উজান-ভাটির অসম পানিপ্রবাহের শিকার তিস্তাপাড়ের মানুষ। খরায় ধু ধু বালুচর আর বর্ষায় কূল ভাঙা এই হলো উত্তরের দুঃখ তিস্তা নদীর চিরচেনা রূপ। দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে ভারতের সঙ্গে পানি বণ্টন চুক্তি অথবা চীনের সহায়তায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি ভুক্তভোগী কয়েক কোটি মানুষের।
তিস্তার পানি নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিবাদ রয়েছে। জানা যায়, ২০১১ সালে তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরে তিস্তা চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে তা ভেস্তে যায়। অভিযোগ রয়েছে, উজানে একাধিক বাঁধ নির্মাণ করে তিস্তার পানি একতরফাভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে ভারত।
নদীর এই করুণ দশার বর্ণনা দিতে গিয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, ‘বর্ষাকালে তো মনে করেন যে পানিতে থামা যায় না, আর খরাকালে ফির আবার মনে করেন যে বালু হয়ে যায়।’ মৎস্যজীবীদের সংকটের কথা তুলে ধরে আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘নদীত পানি নাই, মাছ কোন জায়গাত ধরো?’
গবেষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক আপত্তিতে আটকে থাকা পানি বণ্টন চুক্তি বাস্তবায়নে এখন কার্যকর উদ্যোগ নেয়া জরুরি।
রিভারাইন পিপল-এর পরিচালক ড. তুহিন ওয়াদুদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর দোহাই দিয়ে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি ঝুলেছিল। এখন কেন্দ্রীয় সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষকে বুঝিয়ে দেয়া যে, “মমতার কারণেই তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি হয়নি, আমরা ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি আমরা করেছি”।’
উজান-ভাটির এই অসম পানিপ্রবাহের শিকার তিস্তাপাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন। বর্তমান বিএনপি সরকারের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতেও এই প্রকল্পটি জায়গা পাওয়ায় তিস্তা নিয়ে নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয়রা।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম চীন সফরেও গুরুত্ব পেয়েছে তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা। শুরু থেকেই এই প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে চীন।
রংপুরের তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানি বলেন, ‘দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে যে চুক্তিগুলো স্বাক্ষরিত হবে, আলোচনা হবে, সেগুলোই কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে এড্রেসড হবে এবং চুক্তি সই হবে। সেই কারণে এই সফরটা গুরুত্বপূর্ণ।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের বঞ্চনা আর সংকট পেরিয়ে তিস্তা আবারও হয়ে উঠতে পারে উত্তরের প্রাণ ও সমৃদ্ধির প্রতীক।
তিস্তার পানি নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিবাদ রয়েছে। জানা যায়, ২০১১ সালে তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরে তিস্তা চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে তা ভেস্তে যায়। অভিযোগ রয়েছে, উজানে একাধিক বাঁধ নির্মাণ করে তিস্তার পানি একতরফাভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে ভারত।
নদীর এই করুণ দশার বর্ণনা দিতে গিয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, ‘বর্ষাকালে তো মনে করেন যে পানিতে থামা যায় না, আর খরাকালে ফির আবার মনে করেন যে বালু হয়ে যায়।’ মৎস্যজীবীদের সংকটের কথা তুলে ধরে আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘নদীত পানি নাই, মাছ কোন জায়গাত ধরো?’
গবেষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক আপত্তিতে আটকে থাকা পানি বণ্টন চুক্তি বাস্তবায়নে এখন কার্যকর উদ্যোগ নেয়া জরুরি।
রিভারাইন পিপল-এর পরিচালক ড. তুহিন ওয়াদুদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর দোহাই দিয়ে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি ঝুলেছিল। এখন কেন্দ্রীয় সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষকে বুঝিয়ে দেয়া যে, “মমতার কারণেই তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি হয়নি, আমরা ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি আমরা করেছি”।’
উজান-ভাটির এই অসম পানিপ্রবাহের শিকার তিস্তাপাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন। বর্তমান বিএনপি সরকারের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতেও এই প্রকল্পটি জায়গা পাওয়ায় তিস্তা নিয়ে নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয়রা।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম চীন সফরেও গুরুত্ব পেয়েছে তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা। শুরু থেকেই এই প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে চীন।
রংপুরের তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানি বলেন, ‘দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে যে চুক্তিগুলো স্বাক্ষরিত হবে, আলোচনা হবে, সেগুলোই কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে এড্রেসড হবে এবং চুক্তি সই হবে। সেই কারণে এই সফরটা গুরুত্বপূর্ণ।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের বঞ্চনা আর সংকট পেরিয়ে তিস্তা আবারও হয়ে উঠতে পারে উত্তরের প্রাণ ও সমৃদ্ধির প্রতীক।