রাজশাহীর দক্ষিণ নওদাপাড়ার এক বাসায় স্বর্ণালংকারসহ মোট ৯ লাখ টাকা প্রতারণা করে এক যুবক উধাও।
স্থানীয়রা জানান, ছবিতে যে লোকটিকে দেখা যাচ্ছে সে হচ্ছে অত্যন্ত ধুরন্দজ, ফ্রড (Fraud),ঠগ ও পাক্কা চিটার। তার নামে রাজশাহী, নওগাঁ এবং ঢাকায় বেশ কয়েকটি ধোঁকাবাজি, প্রতারণা, নারী নির্যাতন ও চুরির মামলা চলমান থাকায় সে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে। কোনো সহৃদয় এই প্রতারকের সন্ধান পেলে তাকে ধরে আইনে সোপর্দ করার জন্য এক ভুক্তভোগী অনুরোধ জানীয়েছেন। অথবা তাকে ধরে ভুক্তভোগীর এই নম্বরে 01715453219 ফোন দেয়ার অনুরোধ করেছেন। তাকে ধরে দিলে পুরস্কার এর ব্যবস্থাও আছে বলে জানান অধ্যাপক।
ঘটনার প্রকৃত বিবরণ - এই প্রতাকের নাম-নুরু ইসলাম, পিতার নাম- আজিজুল শাহ, গ্রাম-খাট্রেশ্বর রানীনগর,পোঃ রানীনগর, থানা- রানীনগর, জেলা-নওগাঁ। সে রাজশাহী সদর শাহমখদুম মেট্রোপলিটন থানার অন্তর্গত দক্ষিণ নওদাপাড়া মেহেরের মোড় বটতলা মহল্লার (অবঃ) এক অধ্যাপকের বাসায় ২টি রুম ভাড়া নিয়ে ৬-৭ মাস যাবৎ ভাড়া থাকতো এবং সে তথা-কথিত ছিট কাপড়ের ব্যবসা করতো বলে বাড়ির মালিক জানতো। আসলে সে একজন বড় ঠগ, চিটার ও প্রতারক। তার নামে বেনামে একাধিক স্ত্রীও রয়েছে। তার স্ত্রীরাও তাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। ভাড়া থাকার এক পর্যায়ে এ ঘটনার মাস দু'য়েক আগে একদা বাড়ির মালিকের উদারতার সুযোগে ব্যাবসা বাড়ানোর নাম এবং বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বাসার মালিকের থেকে ২ বারে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়,যার প্রমাণ স্বরুপ ডিড রয়েছে। গত ৮ মে ২০২৬ শুক্রবার,বাসার মালিক যে রুমে থাকতেন তাঁর অনুপস্থিতিতে সেই রুমের তালা ভেঙে রুমের আলমারিতে থাকা সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণ যার মুল্য ৮ লাখ টাকা, নগদ ১০ হাজার টাকা, ১টি গ্যাস সিলিন্ডার এবং ৩ মাসের বাড়ি ভাড়া না দিয়ে চুরি করে রাতের অন্ধকারে প্রায় ৯ লক্ষ টাকার সম্পদ নিয়ে সে পালিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ মে সোমবার, চুরিকৃত জিনিস ও পাওনা টাকা ফেরত দিবে বলে তার ব্যবহৃত মোবাইল নং 01337149664 তে বাসার মালিককে দুপুর ১২ টায় ফোন দিয়ে সাহেব বাজারস্থ বড় মসজিদের নিচে আসতে বলে। মালিক সেখানে গিয়ে তাকে ঐ নম্বরে ফোন দিলে সে ফোন রিসিভ না করে কিছুক্ষণ পর তার (ঠগের) ফোন বন্ধ করে দেয়। ভুক্তভোগী নিরুপায় হয়ে ঐ প্রতাকের বিরুদ্ধে নিকটস্থ শাহমখদুম থানায় চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার ও পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে শাহ মখদুম থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন অভিযোগ দেন, তার বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা জানান, ছবিতে যে লোকটিকে দেখা যাচ্ছে সে হচ্ছে অত্যন্ত ধুরন্দজ, ফ্রড (Fraud),ঠগ ও পাক্কা চিটার। তার নামে রাজশাহী, নওগাঁ এবং ঢাকায় বেশ কয়েকটি ধোঁকাবাজি, প্রতারণা, নারী নির্যাতন ও চুরির মামলা চলমান থাকায় সে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে। কোনো সহৃদয় এই প্রতারকের সন্ধান পেলে তাকে ধরে আইনে সোপর্দ করার জন্য এক ভুক্তভোগী অনুরোধ জানীয়েছেন। অথবা তাকে ধরে ভুক্তভোগীর এই নম্বরে 01715453219 ফোন দেয়ার অনুরোধ করেছেন। তাকে ধরে দিলে পুরস্কার এর ব্যবস্থাও আছে বলে জানান অধ্যাপক।
ঘটনার প্রকৃত বিবরণ - এই প্রতাকের নাম-নুরু ইসলাম, পিতার নাম- আজিজুল শাহ, গ্রাম-খাট্রেশ্বর রানীনগর,পোঃ রানীনগর, থানা- রানীনগর, জেলা-নওগাঁ। সে রাজশাহী সদর শাহমখদুম মেট্রোপলিটন থানার অন্তর্গত দক্ষিণ নওদাপাড়া মেহেরের মোড় বটতলা মহল্লার (অবঃ) এক অধ্যাপকের বাসায় ২টি রুম ভাড়া নিয়ে ৬-৭ মাস যাবৎ ভাড়া থাকতো এবং সে তথা-কথিত ছিট কাপড়ের ব্যবসা করতো বলে বাড়ির মালিক জানতো। আসলে সে একজন বড় ঠগ, চিটার ও প্রতারক। তার নামে বেনামে একাধিক স্ত্রীও রয়েছে। তার স্ত্রীরাও তাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। ভাড়া থাকার এক পর্যায়ে এ ঘটনার মাস দু'য়েক আগে একদা বাড়ির মালিকের উদারতার সুযোগে ব্যাবসা বাড়ানোর নাম এবং বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বাসার মালিকের থেকে ২ বারে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়,যার প্রমাণ স্বরুপ ডিড রয়েছে। গত ৮ মে ২০২৬ শুক্রবার,বাসার মালিক যে রুমে থাকতেন তাঁর অনুপস্থিতিতে সেই রুমের তালা ভেঙে রুমের আলমারিতে থাকা সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণ যার মুল্য ৮ লাখ টাকা, নগদ ১০ হাজার টাকা, ১টি গ্যাস সিলিন্ডার এবং ৩ মাসের বাড়ি ভাড়া না দিয়ে চুরি করে রাতের অন্ধকারে প্রায় ৯ লক্ষ টাকার সম্পদ নিয়ে সে পালিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ মে সোমবার, চুরিকৃত জিনিস ও পাওনা টাকা ফেরত দিবে বলে তার ব্যবহৃত মোবাইল নং 01337149664 তে বাসার মালিককে দুপুর ১২ টায় ফোন দিয়ে সাহেব বাজারস্থ বড় মসজিদের নিচে আসতে বলে। মালিক সেখানে গিয়ে তাকে ঐ নম্বরে ফোন দিলে সে ফোন রিসিভ না করে কিছুক্ষণ পর তার (ঠগের) ফোন বন্ধ করে দেয়। ভুক্তভোগী নিরুপায় হয়ে ঐ প্রতাকের বিরুদ্ধে নিকটস্থ শাহমখদুম থানায় চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার ও পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে শাহ মখদুম থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন অভিযোগ দেন, তার বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।