অতিথি হয়ে কারও বাড়িতে গেলে প্রথমেই চোখ যায় আনাচকানাচে। পরিচ্ছন্ন, পরিপাটি অন্দরসাজ এক নিমেষেই বাড়ির মানুষগুলির রুচি-পছন্দ সম্পর্কে ধারণা তৈরি করে। অতিথি বলেকয়ে এলে এক রকম, যদি আগাম না জানিয়ে কেউ আসেন, অনেক সময় ঘরদোরের হতশ্রী অবস্থার জন্য লজ্জায় পড়তে হয়। কারও বাড়ি যেমন বছরভর গোছানো থাকে, তেমনই কারও বাড়ি সব সময়েই অগোছালো হয়ে থাকে। দিনভর নানা কাজের পর কী ভাবে ঘরদোর জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখা যায়, অনেকেই তা বুঝতে পারেন না। সেই সমস্যার সমাধান হতে পারে সহজ কয়েকটি কৌশলেই।
বিছানা পরিষ্কার রাখুন: ঘুম থেকে উঠে প্রথম কাজটি হোক বিছানার চাদর ঝেড়ে, টানটান করে পেতে ফেলা, বালিশ, চাদর জায়গা মতো রাখা। ছোট্ট একটি অভ্যাসই অনেক কাজের। ঘরের মধ্যে বিছানাটি পরিষ্কার থাকলেই, ঘর অনেকটা গোছানো দেখায়।
জিনিসপত্র এদিক-ওদিক রাখা: ঘর অপরিচ্ছন্ন দেখায় জিনিসপত্র এ দিকে, ও দিক ছুড়ে ফেলা বা জায়গার জিনিস জায়গায় না রাখলে। শুধু জিনিসপত্র ঠিক ভাবে রাখলেই এক ধাক্কায় ঘর গোছানোর কাজ অনেকটা কমে যেতে পারে।
হেঁশেল পরিষ্কার রাখা: রান্নাঘর রাতেই পরিষ্কার করে ফেলুন। গ্যাস অভেন থেকে এঁটোকাঁটা পরিষ্কার করে ফেললে, বিশ্রী গন্ধ হবে না। সকালে উঠে রান্নাঘরে ঢুকে বিরক্তিবোধ কমবে। রাতভর রান্নাঘর পরিষ্কার থাকলে পোকামাকড়ের উৎপাতও কম হবে।
জামাকাপড় কাচা: কাজের সুবিধার জন্য প্রায় সব বাড়িতেই ওয়াশিং মেশিন থাকে। রাতে বাড়ি ফিরে না কাচা জামাকাপড়গুলি মেশিনে ভরে ফেলুন বা কেচে নিন। এতে ঘরদোরে অপরিচ্ছন্ন পোশাক থাকবে না, বা ডাঁই করা জামাকাপড়ও থাকবে না। কাচা কাপড়, দিনের কোনও একটা সময়ে গুছিয়ে রাখুন।
বসার জায়গা: আধুনিক ফ্ল্যাটে আলাদা করে বসার ঘর বা বৈঠকখানা থাকে না। বহু ফ্ল্যাটে রান্নাঘর সংলগ্ন একটি বড় জায়গাতেই খাওয়ার টেবিল, সোফা, টিভি থাকে। বসার এই জায়গাটি নিয়ম করে প্রতি দিন পরিষ্কার করে ফেলুন। সোফায় কুঁচকে থাকা কুশন, টেবিলে এঁটো থালা, টুকিটাকি জিনিস ছড়িয়ে পড়ে থাকলে, জায়গাটি অগোছালো লাগবে। দরকার হলে শৌখিন ট্রে-তে ছোটখাটো জিনিসগুলি ভরে রাখুন।
বিছানা পরিষ্কার রাখুন: ঘুম থেকে উঠে প্রথম কাজটি হোক বিছানার চাদর ঝেড়ে, টানটান করে পেতে ফেলা, বালিশ, চাদর জায়গা মতো রাখা। ছোট্ট একটি অভ্যাসই অনেক কাজের। ঘরের মধ্যে বিছানাটি পরিষ্কার থাকলেই, ঘর অনেকটা গোছানো দেখায়।
জিনিসপত্র এদিক-ওদিক রাখা: ঘর অপরিচ্ছন্ন দেখায় জিনিসপত্র এ দিকে, ও দিক ছুড়ে ফেলা বা জায়গার জিনিস জায়গায় না রাখলে। শুধু জিনিসপত্র ঠিক ভাবে রাখলেই এক ধাক্কায় ঘর গোছানোর কাজ অনেকটা কমে যেতে পারে।
হেঁশেল পরিষ্কার রাখা: রান্নাঘর রাতেই পরিষ্কার করে ফেলুন। গ্যাস অভেন থেকে এঁটোকাঁটা পরিষ্কার করে ফেললে, বিশ্রী গন্ধ হবে না। সকালে উঠে রান্নাঘরে ঢুকে বিরক্তিবোধ কমবে। রাতভর রান্নাঘর পরিষ্কার থাকলে পোকামাকড়ের উৎপাতও কম হবে।
জামাকাপড় কাচা: কাজের সুবিধার জন্য প্রায় সব বাড়িতেই ওয়াশিং মেশিন থাকে। রাতে বাড়ি ফিরে না কাচা জামাকাপড়গুলি মেশিনে ভরে ফেলুন বা কেচে নিন। এতে ঘরদোরে অপরিচ্ছন্ন পোশাক থাকবে না, বা ডাঁই করা জামাকাপড়ও থাকবে না। কাচা কাপড়, দিনের কোনও একটা সময়ে গুছিয়ে রাখুন।
বসার জায়গা: আধুনিক ফ্ল্যাটে আলাদা করে বসার ঘর বা বৈঠকখানা থাকে না। বহু ফ্ল্যাটে রান্নাঘর সংলগ্ন একটি বড় জায়গাতেই খাওয়ার টেবিল, সোফা, টিভি থাকে। বসার এই জায়গাটি নিয়ম করে প্রতি দিন পরিষ্কার করে ফেলুন। সোফায় কুঁচকে থাকা কুশন, টেবিলে এঁটো থালা, টুকিটাকি জিনিস ছড়িয়ে পড়ে থাকলে, জায়গাটি অগোছালো লাগবে। দরকার হলে শৌখিন ট্রে-তে ছোটখাটো জিনিসগুলি ভরে রাখুন।