রাজধানীর দনিয়া এলাকায় অবস্থিত ব্রাইট স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাবিকুনের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে হামলা, ভাঙচুর ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটনকে মারধর করা হলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঘটনায় পুলিশের কয়েকজন সদস্যসহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বুধবার শিক্ষার্থী সাবিকুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসিক চাপ ও অপমানজনক আচরণের কারণে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। সেই চাপ থেকেই শেষ পর্যন্ত সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।
এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে স্থানীয় লোকজনও এতে যোগ দেন। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটনকে অবরুদ্ধ করেন।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালালেও প্রথমদিকে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়। পরে বেলা ৩টার দিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে জানালাসহ বিভিন্ন অংশের কাচ ভেঙে যায়। পরে ভবনের নিচতলায় ঢুকে কিছু আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।
বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটনকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীরা তাকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
চেয়ারম্যানকে সরিয়ে নেওয়ার প্রায় আধা ঘণ্টা পর অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। বিকেল ৫টার দিকে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।
এ বিষয়ে ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন বলেন, শিক্ষার্থী সাবিকুন বুধবার রাতে আত্মহত্যা করেছে। তার মা বকা দেওয়ায় সে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে।”
অন্যদিকে পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের কিছু শিক্ষক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির আচরণ ছিল অত্যন্ত কঠোর ও অসম্মানজনক। সামান্য বিষয়েও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ডেকে অপমান করা হতো এবং প্রায়ই ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দেওয়ার ভয় দেখানো হতো। কয়েকজন অভিভাবক জানান, শিক্ষকদের এমন আচরণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল এবং অনেক শিক্ষার্থী মানসিক চাপে ছিল।
সাবিকুনের মৃত্যুর পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামি বলেন, পরিস্থিতি এখন শান্ত। আমাদের কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। স্কুলের চেয়ারম্যান ও পুলিশ সদস্যদের আহত হওয়ার ঘটনায় দুটি মামলা করা হবে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বুধবার শিক্ষার্থী সাবিকুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসিক চাপ ও অপমানজনক আচরণের কারণে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। সেই চাপ থেকেই শেষ পর্যন্ত সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।
এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে স্থানীয় লোকজনও এতে যোগ দেন। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটনকে অবরুদ্ধ করেন।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালালেও প্রথমদিকে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়। পরে বেলা ৩টার দিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে জানালাসহ বিভিন্ন অংশের কাচ ভেঙে যায়। পরে ভবনের নিচতলায় ঢুকে কিছু আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।
বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটনকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীরা তাকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
চেয়ারম্যানকে সরিয়ে নেওয়ার প্রায় আধা ঘণ্টা পর অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। বিকেল ৫টার দিকে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।
এ বিষয়ে ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন বলেন, শিক্ষার্থী সাবিকুন বুধবার রাতে আত্মহত্যা করেছে। তার মা বকা দেওয়ায় সে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে।”
অন্যদিকে পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের কিছু শিক্ষক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির আচরণ ছিল অত্যন্ত কঠোর ও অসম্মানজনক। সামান্য বিষয়েও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ডেকে অপমান করা হতো এবং প্রায়ই ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দেওয়ার ভয় দেখানো হতো। কয়েকজন অভিভাবক জানান, শিক্ষকদের এমন আচরণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল এবং অনেক শিক্ষার্থী মানসিক চাপে ছিল।
সাবিকুনের মৃত্যুর পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামি বলেন, পরিস্থিতি এখন শান্ত। আমাদের কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। স্কুলের চেয়ারম্যান ও পুলিশ সদস্যদের আহত হওয়ার ঘটনায় দুটি মামলা করা হবে।