কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় গোয়াল ঘরের গোবর ফেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে খাইরুল ইসলাম (৫০) নামে এক কাঠমিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ মে) সকালে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের কাঠগীর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত খাইরুল ইসলাম ওই গ্রামের খোকা মিয়ার ছেলে। পেশায় তিনি একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান জানান, সকালে খাইরুল ইসলাম নিজ বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে গরুর গোবর পরিষ্কার করে পাশের একটি গাছ বাগানে ফেলতে যান। সেখানে অসাবধানতাবশত পা পিছলে পড়ে যাওয়ার সময় পাশে থাকা একটি ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক তারে তার হাত লাগে। এতে তারটি ছিঁড়ে তিনি বিদ্যুতায়িত হন।
পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা চিকিৎসক আবু সাজ্জাদ মোহাম্মদ সায়েম জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ওই ব্যক্তিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে নিয়ে আসার পর চিকিৎসকেরা তাকে মৃত অবস্থায় পান।
ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা আবেদন করা হলে সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিহত খাইরুল ইসলাম ওই গ্রামের খোকা মিয়ার ছেলে। পেশায় তিনি একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান জানান, সকালে খাইরুল ইসলাম নিজ বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে গরুর গোবর পরিষ্কার করে পাশের একটি গাছ বাগানে ফেলতে যান। সেখানে অসাবধানতাবশত পা পিছলে পড়ে যাওয়ার সময় পাশে থাকা একটি ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক তারে তার হাত লাগে। এতে তারটি ছিঁড়ে তিনি বিদ্যুতায়িত হন।
পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা চিকিৎসক আবু সাজ্জাদ মোহাম্মদ সায়েম জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ওই ব্যক্তিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে নিয়ে আসার পর চিকিৎসকেরা তাকে মৃত অবস্থায় পান।
ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা আবেদন করা হলে সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।