বিশ্বকাপের টিকিটের অতিরিক্ত দাম নিয়ে সমালোচনা কম হচ্ছে না। কিন্তু সেই সমালোচনাকে যেন পাত্তাই দিচ্ছে না ফিফা। সমালোচনার মধ্যেই বিশ্বকাপ ফাইনালের সবচেয়ে দামি টিকিটের মূল্য তিন গুণ বাড়িয়েছে বৈশ্বিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
এবারের বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে আগামী ১৯ জুলাই, মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডের এ স্টেডিয়ামের ‘ক্যাটাগরি-১’ টিকিটের সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ১০ হাজার ৯৯০ ডলার, বাংলাদেশি অর্থমূল্যে যা ১৩ লাখ ৫২ হাজার টাকার কিছু বেশি।
কিন্তু সেই ফ্রন্ট ক্যাটাগরির টিকিট প্রায় ১১ হাজার ডলার থেকে বাড়িয়ে ৩২ হাজার ৯৭০ ডলার (৪০ লাখ ৫৮ হাজার টাকার বেশি) করেছে ফিফা।
ফাইনালের এমন টিকিটের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে এরই মার্কিন কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সদস্য টিকিটের মূল্য কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং ফিফার কাছে আরও স্বচ্ছতা দাবি করেন।
এর আগ ফাইনালের ক্যাটাগরি-১ টিকিটের মূল্য যে ১০ হাজার ৯৯০ ডলার ছিল, ওই একই দামে কিনতে পারবেন শুধু হুইল চেয়ার ব্যবহারকারী কিংবা বিশেষ সুবিধাসংবলিত ব্যক্তিরা। বাকিদের জন্য ওই ক্যাটাগরির টিকিট কিনতে গুনতে হবে তিন গুণ বেশি অর্থ।
শুধু ফাইনাল নয়, দাম বেড়েছে সেমিফাইনালের টিকিটেরও। ১৪ জুন টেক্সাসের এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য সেমিফাইনালের টিকিটের মূল্য ধরা হয়েছে ১১ হাজার ১৩০ ডলার, ৪ হাজার ৩৩০ ডলার, ৩ হাজার ৭১০ ডলার ও ২ হাজার ৭০৫ ডলার।
এভাবে উদ্বোধনী ম্যাচসহ আরও অনেক ম্যাচেরই টিকিটের দাম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। টিকিটের এমন মূল্য বৃদ্ধির পেছনে ডাইনামিক প্রাইসিংকে ‘অস্বচ্ছ’ আখ্যা দিয়ে এই নীতির ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন নিউ জার্সির ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি নেলি পাউ ও ফ্র্যাঙ্ক প্যালেন জুনিয়র। আর এই নীতির কারণে সমর্থকদের মনে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, সে ব্যাপারে ফিফা কী ভাবছে, সেটাও জানতে চেয়েছেন তারা।
তবে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এমন ‘অতিরিক্ত’ মূল্যকে সমর্থন করেছেন। গত মঙ্গলবার ক্যালিফোর্নিয়ায় এক কনফারেন্সে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের বাজারের বাস্তবতা দেখতে হবে। আমরা এমন একটি দেশে আছি, যেখানে বিনোদন শিল্প বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত। তাই বাজারদরের ভিত্তিতেই মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।’
রিসেল টিকিটের অতিরিক্ত দাম নিয়ে ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে টিকিট পুনরায় বিক্রির (রিসেল) অনুমতি আছে। তাই আমরা যদি খুব কম দামে টিকিট বিক্রি করি, তাহলে সেগুলো আরও বেশি দামে পুনরায় বিক্রি হবে। বাস্তবতাও সেটাই দেখাচ্ছে। অনেকেই বলছেন, আমাদের টিকিটের দাম বেশি। কিন্তু রিসেল মার্কেটে সেই টিকিট আরও দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে।’
