ইরানের নতুন শান্তিপ্রস্তাব খারিজ করে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্পষ্ট ভাষায় তিনি জানিয়ে দিলেন, তেহরানের প্রস্তাব কোনও ভাবেই মানা সম্ভব নয়।
আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা করা পাকিস্তানের মাধ্যমে শান্তিপ্রস্তাব পাঠিয়েছিল তেহরান। ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলির সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই প্রস্তাবে একাধিক শর্তের কথা জানানো হয়েছে। যেমন যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। আবার হরমুজ প্রণালীতে নিজেদের সার্বভৌম ক্ষমতা বজায় রাখার আর্জিও জানিয়েছে ইরান।
হরমুজে মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে ইরান। এর পাশাপাশি তেল বিক্রির উপর আমেরিকা যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, তা ৩০ দিনের জন্য প্রত্যাহার করার কথাও জানিয়েছে ইরান। লেবাননের হিজবুল্লা সমর্থিত সংবাদমাধ্যম ‘অল ময়াদিন’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, আপাতত পাকিস্তানের মাধ্যমে কথাবার্তা চালিয়ে যাবে ওয়াশিংটন। অন্য দিকে, ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান মার্কিন প্রস্তাব মোতাবেক ২০ বছরের জন্য নয়, তার কম মেয়াদের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত করতে প্রস্তুত। তবে কোনও পরমাণুকেন্দ্র ধ্বংস করতে নারাজ তারা।
আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা করা পাকিস্তানের মাধ্যমে শান্তিপ্রস্তাব পাঠিয়েছিল তেহরান। ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলির সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই প্রস্তাবে একাধিক শর্তের কথা জানানো হয়েছে। যেমন যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। আবার হরমুজ প্রণালীতে নিজেদের সার্বভৌম ক্ষমতা বজায় রাখার আর্জিও জানিয়েছে ইরান।
হরমুজে মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে ইরান। এর পাশাপাশি তেল বিক্রির উপর আমেরিকা যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, তা ৩০ দিনের জন্য প্রত্যাহার করার কথাও জানিয়েছে ইরান। লেবাননের হিজবুল্লা সমর্থিত সংবাদমাধ্যম ‘অল ময়াদিন’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, আপাতত পাকিস্তানের মাধ্যমে কথাবার্তা চালিয়ে যাবে ওয়াশিংটন। অন্য দিকে, ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান মার্কিন প্রস্তাব মোতাবেক ২০ বছরের জন্য নয়, তার কম মেয়াদের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত করতে প্রস্তুত। তবে কোনও পরমাণুকেন্দ্র ধ্বংস করতে নারাজ তারা।