রাজশাহী নগরীর হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে দড়িখরবোনা রেলক্রসিং মোড়ে একটি ঢোপকল স্থাপন করেছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। নগরীর ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সিটি কর্পোরেশন।
বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে ঢোপকল স্থাপনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন রাসিকের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। এ সময় সেখানে উপস্থিত এক পথচারী দম্পতি ঐতিহ্য সংরক্ষণে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ঢোপকল স্থাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী এনামুল হক বলেন, রাজশাহীর হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নগরীর ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারবে। এজন্য তিনি রাসিক প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান।
পরিদর্শনকালে রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, হেতেমখা বড় মসজিদ থেকে বর্ণালী সড়ক পর্যন্ত উন্নয়ন কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল। নাগরিক ভোগান্তি কমাতে দ্রুত সড়ক নির্মাণ কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সড়ক উন্নয়ন কাজের প্রয়োজনেই ঢোপকল স্থানান্তর করতে হয়েছে। তবে ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও নগরীর ইতিহাস তুলে ধরতেই নতুনভাবে এটি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, এক সময় রাজশাহী নগরবাসীর দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ঢোপকল। আধুনিকতার প্রভাবে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসা সেই ঐতিহ্যকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন।
বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে ঢোপকল স্থাপনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন রাসিকের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। এ সময় সেখানে উপস্থিত এক পথচারী দম্পতি ঐতিহ্য সংরক্ষণে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ঢোপকল স্থাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী এনামুল হক বলেন, রাজশাহীর হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নগরীর ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারবে। এজন্য তিনি রাসিক প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান।
পরিদর্শনকালে রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, হেতেমখা বড় মসজিদ থেকে বর্ণালী সড়ক পর্যন্ত উন্নয়ন কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল। নাগরিক ভোগান্তি কমাতে দ্রুত সড়ক নির্মাণ কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সড়ক উন্নয়ন কাজের প্রয়োজনেই ঢোপকল স্থানান্তর করতে হয়েছে। তবে ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও নগরীর ইতিহাস তুলে ধরতেই নতুনভাবে এটি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, এক সময় রাজশাহী নগরবাসীর দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ঢোপকল। আধুনিকতার প্রভাবে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসা সেই ঐতিহ্যকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন।