খানসামায় ধর্ষণচেষ্টা ও ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

আপলোড সময় : ১৩-০৫-২০২৬ ০৬:২৫:২৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৩-০৫-২০২৬ ০৬:২৫:২৪ অপরাহ্ন
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় পৃথক দুটি মামলায় ধর্ষণচেষ্টা ও ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ মে) তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৪)(খ) ধারায় গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে মো. রশিদুল ইসলাম (৫০)–কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের বেলপুকুর গ্রামের পাঠানপাড়া এলাকার মৃত নোমান শাহের ছেলে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী গত ১৫ মার্চ এপ্রিল খানসামা থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মার্চ বিকেলে ওই ব্যক্তি ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রবেশ করেন। ওই সময় ভুক্তভোগীর স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি বাড়িতে না থাকায় তিনি বাড়ির আঙিনায় একা থাকা গৃহবধূকে জোরপূর্বক ঝাপটে ধরেন। ভুক্তভোগী বাধা দিলে তার পরনের কাপড় খুলে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।

ভুক্তভোগী চিৎকার করলে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে তার গালে কামড় দেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে আহত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেন। পরে খবর পেয়ে ভুক্তভোগীর স্বামী বাড়িতে ফিরে প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শোনেন এবং আহত স্ত্রীকে তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এজাহারে আরও বলা হয়, ওই ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ায় ভুক্তভোগীর পরিবারকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

একই দিনে কলেজ ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে- বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজ ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগে তার সাবেক গৃহশিক্ষক মো. শাহিনুর ইসলাম শাহিন (২৭)–কে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। তিনি উপজেলার আলোকঝাড়ী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের জামালপাড়া এলাকার মো. আবু সামার ছেলে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর পিতা গত ২৬ এপ্রিল থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ওই শিক্ষক পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ভুক্তভোগী ছাত্রীকে তার কোচিং সেন্টারে পড়াতেন। বর্তমানে ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

এজাহার অনুযায়ী, শিক্ষকতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে অভিযুক্ত দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রীকে প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। গত ২৬ মার্চ কোচিং শেষে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে কথা বলার অজুহাতে ছাত্রীকে আটকে রাখেন তিনি। একপর্যায়ে কোচিং সেন্টারের কক্ষের দরজা বন্ধ করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ছাত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সর্বশেষ গত ১৮ এপ্রিল ওই শিক্ষক ছাত্রীকে পুনরায় কোচিং সেন্টারে ডেকে জানিয়ে দেন যে, তিনি আর কোনো সম্পর্ক রাখবেন না এবং বিয়েও করবেন না। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রথমে স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্ত তা অস্বীকার করায় ভুক্তভোগীর পরিবার আইনের আশ্রয় নেয়।

এ বিষয়ে খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বাছেত সরদার বলেন, মামলা রুজুর পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে এবং বিধি মোতাবেক পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]