মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে পানিতে ডুবে যাওয়া নাতনিকে বাঁচাতে গিয়ে তাহেমন নেছা (৭২) নামের বৃদ্ধা এক নারী মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের চম্পকদি গ্রামে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তাহেমন নেছা উপজেলার চম্পকদি গ্রামের মৃত খেজমত আলীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুপুরে দাদি তাহেমন নেছা নাতনি জেরিন আক্তারকে (৭) সঙ্গে নিয়ে বাড়ির অদূরে পুকুরে গোসল করতে গেলে দাদির হাত ফসকে নাতনি পানিতে তলিয়ে গেলে তাকে বাঁচাতে ঝাঁপ দেন দাদি তাহেমন নেছা। এ সময় জেরিনকে এলাকাবাসী জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও দাদি পানিতে তলিয়ে যান। প্রায় আধা ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর দাদিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা দাদি এবং নাতনিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরতে চিকিৎসক দাদি তাহেমন নেছাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। নাতনি জেরিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জামসেদ ফরিদী বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক এবং মর্মান্তিক। দাদি মারা গেছেন আর নাতনি এখন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তবে সুস্থ আছে। আহত শিশু জেরিনের বাবা সিরাজ মাঝি একজন সেনা সদস্য।
নিহত তাহেমন নেছা উপজেলার চম্পকদি গ্রামের মৃত খেজমত আলীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুপুরে দাদি তাহেমন নেছা নাতনি জেরিন আক্তারকে (৭) সঙ্গে নিয়ে বাড়ির অদূরে পুকুরে গোসল করতে গেলে দাদির হাত ফসকে নাতনি পানিতে তলিয়ে গেলে তাকে বাঁচাতে ঝাঁপ দেন দাদি তাহেমন নেছা। এ সময় জেরিনকে এলাকাবাসী জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও দাদি পানিতে তলিয়ে যান। প্রায় আধা ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর দাদিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা দাদি এবং নাতনিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরতে চিকিৎসক দাদি তাহেমন নেছাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। নাতনি জেরিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জামসেদ ফরিদী বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক এবং মর্মান্তিক। দাদি মারা গেছেন আর নাতনি এখন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তবে সুস্থ আছে। আহত শিশু জেরিনের বাবা সিরাজ মাঝি একজন সেনা সদস্য।