বিচ্ছেদ ঘোষণা করার পর থেকে নানা কটাক্ষের মুখে পড়েছেন মৌনী রায়। তবে সে সবে কর্ণপাত না করে তিনি পৌঁছেছেন কান চলচ্চিত্র উৎসবে। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সেখানেও তিনি দিলেন সপাটে জবাব।
সূরজ নাম্বিয়ারের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘোষণার পরেই নানা গুঞ্জন রটেছিল। অনেকেই বলেছিলেন, দিশা পটানীর সঙ্গে মৌনীর ‘অতি-ঘনিষ্ঠতা’র জন্যই এই পরিণতি হল তাঁর দাম্পত্যের। প্রথমে অবশ্য এই খবরও ছড়ায়, সূরজই নাকি সম্পর্কে প্রতারণা করছেন। তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে চলা অনবরত কাটাছেঁড়া হওয়ায় কান-এ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতেই মৌনী বলেন, “লোকজন তো কথা বলবেই। লোকজনের কথা বলাই কাজ। কথা বলতে দিন ওদের।”
ছোটপর্দা থেকে শুরু করেছিলেন কাজ। দীর্ঘদিনের কর্মসফর নিয়েও অভিনেত্রী কথা বলেছেন। এই দীর্ঘ সফরে নানা ওঠাপড়া ছিল বলেও জানান। তাঁর কথায়, “এমন অনেক সময়েই হত যে, সকালে উঠে ক্লান্ত লাগত, মন খারাপ করত, অসুস্থ বোধ করতাম। কিন্তু কাজে যেতে ইচ্ছে করছে না, এমন কখনও হয়নি। আমরা যেটা করতে সবচেয়ে ভালবাসি, সেটাই আমাদের পেশা। এ জন্য সত্যিই আমরা ধন্য।” তবে সূরজের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে আর কোনও মন্তব্য করেননি তিনি।
উল্লেখ্য, সোমবার বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন মৌনীর স্বামী সূরজ। সেখানে প্রথমেই তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, মৌনী একেবারেই তাঁর থেকে কোনও খোরপোশ নিচ্ছেন না। শুধু তা-ই নয়। সূরজ লেখেন, ‘‘আমি ও মৌনী যৌথ ভাবে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং সেটা একেবারেই সম্মানের সঙ্গে হচ্ছে। আমাদের বিচ্ছেদের ঘোষণার পরে যে সব আলোচনা চলছে, সেগুলো সর্বৈব মিথ্যা ও মনগড়া। অনেকেই আমাদের সম্পর্ক ভাঙার পিছনে তৃতীয় ব্যক্তিকে দায়ী করেছেন। আমি এটা স্পষ্ট করে দিতে চাই যে, আমাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনও তৃতীয় ব্যক্তি নেই।’’
২০২২ সালে বিয়ে করেছিলেন মৌনী ও সূরজ। বাঙালি ও তেলুগু রীতি মেনে বিয়ে হয়েছিল তাঁদের।
সূরজ নাম্বিয়ারের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘোষণার পরেই নানা গুঞ্জন রটেছিল। অনেকেই বলেছিলেন, দিশা পটানীর সঙ্গে মৌনীর ‘অতি-ঘনিষ্ঠতা’র জন্যই এই পরিণতি হল তাঁর দাম্পত্যের। প্রথমে অবশ্য এই খবরও ছড়ায়, সূরজই নাকি সম্পর্কে প্রতারণা করছেন। তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে চলা অনবরত কাটাছেঁড়া হওয়ায় কান-এ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতেই মৌনী বলেন, “লোকজন তো কথা বলবেই। লোকজনের কথা বলাই কাজ। কথা বলতে দিন ওদের।”
ছোটপর্দা থেকে শুরু করেছিলেন কাজ। দীর্ঘদিনের কর্মসফর নিয়েও অভিনেত্রী কথা বলেছেন। এই দীর্ঘ সফরে নানা ওঠাপড়া ছিল বলেও জানান। তাঁর কথায়, “এমন অনেক সময়েই হত যে, সকালে উঠে ক্লান্ত লাগত, মন খারাপ করত, অসুস্থ বোধ করতাম। কিন্তু কাজে যেতে ইচ্ছে করছে না, এমন কখনও হয়নি। আমরা যেটা করতে সবচেয়ে ভালবাসি, সেটাই আমাদের পেশা। এ জন্য সত্যিই আমরা ধন্য।” তবে সূরজের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে আর কোনও মন্তব্য করেননি তিনি।
উল্লেখ্য, সোমবার বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন মৌনীর স্বামী সূরজ। সেখানে প্রথমেই তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, মৌনী একেবারেই তাঁর থেকে কোনও খোরপোশ নিচ্ছেন না। শুধু তা-ই নয়। সূরজ লেখেন, ‘‘আমি ও মৌনী যৌথ ভাবে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং সেটা একেবারেই সম্মানের সঙ্গে হচ্ছে। আমাদের বিচ্ছেদের ঘোষণার পরে যে সব আলোচনা চলছে, সেগুলো সর্বৈব মিথ্যা ও মনগড়া। অনেকেই আমাদের সম্পর্ক ভাঙার পিছনে তৃতীয় ব্যক্তিকে দায়ী করেছেন। আমি এটা স্পষ্ট করে দিতে চাই যে, আমাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনও তৃতীয় ব্যক্তি নেই।’’
২০২২ সালে বিয়ে করেছিলেন মৌনী ও সূরজ। বাঙালি ও তেলুগু রীতি মেনে বিয়ে হয়েছিল তাঁদের।