ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভূমধস জয়ের পর বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। শুক্রবার (৮ মে) কলকাতায় বিজেপির শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার বিজেপির ২০৭ জন জয়ী প্রার্থীর সঙ্গে বৈঠক করে শুভেন্দু অধিকারীকেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা বেছে নিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ফলে শাসকদলের পরিষদীয় দলনেতা হিসাবে শুভেন্দুই হচ্ছেন রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সরকার শপথ নেবে।
বিধায়কদলের বৈঠকের পর অমিত শাহ বলেন, ‘পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আটটি প্রস্তাব এসেছিল। সব প্রস্তাবে একটিই নাম ছিল। দ্বিতীয় নামের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো দ্বিতীয় নাম আসেনি। তাই শুভেন্দু অধিকারীকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ঘোষণা করছি।’
আনন্দবাজারের অনলাইনে বলা হয়েছে, যেকোনো রাজ্যে নির্বাচনের পর বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা বাছাইয়ের সময় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের সেই রাজ্যে পাঠান বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এবার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে প্রধান পর্যবেক্ষক করা হয়েছিল অমিত শাহকে। তার সঙ্গে সহকারী পর্যবেক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি। তাদের তত্ত্বাবধানে শুক্রবার বিকেলে নিউ টাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক হয়। সেখানে সর্বসম্মতিক্রমে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দুর নাম ঠিক করা হয়েছে।
এখন বিধায়কদের সমর্থন নিয়ে শুভেন্দু লোক ভবনে যাবেন এবং রাজ্যপাল আরএন রবির কাছে সরকার গঠনের আবেদন জানাবেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়েছেন রাজ্যপাল আরএন রবি। এর মধ্য দিয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দীর্ঘ ১৫ বছরের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে।
এক বিবৃতিতে রাজ্যপাল বলেন, ‘ভারতের সংবিধানের ১৭৪ অনুচ্ছেদের (২) ধারার (খ) উপ-ধারার অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে, আমি ২০২৬ সালের ৭ মে থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দিচ্ছি।’
গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ২০০ এর বেশি আসনে জয় পায় বিজেপি। এর ফলে রাজ্যটিতে প্রথমবারের মতো সরকার গঠনের সুযোগ পায় হিন্দুত্ববাদী দলটি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার বিজেপির ২০৭ জন জয়ী প্রার্থীর সঙ্গে বৈঠক করে শুভেন্দু অধিকারীকেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা বেছে নিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ফলে শাসকদলের পরিষদীয় দলনেতা হিসাবে শুভেন্দুই হচ্ছেন রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সরকার শপথ নেবে।
বিধায়কদলের বৈঠকের পর অমিত শাহ বলেন, ‘পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আটটি প্রস্তাব এসেছিল। সব প্রস্তাবে একটিই নাম ছিল। দ্বিতীয় নামের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো দ্বিতীয় নাম আসেনি। তাই শুভেন্দু অধিকারীকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ঘোষণা করছি।’
আনন্দবাজারের অনলাইনে বলা হয়েছে, যেকোনো রাজ্যে নির্বাচনের পর বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা বাছাইয়ের সময় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের সেই রাজ্যে পাঠান বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এবার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে প্রধান পর্যবেক্ষক করা হয়েছিল অমিত শাহকে। তার সঙ্গে সহকারী পর্যবেক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি। তাদের তত্ত্বাবধানে শুক্রবার বিকেলে নিউ টাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক হয়। সেখানে সর্বসম্মতিক্রমে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দুর নাম ঠিক করা হয়েছে।
এখন বিধায়কদের সমর্থন নিয়ে শুভেন্দু লোক ভবনে যাবেন এবং রাজ্যপাল আরএন রবির কাছে সরকার গঠনের আবেদন জানাবেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়েছেন রাজ্যপাল আরএন রবি। এর মধ্য দিয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দীর্ঘ ১৫ বছরের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে।
এক বিবৃতিতে রাজ্যপাল বলেন, ‘ভারতের সংবিধানের ১৭৪ অনুচ্ছেদের (২) ধারার (খ) উপ-ধারার অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে, আমি ২০২৬ সালের ৭ মে থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দিচ্ছি।’
গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ২০০ এর বেশি আসনে জয় পায় বিজেপি। এর ফলে রাজ্যটিতে প্রথমবারের মতো সরকার গঠনের সুযোগ পায় হিন্দুত্ববাদী দলটি।