ফরিদপুর-রাজবাড়ী সীমান্তবর্তী ফরিদপুর সদর উপজেলায় একটি পুকুর পাড়ে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় এক নারী ও তার কন্যাশিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের রহস্য উদঘাটনের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের জানায়, পরকীয়ার জেরেই তিন বছরের সন্তানসহ জাহানারা বেগম (৩০) নামের ওই গৃহবধূকে হত্যার পর মাটিচাপা দেওয়া হয়। এই ঘটনায় উজ্জল খান নামে ওই কথিত প্রেমিককে আটক করা হয়েছে।
রোববার (১৭ মে) দুপুরে ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার হল রুলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয়রা উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের কালিতলা এলাকার পুকুর সংলগ্ন একটি মাঠ থেকে মাটি খুঁড়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন- গৃহবধূ জাহানারা বেগম (৩২) এবং তার ৩ বছরের শিশু কন্যা সামিয়া। জাহানারা রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার পরেশ উল্লাহ মাতবরের পাড়ার আমজাদ হোসেনের স্ত্রী।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ঢাকায় একটি ইটভাটায় কর্মরত অবস্থায় উজ্জল খানের সঙ্গে গৃহবধূ জাহানারা বেগমের পরকীয়া এক পর্যায়ে দুইজনই গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলায় চলে আসে। কিছুদিন ধরে জাহানারা বেগম বিয়ের জন্য উজ্জলকে চাপ দিচ্ছিল। এর ধারাবাহিকতায় গত ৪ মে জাহানারা এক আত্মীয়র বাড়িতে অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে শিশু সন্তানকে সামিয়াকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন।
পরে উজ্জলের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করলে জাহানারাকে জামতলা এলাকায় আসতে বলে উজ্জল। সেখান থেকে ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের কালিতলা এলাকার নির্জন একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে যান মা-মেয়েকে। সেখানে উজ্জল ও জাহানারা বেগমের মধ্যে তর্কের পর গলা চেপে জাহানারাকে হত্যা করে উজ্জল। পরে চিৎকার করা তিন বছরের শিশু সামিয়াকেও হত্যা করা হয়। সর্বশেষ পুকুর পাড়ে গর্ত করে মরদেহ দুইটি মাটিতে পুঁতে পালিয়ে যান উজ্জল।
পুকুর পাড়ে মাটি খুঁড়ছিল কুকুর, ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো মা-মেয়ের মরদেহপুকুর পাড়ে মাটি খুঁড়ছিল কুকুর, ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো মা-মেয়ের মরদেহ
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম আরও জানান, জাহানারা বেগম ও তার শিশু সন্তান নিখোঁজের ঘটনায় স্বামী আমজাদ হোসেন গোয়ালন্দ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। নিখোঁজের ১০দিন পর গত ১৪ মে স্থানীয়রা মাটিচাপা অবস্থায় মরদেহের সন্ধান পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে। এরপর জাহানারা বেগমের বাবা লালন মোল্লা বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেন।
সর্বশেষ জাহানারা বেগমের কললিস্ট ও স্বামীর দেওয়া তথ্যে ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থেকে উজ্জলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রোববার গ্রেপ্তার উজ্জল খাঁনকে রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
রোববার (১৭ মে) দুপুরে ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার হল রুলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয়রা উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের কালিতলা এলাকার পুকুর সংলগ্ন একটি মাঠ থেকে মাটি খুঁড়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন- গৃহবধূ জাহানারা বেগম (৩২) এবং তার ৩ বছরের শিশু কন্যা সামিয়া। জাহানারা রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার পরেশ উল্লাহ মাতবরের পাড়ার আমজাদ হোসেনের স্ত্রী।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ঢাকায় একটি ইটভাটায় কর্মরত অবস্থায় উজ্জল খানের সঙ্গে গৃহবধূ জাহানারা বেগমের পরকীয়া এক পর্যায়ে দুইজনই গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলায় চলে আসে। কিছুদিন ধরে জাহানারা বেগম বিয়ের জন্য উজ্জলকে চাপ দিচ্ছিল। এর ধারাবাহিকতায় গত ৪ মে জাহানারা এক আত্মীয়র বাড়িতে অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে শিশু সন্তানকে সামিয়াকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন।
পরে উজ্জলের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করলে জাহানারাকে জামতলা এলাকায় আসতে বলে উজ্জল। সেখান থেকে ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের কালিতলা এলাকার নির্জন একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে যান মা-মেয়েকে। সেখানে উজ্জল ও জাহানারা বেগমের মধ্যে তর্কের পর গলা চেপে জাহানারাকে হত্যা করে উজ্জল। পরে চিৎকার করা তিন বছরের শিশু সামিয়াকেও হত্যা করা হয়। সর্বশেষ পুকুর পাড়ে গর্ত করে মরদেহ দুইটি মাটিতে পুঁতে পালিয়ে যান উজ্জল।
পুকুর পাড়ে মাটি খুঁড়ছিল কুকুর, ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো মা-মেয়ের মরদেহপুকুর পাড়ে মাটি খুঁড়ছিল কুকুর, ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো মা-মেয়ের মরদেহ
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম আরও জানান, জাহানারা বেগম ও তার শিশু সন্তান নিখোঁজের ঘটনায় স্বামী আমজাদ হোসেন গোয়ালন্দ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। নিখোঁজের ১০দিন পর গত ১৪ মে স্থানীয়রা মাটিচাপা অবস্থায় মরদেহের সন্ধান পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে। এরপর জাহানারা বেগমের বাবা লালন মোল্লা বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেন।
সর্বশেষ জাহানারা বেগমের কললিস্ট ও স্বামীর দেওয়া তথ্যে ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থেকে উজ্জলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রোববার গ্রেপ্তার উজ্জল খাঁনকে রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।