রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতার ছোঁয়া এনে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। কারারক্ষী ও বন্দীদের উন্নত ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে কারাগারের ভেতরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন সেলুন চালু করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেলুনের উদ্বোধন করা হয়।
কারা সূত্রে জানা গেছে, সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন দায়িত্ব গ্রহণের পর কারারক্ষীরা ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে চুল কাটার সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানান। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে তিনি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে কারাগারের অভ্যন্তরে আধুনিক ও সুসজ্জিত সেলুন স্থাপন করা হয়।
কারারক্ষীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা একটি পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক পরিবেশে সেবা পাওয়ার প্রত্যাশা করছিলেন। নতুন সেলুন চালু হওয়ায় তাদের দীর্ঘদিনের সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। এজন্য তারা কারা কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
এদিকে বন্দীদের জন্য নির্ধারিত সেলুনটিও সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হয়েছে। পুরনো ও জরাজীর্ণ সরঞ্জামের পরিবর্তে যুক্ত করা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সামগ্রী। পাশাপাশি সেলুনের অভ্যন্তরীণ পরিবেশকে আরও স্বাস্থ্যসম্মত ও আরামদায়ক করতে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
বন্দীরা জানিয়েছেন, আগে জরাজীর্ণ পরিবেশে সেবা নিতে নানা ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হতো। নতুন সেলুন চালু হওয়ায় তারা এখন অনেক স্বস্তি অনুভব করছেন। তাদের মতে, আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ সংশোধনাগার জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
কারা কর্তৃপক্ষের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সিনিয়র জেল সুপার আল মামুনের সময়োপযোগী উদ্যোগ কারাগারের শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি কর্মিবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও জানান তারা।
কারা সূত্রে জানা গেছে, সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন দায়িত্ব গ্রহণের পর কারারক্ষীরা ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে চুল কাটার সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানান। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে তিনি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে কারাগারের অভ্যন্তরে আধুনিক ও সুসজ্জিত সেলুন স্থাপন করা হয়।
কারারক্ষীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা একটি পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক পরিবেশে সেবা পাওয়ার প্রত্যাশা করছিলেন। নতুন সেলুন চালু হওয়ায় তাদের দীর্ঘদিনের সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। এজন্য তারা কারা কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
এদিকে বন্দীদের জন্য নির্ধারিত সেলুনটিও সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হয়েছে। পুরনো ও জরাজীর্ণ সরঞ্জামের পরিবর্তে যুক্ত করা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সামগ্রী। পাশাপাশি সেলুনের অভ্যন্তরীণ পরিবেশকে আরও স্বাস্থ্যসম্মত ও আরামদায়ক করতে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
বন্দীরা জানিয়েছেন, আগে জরাজীর্ণ পরিবেশে সেবা নিতে নানা ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হতো। নতুন সেলুন চালু হওয়ায় তারা এখন অনেক স্বস্তি অনুভব করছেন। তাদের মতে, আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ সংশোধনাগার জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
কারা কর্তৃপক্ষের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সিনিয়র জেল সুপার আল মামুনের সময়োপযোগী উদ্যোগ কারাগারের শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি কর্মিবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও জানান তারা।