ইরানে নতুন করে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েও শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে এলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, মঙ্গলবারই ইরানে ফের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা ছিল আমেরিকার। কিন্তু সেই পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে বর্তমানে সামরিক সংঘাত বন্ধ রয়েছে। তবে উত্তেজনা চলছেই দু’দেশের মধ্যে। পাকিস্তানের দৌত্যে দু’দেশ ইসলামাবাদে আলোচনায় বসলেও তা থেকে কোনও সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসেনি। সেই থেকে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দু’দেশের মধ্যে চাপানউতর চলেই আসছে। এই উত্তেজনা কাটাতে উদ্যোগী হয়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার কিছু ‘বন্ধুরাষ্ট্র’।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ওই উপসাগরীয় দেশগুলির অনুরোধেই ইরানে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছেন তিনি। সমাজমাধ্যম ‘ট্রুথ’ সোশ্যালে ট্রাম্প জানান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাষ্ট্রনেতারা তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন এখনই হামলা না করার জন্য। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে ট্রাম্প আশ্বস্ত হয়েছেন যে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলার সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সেই কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের।
আমেরিকা কী ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প। এমনকি মার্কিন বাহিনী যে মঙ্গলবারই এমন কোনও হামলার পরিকল্পনা করে রেখেছিল, তা নিয়েও আগে থেকে কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। তবে গত রবিবারই ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে এক পোস্টে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। ইরান দ্রুত আলোচনায় না-বসলে তাদের জন্য আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না— এমন সতর্কবার্তাও দিয়েছিলেন তেহরানকে। সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছিলেন, ‘ইরানের জন্য সময় ফুরিয়ে আসছে। তাদের দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে। নয়তো তাদের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। সময় এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।’ উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরানকে চাপে রাখতে এমন বিভিন্ন হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেগুলিতেও নতুন করে হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে স্পষ্ট ভাবে কিছু জানাননি ট্রাম্প।
এ অবস্থায় মঙ্গলবারের হামলা স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করে ট্রাম্প জানান, ইরানের কাছে কোনও ভাবেই যেন পরমাণু অস্ত্র তৈরির সুযোগ না থাকে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, তাঁকে জানানো হয়েছ আমেরিকার পক্ষে গ্রহণযোগ্য একটি চুক্তি শীঘ্রই হয়ে যাবে। তবে এমনটা না হলে মার্কিন বাহিনী যে প্রস্তুত রয়েছে সে কথাও জানিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, গ্রহণযোগ্য কোনও চুক্তি না হলে নির্দেশ পাওয়ামাত্রই ইরানে ব্যাপক হামলার জন্য তৈরি রয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে বর্তমানে সামরিক সংঘাত বন্ধ রয়েছে। তবে উত্তেজনা চলছেই দু’দেশের মধ্যে। পাকিস্তানের দৌত্যে দু’দেশ ইসলামাবাদে আলোচনায় বসলেও তা থেকে কোনও সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসেনি। সেই থেকে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দু’দেশের মধ্যে চাপানউতর চলেই আসছে। এই উত্তেজনা কাটাতে উদ্যোগী হয়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার কিছু ‘বন্ধুরাষ্ট্র’।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ওই উপসাগরীয় দেশগুলির অনুরোধেই ইরানে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছেন তিনি। সমাজমাধ্যম ‘ট্রুথ’ সোশ্যালে ট্রাম্প জানান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাষ্ট্রনেতারা তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন এখনই হামলা না করার জন্য। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে ট্রাম্প আশ্বস্ত হয়েছেন যে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলার সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সেই কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের।
আমেরিকা কী ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প। এমনকি মার্কিন বাহিনী যে মঙ্গলবারই এমন কোনও হামলার পরিকল্পনা করে রেখেছিল, তা নিয়েও আগে থেকে কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। তবে গত রবিবারই ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে এক পোস্টে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। ইরান দ্রুত আলোচনায় না-বসলে তাদের জন্য আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না— এমন সতর্কবার্তাও দিয়েছিলেন তেহরানকে। সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছিলেন, ‘ইরানের জন্য সময় ফুরিয়ে আসছে। তাদের দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে। নয়তো তাদের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। সময় এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।’ উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরানকে চাপে রাখতে এমন বিভিন্ন হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেগুলিতেও নতুন করে হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে স্পষ্ট ভাবে কিছু জানাননি ট্রাম্প।
এ অবস্থায় মঙ্গলবারের হামলা স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করে ট্রাম্প জানান, ইরানের কাছে কোনও ভাবেই যেন পরমাণু অস্ত্র তৈরির সুযোগ না থাকে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, তাঁকে জানানো হয়েছ আমেরিকার পক্ষে গ্রহণযোগ্য একটি চুক্তি শীঘ্রই হয়ে যাবে। তবে এমনটা না হলে মার্কিন বাহিনী যে প্রস্তুত রয়েছে সে কথাও জানিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, গ্রহণযোগ্য কোনও চুক্তি না হলে নির্দেশ পাওয়ামাত্রই ইরানে ব্যাপক হামলার জন্য তৈরি রয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।