রাজশাহী জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে সরকারি ভবনের ছাদে ৫ হাজার মেগাওয়াট রুফটপ সোলার স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছে রাজশাহী প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরাম। পরে দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এর কাছে প্রদান করা হয়।
বুধবার (১৩ মে) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট দিল সেতারা চুনি। বক্তব্য দেন সংগঠনের সদস্য সচিব রাশেদ রিপন, সদস্য সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম, ছোটন সরদার ও পঙ্কজ কর্মকার।
বক্তারা বলেন, রুফটপ সোলার সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় সোলার শিল্প, ইনস্টলেশন খাত, রক্ষণাবেক্ষণ সেবা এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম সরবরাহকারী ব্যবসায়ীরা নতুন বাজার ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে একটি টেকসই সবুজ অর্থনীতি গড়ে উঠবে।
তারা রাজশাহী জেলা প্রশাসনসহ দেশের সব সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের ছাদে দ্রুত রুফটপ সোলার স্থাপন, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান এবং নেট-মিটারিং ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও জনবান্ধব করার দাবি জানান।
অ্যাডভোকেট দিল সেতারা চুনি বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় দেশের সব জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে তিন মাসের মধ্যে রুফটপ সোলার স্থাপনের নির্দেশনা দিয়েছে। তিনি এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী, পরিবেশবান্ধব এবং অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।
সংগঠনের সদস্য সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে জ্বালানি সংকট, আমদানি-নির্ভরতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। সরকারি ভবনের ছাদ ব্যবহার করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যয় হ্রাস, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পরিবর্তনের পরিচালক রাশেদ রিপন বলেন, এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে একটি আঞ্চলিক উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং পরিচ্ছন্ন, সাশ্রয়ী ও টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে।
বুধবার (১৩ মে) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট দিল সেতারা চুনি। বক্তব্য দেন সংগঠনের সদস্য সচিব রাশেদ রিপন, সদস্য সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম, ছোটন সরদার ও পঙ্কজ কর্মকার।
বক্তারা বলেন, রুফটপ সোলার সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় সোলার শিল্প, ইনস্টলেশন খাত, রক্ষণাবেক্ষণ সেবা এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম সরবরাহকারী ব্যবসায়ীরা নতুন বাজার ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে একটি টেকসই সবুজ অর্থনীতি গড়ে উঠবে।
তারা রাজশাহী জেলা প্রশাসনসহ দেশের সব সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের ছাদে দ্রুত রুফটপ সোলার স্থাপন, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান এবং নেট-মিটারিং ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও জনবান্ধব করার দাবি জানান।
অ্যাডভোকেট দিল সেতারা চুনি বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় দেশের সব জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে তিন মাসের মধ্যে রুফটপ সোলার স্থাপনের নির্দেশনা দিয়েছে। তিনি এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী, পরিবেশবান্ধব এবং অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।
সংগঠনের সদস্য সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে জ্বালানি সংকট, আমদানি-নির্ভরতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। সরকারি ভবনের ছাদ ব্যবহার করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যয় হ্রাস, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পরিবর্তনের পরিচালক রাশেদ রিপন বলেন, এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে একটি আঞ্চলিক উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং পরিচ্ছন্ন, সাশ্রয়ী ও টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে।