যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ শুক্রবার জানিয়েছে, তারা ১২ জন স্বাভাবিকীকৃত (ন্যাচারালাইজড) মার্কিন নাগরিকের নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, তারা প্রতারণার মাধ্যমে মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন করেছিলেন।
বিচার বিভাগের দাবি, অভিযুক্ত এসব ব্যক্তি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সহায়তা প্রদান, যুদ্ধাপরাধ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে যৌন নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত ছিলেন, যা নাগরিকত্ব বাতিলের বৈধ কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ বলেন, প্রতারণা, যৌন নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ কিংবা সন্ত্রাসবাদের প্রতি সমর্থন জানানো ব্যক্তিদের কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়া উচিত ছিল না।
তিনি আরও বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন আমাদের অভিবাসন ব্যবস্থার এই গুরুতর অপব্যবহার সংশোধনে পদক্ষেপ নিচ্ছে। যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের অপরাধের ইতিহাস গোপন করেছেন বা নাগরিকত্ব গ্রহণের সময় ভুল তথ্য দিয়েছেন, তারা আইনের সর্বোচ্চ শাস্তির মুখোমুখি হবেন।
নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন জানিয়ে অ্যারিজোনা, ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, ইলিনয়, আইওয়া, কেনটাকি, মিনেসোটা, পেনসিলভানিয়া ও ওয়াশিংটন ডিসিতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে কলম্বিয়ার দুইজন এবং বলিভিয়া, চীন, গাম্বিয়া, ভারত, ইরাক, কেনিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, সোমালিয়া ও উজবেকিস্তানের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
বিচার বিভাগের সিভিল ডিভিশনের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্রেট শুমেইট বলেন, আমাদের নাগরিকত্ব প্রক্রিয়ার সততা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগ রেকর্ড গতিতে নাগরিকত্ব বাতিলের মামলা দায়ের করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, অভিযুক্তদের ভয়াবহ অপরাধের ইতিহাস প্রমাণ করে যে, তাদের কখনোই মার্কিন নাগরিকত্বের বিশেষ সুযোগ পাওয়া উচিত ছিল না। আইন অনুযায়ী অবৈধভাবে নাগরিকত্ব অর্জনকারীদের বিরুদ্ধে আমরা সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখব।
বিচার বিভাগের দাবি, অভিযুক্ত এসব ব্যক্তি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সহায়তা প্রদান, যুদ্ধাপরাধ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে যৌন নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত ছিলেন, যা নাগরিকত্ব বাতিলের বৈধ কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ বলেন, প্রতারণা, যৌন নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ কিংবা সন্ত্রাসবাদের প্রতি সমর্থন জানানো ব্যক্তিদের কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়া উচিত ছিল না।
তিনি আরও বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন আমাদের অভিবাসন ব্যবস্থার এই গুরুতর অপব্যবহার সংশোধনে পদক্ষেপ নিচ্ছে। যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের অপরাধের ইতিহাস গোপন করেছেন বা নাগরিকত্ব গ্রহণের সময় ভুল তথ্য দিয়েছেন, তারা আইনের সর্বোচ্চ শাস্তির মুখোমুখি হবেন।
নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন জানিয়ে অ্যারিজোনা, ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, ইলিনয়, আইওয়া, কেনটাকি, মিনেসোটা, পেনসিলভানিয়া ও ওয়াশিংটন ডিসিতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে কলম্বিয়ার দুইজন এবং বলিভিয়া, চীন, গাম্বিয়া, ভারত, ইরাক, কেনিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, সোমালিয়া ও উজবেকিস্তানের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
বিচার বিভাগের সিভিল ডিভিশনের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্রেট শুমেইট বলেন, আমাদের নাগরিকত্ব প্রক্রিয়ার সততা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগ রেকর্ড গতিতে নাগরিকত্ব বাতিলের মামলা দায়ের করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, অভিযুক্তদের ভয়াবহ অপরাধের ইতিহাস প্রমাণ করে যে, তাদের কখনোই মার্কিন নাগরিকত্বের বিশেষ সুযোগ পাওয়া উচিত ছিল না। আইন অনুযায়ী অবৈধভাবে নাগরিকত্ব অর্জনকারীদের বিরুদ্ধে আমরা সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখব।