রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার বাকশৈল গ্রামের মৃতঃ আমজাদ হোসেন মীরের ছেলে আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে ১৫ লক্ষ টাকা ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাকশৈল গ্রামের মৃত আসির উদ্দিনের ছেলে মীর মোঃ আব্দুল কাদের বাদী হয়ে ডেপুটি কমিশনার ট্যাক্স সার্কেল - ০২২ ভবানীগঞ্জ রাজশাহী জোন বরাবর একই গ্রামের বিবাদী খালেকের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
বিবাদী খালেক তফসিল ভুক্ত মহামান্য হাইকোর্ট এর আপিল সিভিল রিভিশন মামলা নম্বর ৫৪৮৩/২০০৪, বর্তমানে আপিল মামলাটি বিচারাধীন অবস্থায় আব্দুল খালেক মীর স্হানীয় পৌরসভা থেকে বাড়ি নির্মাণের নকশা অনুমোদন না করে ৪ তলা বাড়ি নির্মাণ করেছে। যাহা ইমারত নির্মাণ ও পূর্ণ নির্মাণ স্হানীয় পৌরসভা আইন ২০০৯ ধারার ৩৫ এর (১) (২) ও (৩) প্রবিধান লঙ্ঘন করে নকশা ও প্ল্যান পাশ না করে সে অবৈধ ভাবে বাড়ি নির্মাণ করেন। ৯০ লক্ষ টাকা ব্যয় করে বাড়ি নির্মাণ করলেও তিনি গত অর্থ বছরে আয়কর জমা দেন নাই।
এছাড়াও কেশরহাট বাজারে মেসার্স শিফা বস্ত্রালয় নামে একটি বিরাট কাপড়ের ব্যবসা করে আসছে, যার বিনিয়োগ ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। স্থানীয় এনজিও এবং ব্যাংকে তার স্থায়ী আমানত আছে। জমির পরিমাণ প্রায় ১৪/১৫ বিঘা, সম্প্রতি কেশরহাট বাসনপট্টি ১ টি দোকান ঘর ক্রয় করে ২৫ লক্ষ টাকা দিয়ে সেখানে সেন্ডেল জুতা ঘর হিসাবে মাসিক ১২ হাজার টাকা দিয়ে ভাড়া দিয়েছে। আব্দুল খালেক লক্ষ লক্ষ আয় করলেও বিগত ১৫/২০ বছর ধরে সরকারকে কোনো ট্যাক্স দেয় নাই। এমতাবস্থায় আব্দুল খালেক লক্ষ লক্ষ টাকা সরকারকে ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জোর দাবি করেন মামলার বাদী আব্দুল কাদের মীর।
এই বিষয়ে অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার সার্কেল ভবানীগঞ্জ /০২২ ভবানীগঞ্জ, কর অঞ্চল, রাজশাহী কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাকশৈল গ্রামের মৃত আসির উদ্দিনের ছেলে মীর মোঃ আব্দুল কাদের বাদী হয়ে ডেপুটি কমিশনার ট্যাক্স সার্কেল - ০২২ ভবানীগঞ্জ রাজশাহী জোন বরাবর একই গ্রামের বিবাদী খালেকের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
বিবাদী খালেক তফসিল ভুক্ত মহামান্য হাইকোর্ট এর আপিল সিভিল রিভিশন মামলা নম্বর ৫৪৮৩/২০০৪, বর্তমানে আপিল মামলাটি বিচারাধীন অবস্থায় আব্দুল খালেক মীর স্হানীয় পৌরসভা থেকে বাড়ি নির্মাণের নকশা অনুমোদন না করে ৪ তলা বাড়ি নির্মাণ করেছে। যাহা ইমারত নির্মাণ ও পূর্ণ নির্মাণ স্হানীয় পৌরসভা আইন ২০০৯ ধারার ৩৫ এর (১) (২) ও (৩) প্রবিধান লঙ্ঘন করে নকশা ও প্ল্যান পাশ না করে সে অবৈধ ভাবে বাড়ি নির্মাণ করেন। ৯০ লক্ষ টাকা ব্যয় করে বাড়ি নির্মাণ করলেও তিনি গত অর্থ বছরে আয়কর জমা দেন নাই।
এছাড়াও কেশরহাট বাজারে মেসার্স শিফা বস্ত্রালয় নামে একটি বিরাট কাপড়ের ব্যবসা করে আসছে, যার বিনিয়োগ ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। স্থানীয় এনজিও এবং ব্যাংকে তার স্থায়ী আমানত আছে। জমির পরিমাণ প্রায় ১৪/১৫ বিঘা, সম্প্রতি কেশরহাট বাসনপট্টি ১ টি দোকান ঘর ক্রয় করে ২৫ লক্ষ টাকা দিয়ে সেখানে সেন্ডেল জুতা ঘর হিসাবে মাসিক ১২ হাজার টাকা দিয়ে ভাড়া দিয়েছে। আব্দুল খালেক লক্ষ লক্ষ আয় করলেও বিগত ১৫/২০ বছর ধরে সরকারকে কোনো ট্যাক্স দেয় নাই। এমতাবস্থায় আব্দুল খালেক লক্ষ লক্ষ টাকা সরকারকে ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জোর দাবি করেন মামলার বাদী আব্দুল কাদের মীর।
এই বিষয়ে অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার সার্কেল ভবানীগঞ্জ /০২২ ভবানীগঞ্জ, কর অঞ্চল, রাজশাহী কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।