রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) নবাগত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
রোববার (১৭ মে) সকাল ১১টায় আরএমপি সদর দপ্তরের সভাকক্ষে এ পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পরিচিতি পর্ব শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কমিশনার বলেন, রাজশাহী মহানগরীতে মাদক, জুয়াসহ সকল ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশি অভিযান আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে পুলিশি কার্যক্রমকে অধিকতর সেবামূলক, জনবান্ধব ও হয়রানিমুক্ত করতে আরএমপির সকল ইউনিটকে কার্যকর ভূমিকা পালনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়সহ মেট্রোপলিটন পুলিশের সকল ইউনিটে সেবা নিতে এসে কোনো ব্যক্তি যেন আর্থিক বা অন্য কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হবে। মাননীয় আইজিপি মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি থানাকে “জিরো কমপ্লেইন” থানা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, মামলা, সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স গ্রহণের ক্ষেত্রে নাগরিকরা যেন কোনো ধরনের ভোগান্তি বা হয়রানির সম্মুখীন না হন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, যানজট নিরসন, ফুটপাত দখলমুক্তকরণ এবং নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
রাজশাহী মহানগরীকে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের জনগণকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস প্রদান করেন।
সভায় তিনি আরএমপির সকল স্তরের পুলিশ সদস্যদের স্বাধীনভাবে, পেশাদারিত্বের সঙ্গে ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। আগামী দুই মাসের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জনসেবায় দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মোঃ ফারুক হোসেন; উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, পিপিএম; আরএমপির মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার, সিটিটিসি মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ।
রোববার (১৭ মে) সকাল ১১টায় আরএমপি সদর দপ্তরের সভাকক্ষে এ পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পরিচিতি পর্ব শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কমিশনার বলেন, রাজশাহী মহানগরীতে মাদক, জুয়াসহ সকল ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশি অভিযান আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে পুলিশি কার্যক্রমকে অধিকতর সেবামূলক, জনবান্ধব ও হয়রানিমুক্ত করতে আরএমপির সকল ইউনিটকে কার্যকর ভূমিকা পালনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়সহ মেট্রোপলিটন পুলিশের সকল ইউনিটে সেবা নিতে এসে কোনো ব্যক্তি যেন আর্থিক বা অন্য কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হবে। মাননীয় আইজিপি মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি থানাকে “জিরো কমপ্লেইন” থানা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, মামলা, সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স গ্রহণের ক্ষেত্রে নাগরিকরা যেন কোনো ধরনের ভোগান্তি বা হয়রানির সম্মুখীন না হন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, যানজট নিরসন, ফুটপাত দখলমুক্তকরণ এবং নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
রাজশাহী মহানগরীকে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের জনগণকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস প্রদান করেন।
সভায় তিনি আরএমপির সকল স্তরের পুলিশ সদস্যদের স্বাধীনভাবে, পেশাদারিত্বের সঙ্গে ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। আগামী দুই মাসের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জনসেবায় দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মোঃ ফারুক হোসেন; উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, পিপিএম; আরএমপির মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার, সিটিটিসি মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ।