সিলেট নগরীতে গভীর রাতে প্রাইভেট কারে এসে একটি মাদ্রাসার দানবাক্স ভেঙে টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ৪টার দিকে নগরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাসিটুলা এলাকার জামিয়া ইসলামিয়া দারুল কুরআন মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি সাদা রঙের প্রাইভেট কার মাদ্রাসার সামনে এসে থামে। পরে গাড়ি থেকে নেমে দুই যুবক ড্রিল মেশিন ব্যবহার করে দানবাক্সের তালা কেটে ভেতরে থাকা টাকা নিয়ে যায়। টাকা সংগ্রহের সময় পাশ দিয়ে একটি মোটরসাইকেল চলে গেলেও তারা নির্বিঘ্নে বাকি টাকা নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, একই রাতে একই কায়দায় আশপাশের আরও কয়েকটি মসজিদের দানবাক্স থেকেও টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল জাকির জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি পুলিশের নজরে এসেছে। তবে এখন পর্যন্ত মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
তিনি বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করতে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একটি দল ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে ৪টার দিকে নগরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাসিটুলা এলাকার জামিয়া ইসলামিয়া দারুল কুরআন মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি সাদা রঙের প্রাইভেট কার মাদ্রাসার সামনে এসে থামে। পরে গাড়ি থেকে নেমে দুই যুবক ড্রিল মেশিন ব্যবহার করে দানবাক্সের তালা কেটে ভেতরে থাকা টাকা নিয়ে যায়। টাকা সংগ্রহের সময় পাশ দিয়ে একটি মোটরসাইকেল চলে গেলেও তারা নির্বিঘ্নে বাকি টাকা নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, একই রাতে একই কায়দায় আশপাশের আরও কয়েকটি মসজিদের দানবাক্স থেকেও টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল জাকির জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি পুলিশের নজরে এসেছে। তবে এখন পর্যন্ত মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
তিনি বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করতে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একটি দল ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।