রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে তা উন্নয়নের লক্ষ্যে খাল খনন কর্মসূচি হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। রাজশাহী জেলায় ১৬টি খাল খনন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে এলজিইডি, বিএমডিএ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয় কাজ করছে। এর মধ্যে দুইটি বিএমডিএ এবং এলজিইডি পাঁচটি। রাজশাহী জেলার খাল খনন কর্মসূচির অগ্রগতি ৪৮.৩৭ শতাংশ অর্থাৎ আমরা প্রায় ৫০ শতাংশ অর্জন করেছি।
বুধবার (১৩ মে) বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রচার কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিতকরণের লক্ষ্যে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে প্রেস ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, আপনারা জানেন সরকারের অন্যতম একটি ইশতেহার ছিল নারীর ক্ষমতায়ন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। আগামী ১৬ মে প্রধানমন্ত্রী যে চারটি কেন্দ্রে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন তারই মধ্যে রাজশাহী পবার হরিপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে ৬৬৯ জন উপকারভোগীর মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্ড বিতরণ করা হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারকে প্রাধান্য দিয়ে খেলাধুলা বিষয়ে রাজশাহী জেলার ছয় জন আন্তর্জাতিক সাফল্য অর্জনকারী ক্রীড়াবিদকে কার্ড দেওয়া হয়েছে। তারা প্রতি মাসে এক লক্ষ টাকা করে পাবেন। নতুন কুঁড়ির জেলা পর্যায়ের খেলা সম্পন্ন হয়েছে এবং বিভাগীয় পর্যায়ে আগামী ১৭ তারিখ থেকে শুরু হবে। আটটি ইভেন্টে এ খেলায় ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কাবাডি, অ্যাথলেটিক, ব্যাডমিন্টন, মার্শালাট ও সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন করা হবে যার মধ্যে রাজশাহীতে আগামী জুন মাসে দশ হাজার কিলোমিটার বাগান সৃজন করা হবে। প্রতি কিলোমিটারে এক হাজার করে দশ হাজার বৃক্ষরোপন করা হবে। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী প্রতি বর্গ কিলোমিটারে এক হাজার হিসেবে এক লক্ষ ৫৩টি বৃক্ষরোপণ করা হবে। রাজশাহী জেলায় ২০২৬ হতে ২০৩১ সাল পর্যন্ত যথাক্রমে ৯৩ হাজার ২০০টি বৃক্ষরোপণ করা হবে। শোভাবর্ধনকারী গাছ হিসেবে ৮ হাজার ৯০০টি চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।
কৃষকদের কৃষি লোন মওকুফের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজশাহীতে ১১৩ জন কৃষকের আবেদন পাওয়া গেছে যা বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রেরণ করা হয়েছে। সেখান থেকে প্রসেস হয়ে আসলে, তা মওকুফ করা হবে।
রাজশাহী জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক নাফেয়ালা নাসরিনসহ অন্যান্যের মধ্যে রাজশাহী সিভিল সার্জন ডা. এস. আই. এম রাজিউল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহা. সবুর আলী, রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহুরুল ইসলাম, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মনিরা খাতুন এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মীরা অংশগ্রহণ করে।
বুধবার (১৩ মে) বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রচার কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিতকরণের লক্ষ্যে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে প্রেস ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, আপনারা জানেন সরকারের অন্যতম একটি ইশতেহার ছিল নারীর ক্ষমতায়ন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। আগামী ১৬ মে প্রধানমন্ত্রী যে চারটি কেন্দ্রে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন তারই মধ্যে রাজশাহী পবার হরিপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে ৬৬৯ জন উপকারভোগীর মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্ড বিতরণ করা হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারকে প্রাধান্য দিয়ে খেলাধুলা বিষয়ে রাজশাহী জেলার ছয় জন আন্তর্জাতিক সাফল্য অর্জনকারী ক্রীড়াবিদকে কার্ড দেওয়া হয়েছে। তারা প্রতি মাসে এক লক্ষ টাকা করে পাবেন। নতুন কুঁড়ির জেলা পর্যায়ের খেলা সম্পন্ন হয়েছে এবং বিভাগীয় পর্যায়ে আগামী ১৭ তারিখ থেকে শুরু হবে। আটটি ইভেন্টে এ খেলায় ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কাবাডি, অ্যাথলেটিক, ব্যাডমিন্টন, মার্শালাট ও সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন করা হবে যার মধ্যে রাজশাহীতে আগামী জুন মাসে দশ হাজার কিলোমিটার বাগান সৃজন করা হবে। প্রতি কিলোমিটারে এক হাজার করে দশ হাজার বৃক্ষরোপন করা হবে। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী প্রতি বর্গ কিলোমিটারে এক হাজার হিসেবে এক লক্ষ ৫৩টি বৃক্ষরোপণ করা হবে। রাজশাহী জেলায় ২০২৬ হতে ২০৩১ সাল পর্যন্ত যথাক্রমে ৯৩ হাজার ২০০টি বৃক্ষরোপণ করা হবে। শোভাবর্ধনকারী গাছ হিসেবে ৮ হাজার ৯০০টি চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।
কৃষকদের কৃষি লোন মওকুফের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজশাহীতে ১১৩ জন কৃষকের আবেদন পাওয়া গেছে যা বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রেরণ করা হয়েছে। সেখান থেকে প্রসেস হয়ে আসলে, তা মওকুফ করা হবে।
রাজশাহী জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক নাফেয়ালা নাসরিনসহ অন্যান্যের মধ্যে রাজশাহী সিভিল সার্জন ডা. এস. আই. এম রাজিউল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহা. সবুর আলী, রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহুরুল ইসলাম, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মনিরা খাতুন এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মীরা অংশগ্রহণ করে।