প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, একসঙ্গে কাজ হোক! বৈঠকে ট্রাম্পকে বললেন জিনপিং

আপলোড সময় : ১৪-০৫-২০২৬ ০৪:৩২:১৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৪-০৫-২০২৬ ০৪:৩২:১৭ অপরাহ্ন
আমেরিকা এবং চিন দুই দেশই চাইছে নিজেদের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক মসৃণ করতে। প্রাথমিক কথাবার্তায় তেমনই আভাস দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দু’দেশ যাতে একে অন্যকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী না ভাবে, ট্রাম্পের উদ্দেশে সেই বার্তাই দিয়েছেন জিনপিং। তিনি চাইছেন, দু’দেশ একসঙ্গে মিলেমিশে কাজ করুক। চিনা প্রেসিডেন্টকে নিজের ‘বন্ধু’ বলে সম্বোধন করেছেন ট্রাম্পও। জানিয়েছেন, জিনপিঙের বন্ধু হতে পেরে তিনি সম্মানিত।

বৃহস্পতিবার সকালেও লাল গালিচা পেতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্বাগত জানালেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বেজিঙের তিয়েনানমেন স্কোয়ারে ‘গ্রেট হল অফ দ্য পিপল’-এ দুই রাষ্ট্রনেতা বৈঠকে বসেছেন। সকালে সেখানে ট্রাম্পকে স্বাগত জানানোর জন্য আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট। দুই নেতা সেখানে করমর্দন করেন। তার পরে ‘গ্রেট হল অফ দ্য পিপল’-এ প্রবেশ করেন। লাল গালিচা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময়ে ট্রাম্প এবং জিনপিঙের শারীরিক ভাষাও ছিল দৃশ্যত বন্ধুত্বপূর্ণ।

বৈঠক শুরুর পরে প্রাথমিক আলোচনায় জিনপিঙের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, “আপনার বন্ধু হতে পেরে আমি সম্মানিত।” চিনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎও এক ‘পরম সম্মানের বিষয়’ বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “এই বৈঠকে শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্বেরা (শিল্পপতিরা) উপস্থিত রয়েছেন আপনাকে সম্মান জানাতে।” বেজিঙের এই বৈঠক ‘এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শীর্ষ সম্মেলন’ বলেও ব্যাখ্যা করেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ইতিবাচক ফল নিয়ে আশাবাদী জিনপিংও। তিনিও ট্রাম্পকে বলেন, “আসুন, আমরা একসঙ্গে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি। গোটা বিশ্ব আমাদের এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।” মার্কিন প্রেসিডেন্টের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “আমাদের একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে পরস্পরের সঙ্গী হওয়া উচিত। আমাদের উচিত একে অপরকে সফল ও সমৃদ্ধ হতে সাহায্য করা। বর্তমান যুগে প্রধান শক্তিধর রাষ্ট্রগুলি কী ভাবে একে অপরের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ভাবে সহাবস্থান করতে পারে— তার সঠিক পথের সন্ধান করা উচিত।”

প্রায় ৯ বছর পরে কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট সরকারি সফরে বেজিঙে গিয়েছেন। এর আগে ২০১৭ সালে শেষ বার চিন সফরে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। গত বছরের শুল্ক উত্তেজনার পরে ট্রাম্পের এই সফরে ওয়াশিংটন-বেজিং কূটনৈতিক সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে কৌতূহলী গোটা বিশ্ব। তবে বৈঠকে বসার আগে বিশ্বের দুই প্রধান শক্তিধর দেশের রাষ্ট্রনেতার শরীরী ভাষা ছিল দৃশ্যত বন্ধুত্বপূর্ণই।

তিন দিনের সফরে বুধবার বিকেলেই বেজিঙে পৌঁছে যান ট্রাম্প। এ বারের সফর যে ৯ বছর আগের সফরের তুলনায় কিছুটা আলাদা, সেই আভাস মিলেছিল ট্রাম্প বেজিঙের বিমানবন্দরে পৌঁছোনোর পর পরই। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে পৌঁছে গিয়েছিলেন চিনা ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যাং জেং। গত বারের সফরে এমন উচ্চ পদমর্যাদার কোনও নেতাকে পাঠানো হয়নি বিমানবন্দরে। যা থেকে স্পষ্ট, সম্পর্কের শৈত্য কাটাতে আগ্রহী বেজিং।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]