চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সিএনজি চালক সাজ্জাদ হত্যা মামলার পলাতক আসামি মোঃ সুমন প্রকাশ সোহরাব আলীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
বুধবার (৭ মে) রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর কর্ণফুলী ক্রসিং মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার সোহরাব আলী (৪৪), সে ট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া এলাকার মো. রাজু ওরফে ওসমান গনির ছেলে।
র্যাব-৭ জানায়, নিহত সাজ্জাদ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাজীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি পেশায় একজন সিএনজি চালক। গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ রাত ১২টার দিকে বাড়ির পাশের একটি গ্যারেজ থেকে সিএনজি নিয়ে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
দুই দিন পর, ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে স্থানীয়দের মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, আনোয়ারা থানার ৫ নম্বর বরুমছড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি পুকুরে হাত-পা ও মুখ গামছা দিয়ে বাঁধা অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে আছে। মরদেহের গলায় জবাইয়ের চিহ্ন এবং বুকের নিচে ডান পাশে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে নিহতের বাবা তার পরনের কালো ট্রাউজার, হাফ প্যান্ট ও কফি রঙের গেঞ্জি দেখে মরদেহটি সাজ্জাদের বলে শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে দায়ের করা হয়। মামলার নম্বর-১১ এবং এতে পেনাল কোড ১৮৬০-এর ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে মামলার পলাতক আসামি সোহরাব আলী কর্ণফুলী থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যপারে গ্রেফতার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আনোয়ারা থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার (৭ মে) রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর কর্ণফুলী ক্রসিং মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার সোহরাব আলী (৪৪), সে ট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া এলাকার মো. রাজু ওরফে ওসমান গনির ছেলে।
র্যাব-৭ জানায়, নিহত সাজ্জাদ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাজীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি পেশায় একজন সিএনজি চালক। গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ রাত ১২টার দিকে বাড়ির পাশের একটি গ্যারেজ থেকে সিএনজি নিয়ে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
দুই দিন পর, ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে স্থানীয়দের মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, আনোয়ারা থানার ৫ নম্বর বরুমছড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি পুকুরে হাত-পা ও মুখ গামছা দিয়ে বাঁধা অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে আছে। মরদেহের গলায় জবাইয়ের চিহ্ন এবং বুকের নিচে ডান পাশে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে নিহতের বাবা তার পরনের কালো ট্রাউজার, হাফ প্যান্ট ও কফি রঙের গেঞ্জি দেখে মরদেহটি সাজ্জাদের বলে শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে দায়ের করা হয়। মামলার নম্বর-১১ এবং এতে পেনাল কোড ১৮৬০-এর ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে মামলার পলাতক আসামি সোহরাব আলী কর্ণফুলী থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যপারে গ্রেফতার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আনোয়ারা থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।