রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্যে ৩০০ একর কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত

আপলোড সময় : ১১-০৫-২০২৬ ০৬:৫৮:৪২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১১-০৫-২০২৬ ০৬:৫৮:৪২ অপরাহ্ন
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের সৃষ্ট বর্জ্যে স্থানীয়দের ৩০০ একর জমিতে চাষাবাদ ব্যাহত হয়েছে। এসব জমি ময়লা-আবর্জনা সহ নানা বর্জ্যে এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। 

এছাড়াও মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গাদের অবাধ যাতায়াত, ক্যাম্পে মাদক ব্যবসা সহ নানা অপরাধে স্থানীয়দের সাথে রোহিঙ্গাদের বড় ধরণের বিরোধের আশংকা করছেন।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে ‘কক্সবাজারে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা, স্থানীয় সরকার ও জনগনের অংশগ্রহন জরুরী’ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বক্তারা।

কক্সবাজার সিএসও-এনজিও ফোরাম আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় জনগণের স্বার্থ, কর্মসংস্থান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। রোহিঙ্গা কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের অনুমোদন নিশ্চিত করতে হবে। 

একইসঙ্গে স্থানীয় জনগণের মতামত ছাড়া কোনো উন্নয়ন বা মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা না করার দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কোস্ট ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী রেজাউল করিম, সিসিএনএফের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম ও উখিয়ার কুতুপালংয়ের ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিনসহ আরো অনেকে।

তাদের অভিযোগ, বর্তমানে তহবিল ব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন প্রকল্পে স্থানীয় অংশগ্রহণ কম থাকায় বৈষম্য তৈরি হচ্ছে। এ অবস্থায় তহবিল ব্যবহারে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পৃক্ততা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়। এছাড়া বিভিন্ন এনজিও ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় স্থানীয়দের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে বলা হয়, জেলার বাইরে থেকে নিয়োগের প্রবণতা কমিয়ে স্থানীয় দক্ষ জনশক্তিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনায় গঠিত আরসিটি কাঠামোতে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ও জনপ্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করারও দাবি জানায় সিসিএনএফ।

তাদের মতে, স্থানীয় জনগণের স্বার্থ রক্ষায় সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। সংবাদ সম্মেলনে প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। এ কারণে একটি কার্যকর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কমিশন গঠনের দাবি জানানো হয়েছে, যা প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তদারকি করবে এবং স্থানীয় জনগণকে বাস্তব তথ্য জানাবে।

সিসিএনএফ আরও উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন কিংবা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে স্থানীয় এনজিও, জনপ্রতিনিধি ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। স্থানীয় জনগণের মতামত উপেক্ষা করে কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না করার আহ্বান জানানো হয়।

সংগঠনটি দাবি করে, রোহিঙ্গা সংকটের কারণে কক্সবাজারের হোস্ট কমিউনিটি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই হোস্ট কমিউনিটির জন্য বরাদ্দকৃত ২৫ শতাংশ সহায়তার সঠিক ব্যবহার ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। কোন খাতে কত অর্থ ব্যয় হচ্ছে এবং কারা সুবিধা পাচ্ছে সেসব তথ্য প্রকাশ করারও দাবি জানানো হয়।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]