গরমের পোশাক হবে একটু হালকা। রঙে তো বটেই। ফিটিংয়েও। আড়ে-বহরে একটু বেশি জায়গা দেবে শরীরকে। যাতে হাওয়া খেলে, অস্বস্তি না হয়। দুনিয়া জুড়ে যে অ্যান্টি-ফিটের বোলবোলাও, তার কারণ এগুলিই। কিন্তু অনেকেরই ধারণা, পোশাক যদি শরীরের গড়নকে একটু প্রশংসনীয় রূপ না দেয়, তা হলে অমন সাজের মানে কী! দেখতেও তো ভাল লাগবে না। সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করতেই পর্দার শৌখিনীরা শেখালেন গরমের অ্যান্টি ফিট সাজেও কী ভাবে গ্ল্যামারাস দেখানো যায়।
তমন্না ভাটিয়া: তমন্না এই গরমে পরেছেন একটি ঢোলা সাদা টি-শার্ট আর ওয়াইড লেগ্ড জিন্স। এই পোশাক পরে একটি পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন তিনি। আর ওই পোশাকেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের গাউন, শাড়ি, জমকালো পোশাক থেকে সমস্ত আলো নিজের দিকে কেড়ে নিয়েছিলেন তমন্না। কারণ, তাঁর জিন্সের বিশেষ কাটওয়ার্ক। তমন্নার বরফ-নীল জিন্সে কোমরের দু‘পাশে ফুলের পাপড়ির মতো কাটওয়ার্ক করে তার সীমানা বরাবর গেঁথে দেওয়া হয়েছে ঝলমলে আমেরিকান ডায়ামন্ড। এর সঙ্গে ঢোলা সাদা ঢি-শার্টটিকে কোমরের উপরে গিঁট দিয়ে বেঁধে ক্রপ টপের আদল দিয়েছেন তমন্না। গলায় পরেছেন সরু চেনের নহর।
ইশা সাহা: টলিউড অভিনেত্রীর গরমের সাজটি চোখ টানা। তিনি পরেছেন প্যাস্টেল পিংক রঙের সুতির স্লিভলেস ড্রেস। ভি গলা আর এ লাইন কাটের জামাটি প্রয়োজনের থেকে সামান্য বেশি বড়। অথচ তাতে ফিটিংয়ের কোনও খামতি চোখে পড়ছে না। বরং দেখে আরাম লাগছে। ইশার সুতির ওভারসাইজড এ লাইন ড্রেসকে দেখতে আরও ভাল লাগছে, তার উপরে রঙ্গন ফুলের ব্লকপ্রিন্টের জন্য হালকা গোলাপির উপর গাঢ় গোলাপি, লাল রঙের ফুলের তোড়া আর সবুজ পাতার কারিকুরি এক লহমায় ইশার পোশাকটিকে করে তুলেছে গ্রীষ্মের এবং বৃষ্টির দিনের আদর্শ সাজ। এর সঙ্গে কোনও গয়না পরেননি ইশা। শুধু হাতে একটি স্মার্ট ওয়াচ আর সুন্দর ভাবে ম্যানিকিয়োর করা সাদা নেলপলিশ লাগানো আঙুলেই সম্পূর্ণ হয়েছে সাজগোজ।
ভূমি পেডনেকর: ভূমির সাজটির মূল আকর্ষণ তার ফুলস্লিভ পাফ ব্লাউজ। গলা বন্ধ, হাতও ঢাকা অথচ তা সত্ত্বেও কী আরামদায়ক দেখাচ্ছে। ওই ব্লাউজে অষ্টাদশ শতকের ইউরোপীয় গাউনের আদলে তৈরি বিশপ হাতা আর নেক প্যানেলে ছোট ছোট প্লিট বা কুচির কাজ। হানিকম্ব করা কলারে সাদা শিফনের ব্লাউজে ভূমি হয়ে উঠেছেন মোহময়ী। সঙ্গের নরম জর্জেটের লেবু-সবুজ শাড়িটিও গরমে অস্বস্তি না বাড়িয়ে ভাল দেখাবে। এই ব্লাউজ আর শাড়ির সঙ্গে উঁচু করে চুল বেঁধেছেন ভূমি। কানে ঝুলিয়েছেন শ্যান্ডেলিয়র। গরমের বিয়েবাড়ি বা পার্টিতে যে কোনও দিন এই সাজ সমস্ত নজর নিজের দিকে কাড়বে।
সারা আলি খান: সারা যা পরেছেন, তা জেন জি-কে অনুপ্রাণিত করবে। পোশাকে আরাম এবং কেতা— দু’দিক বজায় রেখেই গত ভাঙতে চায় জেন জি। সারাও তাই করেছেন। তিনি অফিস স্যুটকে বানিয়ে নিয়েছেন পার্টি ওয়্যার। তবে অ্যান্টি ফিট পোশাক পরেছেন তিনিও। সারা পরেছেন উঁচু কোমরে এবং ঢোলা পায়ের ওয়াইড লেগড ট্রাউজ়ার। আর তার সঙ্গে পরেছেন করসেট টপ। যা দেখতে অনেকটা কলার দেওয়া সাদা ফরম্যাল শার্টের মতো। তাতে অফিসের পোশাকের মতো টাই-ও ঝুলছে। কিন্তু এ শার্টের কাঁধ-গলা এবং পিঠের অনেকটা অংশ উন্মুক্ত। ফলে গরমে হাঁসফাঁস করার কোনও সুযোগ নেই। কালো ট্রাউজারের পা চওড়া হওয়ায় গরম করবে না। সব মিলিয়ে পার্টিওয়্যার হিসাবে কেতাদুরস্ত হয়েও আরামদায়ক ওই পোশাক। এর সঙ্গে সারা পরেছেন লম্বা ঝুলের হিরের দুল আর ঠোঁট রাঙিয়েছেন গাঢ় লাল লিপস্টিকে।
