সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে। তবে এ অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে ইরান, দাবি করেছে, তারা কোনো ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনা করেনি।
ইউএই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, মঙ্গলবার (৪ মে) সংঘটিত হামলার আগের দিনও দেশটিতে হামলার ঘটনা ঘটে, যাতে অন্তত তিনজন আহত হন। এছাড়া ফুজাইরাহ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও ঘটে বলে জানানো হয়েছে। তবে সর্বশেষ হামলার ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
অন্যদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে ইউএই-তে হামলার অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলা চালানো হয়নি। এমন অভিযান পরিচালিত হলে তা প্রকাশ্যে জানানো হতো বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য নতুন সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি উদ্যোগের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখার চেষ্টা করছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশের গুরুত্বপূর্ণ রুট।
অন্যদিকে, আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উত্তেজনা আরও তীব্র হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয় এবং তেল-গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পায়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করেনি এবং বাণিজ্যিক জাহাজ সুরক্ষায় নেওয়া পদক্ষেপ সাময়িক। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, তাদের বাহিনী ইরানের জলসীমা বা আকাশসীমায় প্রবেশ করেনি।
এর আগে এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির আগের পাঁচ সপ্তাহে আমিরাতসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রায় ২ হাজার ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে, যা অঞ্চলটির ইতিহাসে অন্যতম বড় নিরাপত্তা সংকট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
ইউএই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, মঙ্গলবার (৪ মে) সংঘটিত হামলার আগের দিনও দেশটিতে হামলার ঘটনা ঘটে, যাতে অন্তত তিনজন আহত হন। এছাড়া ফুজাইরাহ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও ঘটে বলে জানানো হয়েছে। তবে সর্বশেষ হামলার ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
অন্যদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে ইউএই-তে হামলার অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলা চালানো হয়নি। এমন অভিযান পরিচালিত হলে তা প্রকাশ্যে জানানো হতো বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য নতুন সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি উদ্যোগের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখার চেষ্টা করছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশের গুরুত্বপূর্ণ রুট।
অন্যদিকে, আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উত্তেজনা আরও তীব্র হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয় এবং তেল-গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পায়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করেনি এবং বাণিজ্যিক জাহাজ সুরক্ষায় নেওয়া পদক্ষেপ সাময়িক। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, তাদের বাহিনী ইরানের জলসীমা বা আকাশসীমায় প্রবেশ করেনি।
এর আগে এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির আগের পাঁচ সপ্তাহে আমিরাতসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রায় ২ হাজার ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে, যা অঞ্চলটির ইতিহাসে অন্যতম বড় নিরাপত্তা সংকট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা