“জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতাবিরোধী দল। এদেশের মানুষ কোনোদিন তাদের ক্ষমতায় আনবে না”— এমন কড়া রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের পরিত্যক্ত বিমানবন্দর এলাকা পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সংবর্ধনা ও স্বাগত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর দ্রুত চালুর আশ্বাস দিয়ে জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনার নানা দিকও তুলে ধরেন তিনি।।অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি কখনো সংস্কারের বিরুদ্ধে নয়; বরং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপিই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ধর্মের নামে মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়। জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে সত্য ও আদর্শের রাজনীতি করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।।জামায়াতের অতীত ভূমিকার সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছে, মা-বোনদের সম্ভ্রম নষ্ট করেছে। বাংলাদেশের মানুষ তাদের কখনো ক্ষমতায় দেখতে চায় না।”
অনুষ্ঠানে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ নতুন রাজনৈতিক দিগন্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে।”ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যেই বিমানবন্দরটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, “তারেক রহমান সাহেব নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন— ঠাকুরগাঁওয়ে এয়ারপোর্ট হবেই। আমরা সবাই হয়তো যাতায়াত করতে পারব না, কিন্তু এটি হবে আমাদের গর্বের প্রতীক।”
তিনি আরও জানান, বিমানবন্দর প্রকল্পটি ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা বিভাগের “সবুজ পাতায়” অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, “তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ না করে আমরা স্থায়ী ও কার্যকর অবকাঠামো গড়ে তুলতে চাই। এমনভাবে করতে চাই না যে দুদিন পর আবার বন্ধ হয়ে যায়।” তিনি আরও বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে ওয়াদা করেছি, তা বাস্তবায়নে দিনরাত কাজ করা হবে।”
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও আগামী দুই বছরের মধ্যে বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
“এটাই হয়তো আমার শেষ নির্বাচন”
এর আগে সকালে ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ছাদ ঢালাই অনুষ্ঠানে আবেগঘন বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, “আমি সবসময় আপনাদের বলেছিলাম— এটি আমার শেষ নির্বাচন। আবারও বলছি, এটি হয়তো আমার শেষ নির্বাচন। নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সেগুলো পূরণ করতে চাই।”
এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি আপনাদেরই সন্তান। আপনারা আমাকে কখনো বিমুখ করেননি। যতবার আপনাদের সামনে এসেছি, আপনারা আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছেন।”
উন্নয়নের বড় বড় প্রকল্পের ঘোষণা
ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি জানান, সদর উপজেলাকে ভেঙে আরও দুটি নতুন উপজেলা গঠনের বিষয়ে সরকারের অনুমতি পাওয়া গেছে। এছাড়া দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের অনুমোদনও মিলেছে বলে জানান তিনি। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, খুব দ্রুত এসব প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ঠাকুরগাঁওয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালুর ঘোষণায় স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের বিশ্বাস, বিমানবন্দর চালু হলে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পর্যটনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের পরিত্যক্ত বিমানবন্দর এলাকা পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সংবর্ধনা ও স্বাগত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর দ্রুত চালুর আশ্বাস দিয়ে জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনার নানা দিকও তুলে ধরেন তিনি।।অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি কখনো সংস্কারের বিরুদ্ধে নয়; বরং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপিই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ধর্মের নামে মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়। জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে সত্য ও আদর্শের রাজনীতি করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।।জামায়াতের অতীত ভূমিকার সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছে, মা-বোনদের সম্ভ্রম নষ্ট করেছে। বাংলাদেশের মানুষ তাদের কখনো ক্ষমতায় দেখতে চায় না।”
অনুষ্ঠানে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ নতুন রাজনৈতিক দিগন্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে।”ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যেই বিমানবন্দরটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, “তারেক রহমান সাহেব নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন— ঠাকুরগাঁওয়ে এয়ারপোর্ট হবেই। আমরা সবাই হয়তো যাতায়াত করতে পারব না, কিন্তু এটি হবে আমাদের গর্বের প্রতীক।”
তিনি আরও জানান, বিমানবন্দর প্রকল্পটি ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা বিভাগের “সবুজ পাতায়” অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, “তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ না করে আমরা স্থায়ী ও কার্যকর অবকাঠামো গড়ে তুলতে চাই। এমনভাবে করতে চাই না যে দুদিন পর আবার বন্ধ হয়ে যায়।” তিনি আরও বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে ওয়াদা করেছি, তা বাস্তবায়নে দিনরাত কাজ করা হবে।”
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও আগামী দুই বছরের মধ্যে বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
“এটাই হয়তো আমার শেষ নির্বাচন”
এর আগে সকালে ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ছাদ ঢালাই অনুষ্ঠানে আবেগঘন বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, “আমি সবসময় আপনাদের বলেছিলাম— এটি আমার শেষ নির্বাচন। আবারও বলছি, এটি হয়তো আমার শেষ নির্বাচন। নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সেগুলো পূরণ করতে চাই।”
এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি আপনাদেরই সন্তান। আপনারা আমাকে কখনো বিমুখ করেননি। যতবার আপনাদের সামনে এসেছি, আপনারা আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছেন।”
উন্নয়নের বড় বড় প্রকল্পের ঘোষণা
ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি জানান, সদর উপজেলাকে ভেঙে আরও দুটি নতুন উপজেলা গঠনের বিষয়ে সরকারের অনুমতি পাওয়া গেছে। এছাড়া দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের অনুমোদনও মিলেছে বলে জানান তিনি। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, খুব দ্রুত এসব প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ঠাকুরগাঁওয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালুর ঘোষণায় স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের বিশ্বাস, বিমানবন্দর চালু হলে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পর্যটনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।