তমন্না ভাটিয়া: তমন্না এই গরমে পরেছেন একটি ঢোলা সাদা টি-শার্ট আর ওয়াইড লেগ্ড জিন্স। এই পোশাক পরে একটি পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন তিনি। আর ওই পোশাকেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের গাউন, শাড়ি, জমকালো পোশাক থেকে সমস্ত আলো নিজের দিকে কেড়ে নিয়েছিলেন তমন্না। কারণ, তাঁর জিন্সের বিশেষ কাটওয়ার্ক। তমন্নার বরফ-নীল জিন্সে কোমরের দু‘পাশে ফুলের পাপড়ির মতো কাটওয়ার্ক করে তার সীমানা বরাবর গেঁথে দেওয়া হয়েছে ঝলমলে আমেরিকান ডায়ামন্ড। এর সঙ্গে ঢোলা সাদা ঢি-শার্টটিকে কোমরের উপরে গিঁট দিয়ে বেঁধে ক্রপ টপের আদল দিয়েছেন তমন্না। গলায় পরেছেন সরু চেনের নহর।
ইশা সাহা: টলিউড অভিনেত্রীর গরমের সাজটি চোখ টানা। তিনি পরেছেন প্যাস্টেল পিংক রঙের সুতির স্লিভলেস ড্রেস। ভি গলা আর এ লাইন কাটের জামাটি প্রয়োজনের থেকে সামান্য বেশি বড়। অথচ তাতে ফিটিংয়ের কোনও খামতি চোখে পড়ছে না। বরং দেখে আরাম লাগছে। ইশার সুতির ওভারসাইজড এ লাইন ড্রেসকে দেখতে আরও ভাল লাগছে, তার উপরে রঙ্গন ফুলের ব্লকপ্রিন্টের জন্য হালকা গোলাপির উপর গাঢ় গোলাপি, লাল রঙের ফুলের তোড়া আর সবুজ পাতার কারিকুরি এক লহমায় ইশার পোশাকটিকে করে তুলেছে গ্রীষ্মের এবং বৃষ্টির দিনের আদর্শ সাজ। এর সঙ্গে কোনও গয়না পরেননি ইশা। শুধু হাতে একটি স্মার্ট ওয়াচ আর সুন্দর ভাবে ম্যানিকিয়োর করা সাদা নেলপলিশ লাগানো আঙুলেই সম্পূর্ণ হয়েছে সাজগোজ।
ভূমি পেডনেকর: ভূমির সাজটির মূল আকর্ষণ তার ফুলস্লিভ পাফ ব্লাউজ। গলা বন্ধ, হাতও ঢাকা অথচ তা সত্ত্বেও কী আরামদায়ক দেখাচ্ছে। ওই ব্লাউজে অষ্টাদশ শতকের ইউরোপীয় গাউনের আদলে তৈরি বিশপ হাতা আর নেক প্যানেলে ছোট ছোট প্লিট বা কুচির কাজ। হানিকম্ব করা কলারে সাদা শিফনের ব্লাউজে ভূমি হয়ে উঠেছেন মোহময়ী। সঙ্গের নরম জর্জেটের লেবু-সবুজ শাড়িটিও গরমে অস্বস্তি না বাড়িয়ে ভাল দেখাবে। এই ব্লাউজ আর শাড়ির সঙ্গে উঁচু করে চুল বেঁধেছেন ভূমি। কানে ঝুলিয়েছেন শ্যান্ডেলিয়র। গরমের বিয়েবাড়ি বা পার্টিতে যে কোনও দিন এই সাজ সমস্ত নজর নিজের দিকে কাড়বে।
সারা আলি খান: সারা যা পরেছেন, তা জেন জি-কে অনুপ্রাণিত করবে। পোশাকে আরাম এবং কেতা— দু’দিক বজায় রেখেই গত ভাঙতে চায় জেন জি। সারাও তাই করেছেন। তিনি অফিস স্যুটকে বানিয়ে নিয়েছেন পার্টি ওয়্যার। তবে অ্যান্টি ফিট পোশাক পরেছেন তিনিও। সারা পরেছেন উঁচু কোমরে এবং ঢোলা পায়ের ওয়াইড লেগড ট্রাউজ়ার। আর তার সঙ্গে পরেছেন করসেট টপ। যা দেখতে অনেকটা কলার দেওয়া সাদা ফরম্যাল শার্টের মতো। তাতে অফিসের পোশাকের মতো টাই-ও ঝুলছে। কিন্তু এ শার্টের কাঁধ-গলা এবং পিঠের অনেকটা অংশ উন্মুক্ত। ফলে গরমে হাঁসফাঁস করার কোনও সুযোগ নেই। কালো ট্রাউজারের পা চওড়া হওয়ায় গরম করবে না। সব মিলিয়ে পার্টিওয়্যার হিসাবে কেতাদুরস্ত হয়েও আরামদায়ক ওই পোশাক। এর সঙ্গে সারা পরেছেন লম্বা ঝুলের হিরের দুল আর ঠোঁট রাঙিয়েছেন গাঢ় লাল লিপস্টিকে।