শ্রীলঙ্কায় এক কিশোরীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এক শীর্ষ বৌদ্ধ ভিক্ষুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, দেশটির ধর্মীয় যাজকদের জড়িত থাকার ঘটনাগুলোর মধ্যে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ‘হাই-প্রোফাইল’ মামলা।
সংবাদ সংস্থা এএফপি জানায়, গ্রেপ্তার ৭১ বছর বয়সী ওই ভিক্ষুর নাম পাল্লেগামা হেমারথানা। শনিবার রাজধানী কলম্বোর একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিশোরীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হলে তিনি কলম্বোর ওই হাসপাতালে ভর্তি হন।
২০২২ সালে কলম্বো থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার উত্তরে অনুরাধাপুরার একটি মন্দিরে এ অপরাধের ঘটনা ঘটে। হেমারথানা ওই মন্দিরের প্রধান পুরোহিত।
শ্রীলঙ্কা পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে আমরা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। শিগগিরই ওই ভিক্ষুকে আদালতে হাজির করা হবে।’
ওই ভিক্ষুকে অপরাধে সহায়তা ও প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে ভুক্তভোগী শিশুটির মাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার অনুরাধাপুরার একটি স্থানীয় আদালত হেমারথানার ওপর বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।
শ্রীলঙ্কায় বৌদ্ধ ভিক্ষুদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের বেশ কিছু অভিযোগ আগে উঠলেও এবারের ঘটনাটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। কারণ গ্রেপ্তার হেমারথানা দেশটির অত্যন্ত উচ্চপদস্থ একজন ধর্মগুরু।
ভিক্ষু হেমারথানা এমন একটি পবিত্র বৃক্ষের প্রধান রক্ষক, যেটিকে ভারতের সেই মূল ‘বোধিবৃক্ষ’ বা অশ্বত্থ গাছের চারা বলে বিশ্বাস করা হয়, যার নিচে বসে আড়াই হাজার বছর আগে গৌতম বুদ্ধ বোধিজ্ঞান বা দিব্যজ্ঞান লাভ করেছিলেন। এ ছাড়া তিনি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের তীর্থযাত্রার প্রধান আটটি পবিত্র মন্দিরেরও প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সংবাদ সংস্থা এএফপি জানায়, গ্রেপ্তার ৭১ বছর বয়সী ওই ভিক্ষুর নাম পাল্লেগামা হেমারথানা। শনিবার রাজধানী কলম্বোর একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিশোরীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হলে তিনি কলম্বোর ওই হাসপাতালে ভর্তি হন।
২০২২ সালে কলম্বো থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার উত্তরে অনুরাধাপুরার একটি মন্দিরে এ অপরাধের ঘটনা ঘটে। হেমারথানা ওই মন্দিরের প্রধান পুরোহিত।
শ্রীলঙ্কা পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে আমরা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। শিগগিরই ওই ভিক্ষুকে আদালতে হাজির করা হবে।’
ওই ভিক্ষুকে অপরাধে সহায়তা ও প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে ভুক্তভোগী শিশুটির মাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার অনুরাধাপুরার একটি স্থানীয় আদালত হেমারথানার ওপর বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।
শ্রীলঙ্কায় বৌদ্ধ ভিক্ষুদের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের বেশ কিছু অভিযোগ আগে উঠলেও এবারের ঘটনাটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। কারণ গ্রেপ্তার হেমারথানা দেশটির অত্যন্ত উচ্চপদস্থ একজন ধর্মগুরু।
ভিক্ষু হেমারথানা এমন একটি পবিত্র বৃক্ষের প্রধান রক্ষক, যেটিকে ভারতের সেই মূল ‘বোধিবৃক্ষ’ বা অশ্বত্থ গাছের চারা বলে বিশ্বাস করা হয়, যার নিচে বসে আড়াই হাজার বছর আগে গৌতম বুদ্ধ বোধিজ্ঞান বা দিব্যজ্ঞান লাভ করেছিলেন। এ ছাড়া তিনি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের তীর্থযাত্রার প্রধান আটটি পবিত্র মন্দিরেরও প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।