রাজশাহী মহানগরীর তালাইমারী বালুঘাট সংলগ্ন শহররক্ষা বাঁধের ব্লকের পাশে ও কাজলা ফুলতলা এলাকার পূর্ব পাশে পদ্মা নদীর পাড়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
নদীর ধারের ব্লক বিছানো সরকারি জায়গায় এই নির্মাণকাজ ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত তা অপসারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পদ্মা নদীর পাড়ের ব্লক দিয়ে নির্মিত উম্মুক্ত জায়গায় দোকান, ঝুপড়ি বা গরুর গোয়াল ও বসতঘর নির্মাণ নির্মান করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি তীরবর্তী এলাকা দখলের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে তারা দ্রুত অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগ না নিলে নদীর তীরবর্তী সরকারি জমি দখল হয়ে স্থায়ী স্থাপনায় রূপ নিতে পারে, যা পরিবেশ ও নদী রক্ষায় বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করবে।
এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন নজর স্থানীয় বাসিন্দাদের।
জানতে চাইলে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রকৌশলী (সিও) মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, শহররক্ষা বাঁধের ব্লক পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ফলে বিষয়টি দেখার দায়িত্ব তাদের। তারপরও লোক পাঠিয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন তিনি।
জানতে চাইলে রাজশাহী উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো), উপ-সহকারী প্রকৌশলী, মোঃ আবু হুরায়রা বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে আমাদের নজরে এসেছে। অবৈধ দখলদারদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
নদীর ধারের ব্লক বিছানো সরকারি জায়গায় এই নির্মাণকাজ ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত তা অপসারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পদ্মা নদীর পাড়ের ব্লক দিয়ে নির্মিত উম্মুক্ত জায়গায় দোকান, ঝুপড়ি বা গরুর গোয়াল ও বসতঘর নির্মাণ নির্মান করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি তীরবর্তী এলাকা দখলের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে তারা দ্রুত অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগ না নিলে নদীর তীরবর্তী সরকারি জমি দখল হয়ে স্থায়ী স্থাপনায় রূপ নিতে পারে, যা পরিবেশ ও নদী রক্ষায় বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করবে।
এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন নজর স্থানীয় বাসিন্দাদের।
জানতে চাইলে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রকৌশলী (সিও) মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, শহররক্ষা বাঁধের ব্লক পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ফলে বিষয়টি দেখার দায়িত্ব তাদের। তারপরও লোক পাঠিয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন তিনি।
জানতে চাইলে রাজশাহী উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো), উপ-সহকারী প্রকৌশলী, মোঃ আবু হুরায়রা বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে আমাদের নজরে এসেছে। অবৈধ দখলদারদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।