গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা ও কোটালীপাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী কাজুলিয়া এলাকায় গরুবাহী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে চারটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও চারটি গরু জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৫টার দিকে গোপালগঞ্জ-কোটালীপাড়া সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ট্রাকে থাকা আটটি গরু চুয়াডাঙ্গা জেলার শিয়ালমারি গরুর হাট থেকে বৃহস্পতিবার দুপুরে কেনা হয়েছিল। গরুগুলো বানারিপাড়া উপজেলা উপজেলার বাওলিয়া গরুর হাটে নেওয়া হচ্ছিল। পথে কাজুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খালে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনায় ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে পানিতে চারটি গরু মারা যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও কোটালিপাড়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে জীবিত চারটি গরুকে উদ্ধার করেন। তবে ট্রাকে থাকা কেউ আহত হননি। দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক নজরুল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।
গরুর বেপারীরা হলেন উজিরপুর উপজেলার কাউয়ারেখা গ্রামের মৃত দুলাল বেপারীর ছেলে রানা বেপারী এবং মশাং গ্রামের সামসুল হকের ছেলে লিটন বেপারী। এ সময় লিটন বেপারীর ছেলে সৈকত বেপারীও ট্রাকে ছিলেন।
বেপারীরা জানান, নিহত চারটি গরুর মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা। আসন্ন ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে লাভের আশায় ঋণ করে গরুগুলো কিনেছিলেন তারা।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে রানা বেপারী বলেন, “মানুষের কাছ থেকে ঋণ আর ধার করে গরুগুলো কিনছিলাম। ভাবছিলাম ঈদের হাটে বিক্রি করে কিছু লাভ হবে, সংসারটা একটু ভালোভাবে চলবে। কিন্তু এক দুর্ঘটনায় সব শেষ হয়ে গেল। এখন ঋণের টাকা কিভাবে শোধ করবো বুঝতে পারছি না। আমরা পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে গেলাম।”
লিটন বেপারী বলেন, “সারারাত রাস্তায় ছিলাম। আর একটু হলেই হাটে পৌঁছে যেতাম। আল্লাহ বাঁচাইছে, আমরা বেঁচে আছি। কিন্তু গরুগুলা মারা যাওয়ায় অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেছে।”
উদ্ধার কাজে অংশ নেওয়া স্থানীয় মুসল্লি নেয়ামত উল্লাহ বলেন, ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে যাই। দেখি ট্রাক খালে পড়ে গেছে আর গরুগুলো পানিতে ছটফট করছে। পরে স্থানীয় লোকজন মিলে উদ্ধার কাজ শুরু করি। দৃশ্যটা খুবই হৃদয়বিদারক ছিল।
কোটালিপাড়া ফায়ার সার্ভিনের স্টেশন ইনচার্জ মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে চালক ঘুমের ঘোরে থাকায় ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকের নিচ থেকে চারটি গরুকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে এবং জীবিত গরুগুলো নিরাপদে বের করে আনে।
দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোক ও হতাশার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত গরু ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
শুক্রবার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৫টার দিকে গোপালগঞ্জ-কোটালীপাড়া সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ট্রাকে থাকা আটটি গরু চুয়াডাঙ্গা জেলার শিয়ালমারি গরুর হাট থেকে বৃহস্পতিবার দুপুরে কেনা হয়েছিল। গরুগুলো বানারিপাড়া উপজেলা উপজেলার বাওলিয়া গরুর হাটে নেওয়া হচ্ছিল। পথে কাজুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খালে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনায় ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে পানিতে চারটি গরু মারা যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও কোটালিপাড়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে জীবিত চারটি গরুকে উদ্ধার করেন। তবে ট্রাকে থাকা কেউ আহত হননি। দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক নজরুল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।
গরুর বেপারীরা হলেন উজিরপুর উপজেলার কাউয়ারেখা গ্রামের মৃত দুলাল বেপারীর ছেলে রানা বেপারী এবং মশাং গ্রামের সামসুল হকের ছেলে লিটন বেপারী। এ সময় লিটন বেপারীর ছেলে সৈকত বেপারীও ট্রাকে ছিলেন।
বেপারীরা জানান, নিহত চারটি গরুর মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা। আসন্ন ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে লাভের আশায় ঋণ করে গরুগুলো কিনেছিলেন তারা।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে রানা বেপারী বলেন, “মানুষের কাছ থেকে ঋণ আর ধার করে গরুগুলো কিনছিলাম। ভাবছিলাম ঈদের হাটে বিক্রি করে কিছু লাভ হবে, সংসারটা একটু ভালোভাবে চলবে। কিন্তু এক দুর্ঘটনায় সব শেষ হয়ে গেল। এখন ঋণের টাকা কিভাবে শোধ করবো বুঝতে পারছি না। আমরা পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে গেলাম।”
লিটন বেপারী বলেন, “সারারাত রাস্তায় ছিলাম। আর একটু হলেই হাটে পৌঁছে যেতাম। আল্লাহ বাঁচাইছে, আমরা বেঁচে আছি। কিন্তু গরুগুলা মারা যাওয়ায় অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেছে।”
উদ্ধার কাজে অংশ নেওয়া স্থানীয় মুসল্লি নেয়ামত উল্লাহ বলেন, ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে যাই। দেখি ট্রাক খালে পড়ে গেছে আর গরুগুলো পানিতে ছটফট করছে। পরে স্থানীয় লোকজন মিলে উদ্ধার কাজ শুরু করি। দৃশ্যটা খুবই হৃদয়বিদারক ছিল।
কোটালিপাড়া ফায়ার সার্ভিনের স্টেশন ইনচার্জ মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে চালক ঘুমের ঘোরে থাকায় ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকের নিচ থেকে চারটি গরুকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে এবং জীবিত গরুগুলো নিরাপদে বের করে আনে।
দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোক ও হতাশার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত গরু ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।