ফিফা সভাপতি যোগ করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে ৩০০ ডলারের নিচে কোনো কলেজ পর্যায়ের ম্যাচও দেখা যায় না, বড় পেশাদার খেলার কথা তো বাদই দিলাম।’
এবারের বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে আগামী ১৯ জুলাই, মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডের এ স্টেডিয়ামের ‘ক্যাটাগরি-১’ টিকিটের সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ১০ হাজার ৯৯০ ডলার, বাংলাদেশি অর্থমূল্যে যা ১৩ লাখ ৫২ হাজার টাকার কিছু বেশি।
কিন্তু সেই ফ্রন্ট ক্যাটাগরির টিকিট প্রায় ১১ হাজার ডলার থেকে বাড়িয়ে ৩২ হাজার ৯৭০ ডলার (৪০ লাখ ৫৮ হাজার টাকার বেশি) করেছে ফিফা।
ফাইনালের এমন টিকিটের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে এরই মার্কিন কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সদস্য টিকিটের মূল্য কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং ফিফার কাছে আরও স্বচ্ছতা দাবি করেন।
এর আগ ফাইনালের ক্যাটাগরি-১ টিকিটের মূল্য যে ১০ হাজার ৯৯০ ডলার ছিল, ওই একই দামে কিনতে পারবেন শুধু হুইল চেয়ার ব্যবহারকারী কিংবা বিশেষ সুবিধাসংবলিত ব্যক্তিরা। বাকিদের জন্য ওই ক্যাটাগরির টিকিট কিনতে গুনতে হবে তিন গুণ বেশি অর্থ।
শুধু ফাইনাল নয়, দাম বেড়েছে সেমিফাইনালের টিকিটেরও। ১৪ জুন টেক্সাসের এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য সেমিফাইনালের টিকিটের মূল্য ধরা হয়েছে ১১ হাজার ১৩০ ডলার, ৪ হাজার ৩৩০ ডলার, ৩ হাজার ৭১০ ডলার ও ২ হাজার ৭০৫ ডলার।
এভাবে উদ্বোধনী ম্যাচসহ আরও অনেক ম্যাচেরই টিকিটের দাম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। টিকিটের এমন মূল্য বৃদ্ধির পেছনে ডাইনামিক প্রাইসিংকে ‘অস্বচ্ছ’ আখ্যা দিয়ে এই নীতির ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন নিউ জার্সির ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি নেলি পাউ ও ফ্র্যাঙ্ক প্যালেন জুনিয়র। আর এই নীতির কারণে সমর্থকদের মনে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, সে ব্যাপারে ফিফা কী ভাবছে, সেটাও জানতে চেয়েছেন তারা।
তবে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এমন ‘অতিরিক্ত’ মূল্যকে সমর্থন করেছেন। গত মঙ্গলবার ক্যালিফোর্নিয়ায় এক কনফারেন্সে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের বাজারের বাস্তবতা দেখতে হবে। আমরা এমন একটি দেশে আছি, যেখানে বিনোদন শিল্প বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত। তাই বাজারদরের ভিত্তিতেই মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।’
রিসেল টিকিটের অতিরিক্ত দাম নিয়ে ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে টিকিট পুনরায় বিক্রির (রিসেল) অনুমতি আছে। তাই আমরা যদি খুব কম দামে টিকিট বিক্রি করি, তাহলে সেগুলো আরও বেশি দামে পুনরায় বিক্রি হবে। বাস্তবতাও সেটাই দেখাচ্ছে। অনেকেই বলছেন, আমাদের টিকিটের দাম বেশি। কিন্তু রিসেল মার্কেটে সেই টিকিট আরও দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে।’
ফিফা সভাপতি যোগ করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে ৩০০ ডলারের নিচে কোনো কলেজ পর্যায়ের ম্যাচও দেখা যায় না, বড় পেশাদার খেলার কথা তো বাদই দিলাম।’