ফেনীর দাগনভূঞায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান পলাতক আসামি আলাউদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
বুধবার (১৩ মে) রাত আনুমানিক ৯টায় ফেনীর দাগনভূঞা থানার ফাজিলেরঘাট বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আলাউদ্দিন (৫০) ফেনী সদর উপজেলার দক্ষিণ কাশেমপুর গ্রামের মৃত বদু মিয়ার ছেলে।
র্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, ভুক্তভোগী শিশু সুমন হোসেন সাকিব (১১) ফেনী সদর উপজেলার দক্ষিণ কাশেমপুর গ্রামের শাহিন আলমের ছেলে। সে স্থানীয় একটি আলমারির দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করত।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আলাউদ্দিন শিশুটিকে টাকা-পয়সার লোভ দেখিয়ে একই গ্রামের মুছা মিয়ার বাড়ির পেছনের জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে পায়ুপথে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখানো হয়।
একইভাবে (১ মে) আবারও কাজ শেষে ফেরার পথে আলাউদ্দিন ও অপর আসামি আব্দুর রাজ্জাক শিশুটিকে একই স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে ৮ মে অভিযুক্তরা শিশুটিকে পুনরায় বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থলে নেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। এ সময় তারা আলাউদ্দিনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে শিশুটির কাছ থেকে ধারাবাহিক নির্যাতনের বিষয়টি জানতে পারেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ৯ মে ফেনী মডেল থানায় তিনজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-২৫।
র্যাব-৭ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রধান পলাতক আসামির অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফেনী সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) রাত আনুমানিক ৯টায় ফেনীর দাগনভূঞা থানার ফাজিলেরঘাট বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আলাউদ্দিন (৫০) ফেনী সদর উপজেলার দক্ষিণ কাশেমপুর গ্রামের মৃত বদু মিয়ার ছেলে।
র্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, ভুক্তভোগী শিশু সুমন হোসেন সাকিব (১১) ফেনী সদর উপজেলার দক্ষিণ কাশেমপুর গ্রামের শাহিন আলমের ছেলে। সে স্থানীয় একটি আলমারির দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করত।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আলাউদ্দিন শিশুটিকে টাকা-পয়সার লোভ দেখিয়ে একই গ্রামের মুছা মিয়ার বাড়ির পেছনের জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে পায়ুপথে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখানো হয়।
একইভাবে (১ মে) আবারও কাজ শেষে ফেরার পথে আলাউদ্দিন ও অপর আসামি আব্দুর রাজ্জাক শিশুটিকে একই স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে ৮ মে অভিযুক্তরা শিশুটিকে পুনরায় বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থলে নেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। এ সময় তারা আলাউদ্দিনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে শিশুটির কাছ থেকে ধারাবাহিক নির্যাতনের বিষয়টি জানতে পারেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ৯ মে ফেনী মডেল থানায় তিনজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-২৫।
র্যাব-৭ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রধান পলাতক আসামির অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফেনী সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।