রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু।
তিনি বলেছেন, রাজশাহীর সোনালী আঁশ পাটের ঐতিহ্য কিছুটা টিকে থাকলেও রেশম শিল্প প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। ব্র্যাকের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে হারিয়ে যাওয়া রাজশাহী সিল্ককে আবারও বিশ্ববাজারে পরিচিত করা সম্ভব।
শুক্রবার (১৫ মে) সকালে রাজশাহীর পবা উপজেলায় অবস্থিত ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ব্র্যাক বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২৫ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, প্রয়াত ব্র্যাক প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হোসেন আবেদ অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ছোট একটি প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। শিক্ষা, ব্যাংকিং, ব্যবসা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন খাতে ব্র্যাক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্র্যাককে অত্যন্ত সম্মান করেন এবং আগামী দিনে স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন| তিনি বলেন, ৯১ সালের ছোট্ট ব্র্যাক আজ সারা পৃথিবীতে সুপ্রতিষ্ঠিত। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আশা করে, আগামী দিনে ব্র্যাক দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের ঊর্ধ্বতন পরিচালক কেএএম মোর্শেদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন-এর প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাওয়াদুল হক, বাংলাদেশ পুলিশ-এর রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার রেজাউল আলম সরকার, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদ উদ্দীন খান, জেলা প্রশাসক মো. কাজী শহিদুল এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান।
অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৫ সালে রাজশাহী বিভাগে ২০ হাজার ৭৯২টি অতিদরিদ্র পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৮ হাজার ৭০৩টি পরিবার সফলভাবে অতিদারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছে। জলবায়ু সহনশীলতা কর্মসূচির আওতায় সহায়তা পেয়েছেন ১১ হাজার ৪৫১ জন এবং ১ হাজার ৫৬৫ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
মাইক্রোফাইন্যান্স কার্যক্রমে প্রায় ২১ লাখ সদস্যের মধ্যে ৮৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ নারী। এছাড়া ৯৩৮ জন বেকার যুবককে উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের আওতায় রাজশাহী বিভাগে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৯৯৮ জনকে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষার আওতায় আনা হয়েছে। ৮৪ হাজার ৫০৬ জন গর্ভবতী নারী পূর্ণাঙ্গ প্রসবপূর্ব সেবা পেয়েছেন এবং ৪৫ হাজার ৬৩৮টি নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ১ লাখ ৮৪ হাজারের বেশি মানুষের চক্ষু পরীক্ষা এবং ২ হাজার ১৭৩টি ছানি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
এছাড়াও শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ সহনশীলতা এবং নারী-পুরুষের সমঅধিকার বিষয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির তথ্য তুলে ধরা হয়।
তিনি বলেছেন, রাজশাহীর সোনালী আঁশ পাটের ঐতিহ্য কিছুটা টিকে থাকলেও রেশম শিল্প প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। ব্র্যাকের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে হারিয়ে যাওয়া রাজশাহী সিল্ককে আবারও বিশ্ববাজারে পরিচিত করা সম্ভব।
শুক্রবার (১৫ মে) সকালে রাজশাহীর পবা উপজেলায় অবস্থিত ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ব্র্যাক বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২৫ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, প্রয়াত ব্র্যাক প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হোসেন আবেদ অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ছোট একটি প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। শিক্ষা, ব্যাংকিং, ব্যবসা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন খাতে ব্র্যাক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্র্যাককে অত্যন্ত সম্মান করেন এবং আগামী দিনে স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন| তিনি বলেন, ৯১ সালের ছোট্ট ব্র্যাক আজ সারা পৃথিবীতে সুপ্রতিষ্ঠিত। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আশা করে, আগামী দিনে ব্র্যাক দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের ঊর্ধ্বতন পরিচালক কেএএম মোর্শেদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন-এর প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাওয়াদুল হক, বাংলাদেশ পুলিশ-এর রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার রেজাউল আলম সরকার, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদ উদ্দীন খান, জেলা প্রশাসক মো. কাজী শহিদুল এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান।
অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৫ সালে রাজশাহী বিভাগে ২০ হাজার ৭৯২টি অতিদরিদ্র পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৮ হাজার ৭০৩টি পরিবার সফলভাবে অতিদারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছে। জলবায়ু সহনশীলতা কর্মসূচির আওতায় সহায়তা পেয়েছেন ১১ হাজার ৪৫১ জন এবং ১ হাজার ৫৬৫ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
মাইক্রোফাইন্যান্স কার্যক্রমে প্রায় ২১ লাখ সদস্যের মধ্যে ৮৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ নারী। এছাড়া ৯৩৮ জন বেকার যুবককে উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের আওতায় রাজশাহী বিভাগে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৯৯৮ জনকে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষার আওতায় আনা হয়েছে। ৮৪ হাজার ৫০৬ জন গর্ভবতী নারী পূর্ণাঙ্গ প্রসবপূর্ব সেবা পেয়েছেন এবং ৪৫ হাজার ৬৩৮টি নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ১ লাখ ৮৪ হাজারের বেশি মানুষের চক্ষু পরীক্ষা এবং ২ হাজার ১৭৩টি ছানি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
এছাড়াও শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ সহনশীলতা এবং নারী-পুরুষের সমঅধিকার বিষয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির তথ্য তুলে ধরা হয়।