পাবনার ঈশ্বরদীর মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে একে একে শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুই ছাত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে স্বাস্থ্য বিভাগ, শিক্ষা বিভাগ, থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দশম শ্রেণির ছাত্রী আঁখি আক্তার ও ঋতু খাতুনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বুধবার রাতেই তাদের রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
এর আগে বুধবার দুপুরে মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ের বালিকা শাখার একটি শ্রেণিকক্ষে কয়েকজন শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে একে একে শতাধিক ছাত্রী শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা ও অজ্ঞান হওয়ার মতো উপসর্গে আক্রান্ত হয়। এদের মধ্যে প্রায় ৬৫ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনায় পুরো উপজেলাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে ছুটে যান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব বলেন, ঘটনার পরপরই শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, এটি গণমনস্তাত্ত্বিক অসুস্থতা বা ‘ম্যাস হিস্টিরিয়া’ হতে পারে। তবে শ্রেণিকক্ষে পাওয়া একটি কীটনাশকের বোতল নিয়েও তদন্ত চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বুধবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে স্বাস্থ্য বিভাগ, শিক্ষা বিভাগ, থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দশম শ্রেণির ছাত্রী আঁখি আক্তার ও ঋতু খাতুনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বুধবার রাতেই তাদের রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
এর আগে বুধবার দুপুরে মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ের বালিকা শাখার একটি শ্রেণিকক্ষে কয়েকজন শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে একে একে শতাধিক ছাত্রী শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা ও অজ্ঞান হওয়ার মতো উপসর্গে আক্রান্ত হয়। এদের মধ্যে প্রায় ৬৫ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনায় পুরো উপজেলাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে ছুটে যান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব বলেন, ঘটনার পরপরই শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, এটি গণমনস্তাত্ত্বিক অসুস্থতা বা ‘ম্যাস হিস্টিরিয়া’ হতে পারে। তবে শ্রেণিকক্ষে পাওয়া একটি কীটনাশকের বোতল নিয়েও তদন্ত চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।