সুস্থ থাকতে ডিমের বিকল্প নেই। শরীরে ভিতর থেকে শক্তি জোগাতে ডিমের জুড়ি মেলা ভার। তবে হৃদ্যন্ত্রের সমস্যায় ভুগছেন, এমন অনেকেই ডিম খান না। হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমাতেই মূলত এই সিদ্ধান্ত। হার্ট অ্যাটাক হলে সবার আগে ডিম খাওয়া বন্ধ করে দেন কেউ কেউ। তবে ডিম কি সত্যিই হার্টের জন্য খারাপ?
ডিমের বাইরের অংশে থাকে অ্যালবুমেন প্রোটিন। ডিমের কুসুমে থাকে কোলেস্টেরল, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে, বিটামিন বি১২, আয়রন, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, কোলিন (মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে), জিয়াজ্যানট্যানটিন (চোখ ভাল রাখে)। অর্থাৎ জিমের যাবতীয় পুষ্টিগুণ কিন্তু লুকিয়ে থাকে কুসুমেই। ডিমের কুসুম খেলেই কোলেস্টেরল বেড়ে গিয়ে হৃদ্যন্ত্রের ক্ষতি হবে, এমন ধারণা অনেকেই রাখেন। চিকিৎসক এসএ মল্লিকের মতে, ‘‘ডিম খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়, এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে ডিম খেলে যে কোলেস্টেরল বাড়ে সেটা হল এইচডিএল অর্থাৎ ভাল কোলেস্টেরল। এ ছা়ড়া ডিম খেলে এলডিএল কোলেস্টেরলের লার্জ পার্টিক্লের মাত্রাও শরীরে বেড়ে যায়। তবে এই পার্টিক্ল শরীরের পক্ষে ততটাও খারাপ নয়। এক জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি সারা দিনে ৩০০ মিলিগ্রামের মতো ডায়েটরি কোলেস্টেরল খেতে পারেন। একটি ডিমে থাকে ১৬৭ মিলিগ্রাম, তাই দু’টি ডিম নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।’’
ডিমের ভিতরে থাকা প্রোটিন আর ভাল ফ্যাট পেট অনেক ক্ষণ ভরিয়ে রাখে। ফলে খিদে পেলে একটা ডিম খেয়ে নিলে ভুলভাল খাবার খাওয়ার ইচ্ছে জাগবে না। ডিম খেলে পেট ভরবে, আবার ওজনও বাড়বে না। চিকিৎসক মল্লিকের মতে, যাঁদের অ্যাডভান্সড হার্টের অসুখ আছে তাঁরাও সারা দিনে একটি কুসুম সমেত ডিম খেতে পারেন।
ডিমের বাইরের অংশে থাকে অ্যালবুমেন প্রোটিন। ডিমের কুসুমে থাকে কোলেস্টেরল, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে, বিটামিন বি১২, আয়রন, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, কোলিন (মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে), জিয়াজ্যানট্যানটিন (চোখ ভাল রাখে)। অর্থাৎ জিমের যাবতীয় পুষ্টিগুণ কিন্তু লুকিয়ে থাকে কুসুমেই। ডিমের কুসুম খেলেই কোলেস্টেরল বেড়ে গিয়ে হৃদ্যন্ত্রের ক্ষতি হবে, এমন ধারণা অনেকেই রাখেন। চিকিৎসক এসএ মল্লিকের মতে, ‘‘ডিম খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়, এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে ডিম খেলে যে কোলেস্টেরল বাড়ে সেটা হল এইচডিএল অর্থাৎ ভাল কোলেস্টেরল। এ ছা়ড়া ডিম খেলে এলডিএল কোলেস্টেরলের লার্জ পার্টিক্লের মাত্রাও শরীরে বেড়ে যায়। তবে এই পার্টিক্ল শরীরের পক্ষে ততটাও খারাপ নয়। এক জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি সারা দিনে ৩০০ মিলিগ্রামের মতো ডায়েটরি কোলেস্টেরল খেতে পারেন। একটি ডিমে থাকে ১৬৭ মিলিগ্রাম, তাই দু’টি ডিম নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।’’
ডিমের ভিতরে থাকা প্রোটিন আর ভাল ফ্যাট পেট অনেক ক্ষণ ভরিয়ে রাখে। ফলে খিদে পেলে একটা ডিম খেয়ে নিলে ভুলভাল খাবার খাওয়ার ইচ্ছে জাগবে না। ডিম খেলে পেট ভরবে, আবার ওজনও বাড়বে না। চিকিৎসক মল্লিকের মতে, যাঁদের অ্যাডভান্সড হার্টের অসুখ আছে তাঁরাও সারা দিনে একটি কুসুম সমেত ডিম খেতে পারেন।