারই হবে। বিয়েতে গেলেও সংবাদমাধ্যম আমাকে ছাড়বে না, না গেলেও কথা শোনাবে- অবশ্যই ভুয়ো খবরের দুনিয়া এটাই করবে।’’ তবে ছেলের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আশা করি ওদের বিবাহিত জীবন খুব ভালো কাটবে।’’
ঘরোয়া মহলে ‘ডন জুনিয়র’ নামে পরিচিত ট্রাম্পের এই বড় ছেলে। তাঁদের পারিবারিক রিয়েল এস্টেট ব্যবসা ‘দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশন’-এর অন্যতম শীর্ষকর্তা তিনি। সেই সঙ্গে বাবার রাজনৈতিক ভাবাদর্শের একনিষ্ঠ সমর্থকও বটে। প্রায়শই তাঁকে বাবার পাশে দেখা যায়। জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেও ফ্লোরিডার মার-আ-লাগো রিসর্ট থেকে বাবার সঙ্গে হোয়াইট হাউসে ফেরেন তিনি।
গত বছর ডন জুনিয়র ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ‘ভবিষ্যতে কোনও একদিন’ তিনিও প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়তে পারেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফার মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২৯ সালের জানুয়ারিতে। তবে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট এখনও তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে কারও নাম ঘোষণা করেননি।