যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দুই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি। এসময় তাইওয়ান নিয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, তাইপে ইস্যু ঠিকমতো সামলানো না গেলে ওয়াশিংটন-বেইজিং সংঘাতে জড়াতে পারে। অন্যদিকে, শি জিনপিংকে অসাধারণ নেতা উল্লেখ করে, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সুন্দর ভবিষ্যত গড়তে যাচ্ছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেইজিংয়ের গ্রেট হলে বৈঠকে বসেন চীনা প্রেসিডেন্ট ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। প্রায় দুই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার আলোচনা করেন দুই নেতা। এসময় ট্রাম্পের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, অর্থমন্ত্রী স্টক বেসেন্টসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার তথ্য বলছে, বৈঠকের শুরুতেই বৈশ্বিক পরিস্থিতিকে নতুন এক সন্ধিক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেন শি জিনপিং। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের উচিত প্রতিপক্ষ নয়, বরং অংশীদার হিসেবে কাজ করা। একে অপরকে সহযোগিতা করে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান চীনা প্রেসিডেন্ট।
বৈঠকে তাইওয়ান প্রশ্নেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন শি জিনপিং। চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে তাইওয়ান ইস্যু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। এই ইস্যু সঠিকভাবে সামাল না দিতে পারলে দুই দেশের সম্পর্ক বিপজ্জনক সংঘাতের দিকে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন শি।
তিনি বলেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র স্থিতিশীল সম্পর্ক পুরো বিশ্বের জন্যই উপকারী। আমরা যখন সহযোগিতা করি, তখন উভয় পক্ষই লাভবান হয়; আর যখন মুখোমুখি সংঘাতে জড়াই, তখন দুই পক্ষকেই মূল্য দিতে হয়। আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং অংশীদার হওয়া উচিত।
অন্যদিকে শি জিনপিংকে অসাধারণ নেতা আখ্যা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও ভালো হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে ট্রাম্প বলেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে চমৎকার ভবিষ্যৎ গড়তে যাচ্ছে। বৈঠকে শেষে আলোচনা ভালো হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আপনি একজন মহান নেতা। আপনার বন্ধু হতে পারা আমার জন্য সম্মানের। আর চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও ভালো হবে।
এর আগে বেইজিংয়ে পৌঁছালে গ্রেট হলে ট্রাম্পকে স্বাগত জানান চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। রাজকীয় সংবর্ধনা জানানোর পাশাপাশি ট্রাম্পকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্মানে আয়োজন করা হয় মনোমুগ্ধকর প্যারেডের। একপর্যায়ে গ্রেট হলের বাইরে লাল গালিচায় দাঁড়িয়ে দুই নেতাকে করমর্দন করতে দেখা যায়।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেইজিংয়ের গ্রেট হলে বৈঠকে বসেন চীনা প্রেসিডেন্ট ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। প্রায় দুই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার আলোচনা করেন দুই নেতা। এসময় ট্রাম্পের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, অর্থমন্ত্রী স্টক বেসেন্টসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার তথ্য বলছে, বৈঠকের শুরুতেই বৈশ্বিক পরিস্থিতিকে নতুন এক সন্ধিক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেন শি জিনপিং। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের উচিত প্রতিপক্ষ নয়, বরং অংশীদার হিসেবে কাজ করা। একে অপরকে সহযোগিতা করে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান চীনা প্রেসিডেন্ট।
বৈঠকে তাইওয়ান প্রশ্নেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন শি জিনপিং। চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে তাইওয়ান ইস্যু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। এই ইস্যু সঠিকভাবে সামাল না দিতে পারলে দুই দেশের সম্পর্ক বিপজ্জনক সংঘাতের দিকে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন শি।
তিনি বলেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র স্থিতিশীল সম্পর্ক পুরো বিশ্বের জন্যই উপকারী। আমরা যখন সহযোগিতা করি, তখন উভয় পক্ষই লাভবান হয়; আর যখন মুখোমুখি সংঘাতে জড়াই, তখন দুই পক্ষকেই মূল্য দিতে হয়। আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং অংশীদার হওয়া উচিত।
অন্যদিকে শি জিনপিংকে অসাধারণ নেতা আখ্যা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও ভালো হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে ট্রাম্প বলেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে চমৎকার ভবিষ্যৎ গড়তে যাচ্ছে। বৈঠকে শেষে আলোচনা ভালো হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আপনি একজন মহান নেতা। আপনার বন্ধু হতে পারা আমার জন্য সম্মানের। আর চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও ভালো হবে।
এর আগে বেইজিংয়ে পৌঁছালে গ্রেট হলে ট্রাম্পকে স্বাগত জানান চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। রাজকীয় সংবর্ধনা জানানোর পাশাপাশি ট্রাম্পকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্মানে আয়োজন করা হয় মনোমুগ্ধকর প্যারেডের। একপর্যায়ে গ্রেট হলের বাইরে লাল গালিচায় দাঁড়িয়ে দুই নেতাকে করমর্দন করতে দেখা যায়।