সাঁথিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী নিখোঁজ: অভিযোগ ও পারিবারিক বক্তব্যে অসামঞ্জস্য, এলাকায় চাঞ্চল্য

আপলোড সময় : ১৭-০৫-২০২৬ ১১:৩৫:১০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৭-০৫-২০২৬ ১১:৩৫:১০ অপরাহ্ন
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের মাহমুদপুর গ্রামে সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী ফাতেমা খাতুন (২৫) নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানায় দায়ের করা অভিযোগে তাকে নিখোঁজ বলা হলেও, স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা দাবি করছেন তিনি এক ব্যক্তির সঙ্গে পালিয়ে গেছেন। অভিযোগ ও পারিবারিক বক্তব্যের এ অসামঞ্জস্য নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মে সোমবার দুপুরের পর থেকে ফাতেমা খাতুন নিখোঁজ হন। তিনি মাহমুদপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. লুৎফর এবং স্বামী সৌদি প্রবাসী মো. আজমল হোসেন।

এ ঘটনায় আজমল হোসেনের বাবা মো. ইসলাম শেখ সাঁথিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ফাতেমা খাতুন বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। তবে অভিযোগপত্রে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

অন্যদিকে সৌদি প্রবাসী স্বামী মো. আজমল হোসেন দাবি করেন, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চাপরী এলাকার মিল্টন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। তার অভিযোগ, ফাতেমা খাতুন প্রায় দুই লাখ টাকা নগদ অর্থ, সাত থেকে আট ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং তার নামে কেনা প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের জমির কাগজপত্র নিয়ে ওই ব্যক্তির সঙ্গে চলে গেছেন।

পরিবারের দাবি, ফাতেমা খাতুন তার ১০ বছর বয়সী মেয়ে জামিলাকে বাড়িতে রেখেই চলে যান। বিষয়টিকে পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক বলে উল্লেখ করেছেন।

আজমল হোসেনের ভাই মো. ইকবাল হোসেন ও জসিম শেখও একই অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত মিল্টনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া ফাতেমা খাতুনের ভাইও একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, পরিবারের সদস্যরা যখন নির্দিষ্ট এক ব্যক্তির সঙ্গে চলে যাওয়ার অভিযোগ করছেন, তখন থানায় দায়ের করা অভিযোগে কেন শুধুমাত্র নিখোঁজ উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগপত্র ও পরিবারের বক্তব্যের মধ্যে এমন অসামঞ্জস্যের কারণ নিয়েও এলাকায় নানা আলোচনা চলছে।

এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হয় এবং জনমনে বিরাজমান বিভ্রান্তির অবসান ঘটে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]