নওগাঁর বদলগাছীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এক স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ দেখতে হাসপাতালে গিয়ে তার স্কুলেরই অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
নিহত শিক্ষিকা কুলসুম (৪৮) বদলগাছী লাবণ্যপ্রভা কমিউনিটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা এবং বদলগাছী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাফিজার রহমানের স্ত্রী।
নিহত ছাত্রী তাসনিম আক্তার (১৩) একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। সে উপজেলার ডাঙ্গিসাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য আবুল কালামের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর ১২টার দিকে বদলগাছী-পত্নীতলা সড়কের চাকরাইল বটতলী এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ধান মাড়াই মেশিন (বঙ্গা) ও নিমতলী থেকে মাতাজীর উদ্দেশ্যে যাওয়া একটি সিএনজিচালিত রিকশার (অটোরিকশা) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীরা গুরুতর আহত হন।
খবর পেয়ে বদলগাছী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকা কুলসুমকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে দুর্ঘটনার খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, স্বজন ও স্থানীয়রা হাসপাতালে ভিড় করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রিয় শিক্ষিকার মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে তাসনিম। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দেড়টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তাসনিমের বাবা আবুল কালাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ফেসবুকে শিক্ষিকার মৃত্যুর খবর দেখে আমার মেয়ে হাসপাতালে যায়। শিক্ষিকাকে দেখতে গিয়ে আমার মেয়েটাও চলে গেল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কে ধান ও খড় শুকানোর কারণে রাস্তা সরু হয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। দুর্ঘটনার পর অনেককে দ্রুত রাস্তা থেকে ধান সরিয়ে নিতে দেখা যায়। রাস্তার ওপর শুকাতে দেওয়া ধানের পাশে ইট দিয়ে চিহ্নও দেওয়া ছিল বলে জানান স্থানীয়রা।
বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শামীন ইয়াসার বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিক্ষিকা কুলসুম মারা যান। পরে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে তাসনিম নামে এক ছাত্রীও মারা যায়।
বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি- তদন্ত) নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। শিক্ষিকার মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে এসে এক ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। নিহত শিক্ষিকার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাত জাহান ছনি বলেন, শিক্ষিকা ও ছাত্রীর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। সড়কে ধান-খড় শুকানো বন্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে কৃষি বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিহত শিক্ষিকা কুলসুম (৪৮) বদলগাছী লাবণ্যপ্রভা কমিউনিটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা এবং বদলগাছী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাফিজার রহমানের স্ত্রী।
নিহত ছাত্রী তাসনিম আক্তার (১৩) একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। সে উপজেলার ডাঙ্গিসাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য আবুল কালামের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর ১২টার দিকে বদলগাছী-পত্নীতলা সড়কের চাকরাইল বটতলী এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ধান মাড়াই মেশিন (বঙ্গা) ও নিমতলী থেকে মাতাজীর উদ্দেশ্যে যাওয়া একটি সিএনজিচালিত রিকশার (অটোরিকশা) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীরা গুরুতর আহত হন।
খবর পেয়ে বদলগাছী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকা কুলসুমকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে দুর্ঘটনার খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, স্বজন ও স্থানীয়রা হাসপাতালে ভিড় করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রিয় শিক্ষিকার মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে তাসনিম। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দেড়টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তাসনিমের বাবা আবুল কালাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ফেসবুকে শিক্ষিকার মৃত্যুর খবর দেখে আমার মেয়ে হাসপাতালে যায়। শিক্ষিকাকে দেখতে গিয়ে আমার মেয়েটাও চলে গেল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কে ধান ও খড় শুকানোর কারণে রাস্তা সরু হয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। দুর্ঘটনার পর অনেককে দ্রুত রাস্তা থেকে ধান সরিয়ে নিতে দেখা যায়। রাস্তার ওপর শুকাতে দেওয়া ধানের পাশে ইট দিয়ে চিহ্নও দেওয়া ছিল বলে জানান স্থানীয়রা।
বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শামীন ইয়াসার বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিক্ষিকা কুলসুম মারা যান। পরে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে তাসনিম নামে এক ছাত্রীও মারা যায়।
বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি- তদন্ত) নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। শিক্ষিকার মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে এসে এক ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। নিহত শিক্ষিকার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাত জাহান ছনি বলেন, শিক্ষিকা ও ছাত্রীর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। সড়কে ধান-খড় শুকানো বন্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে কৃষি বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।