কক্সবাজারের রামু উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সরঞ্জামসহ ৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে রশিদনগর ইউনিয়নের বড় ধলিরছড়া এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় বাংলাদেশ পুলিশ।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন রামু থানার এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ আনোয়ার। তার সঙ্গে এএসআই ছবিউল্লাহ, এএসআই মোঃ ইলিয়াছ, এএসআই রুপম চন্দ্র সেন, এএসআই মোঃ জাহেদুল ইসলাম, এএসআই মোঃ সৈয়দ হোছাইন ও এএসআই কোরবান আলীসহ সঙ্গীয় ফোর্স অংশ নেন।
পুলিশ জানায়, আমির হোসেন ওরফে কালাবাঁশির বসতঘরের সামনের কক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকেই আমির হোসেন, হেলাল উদ্দিন, আবুল কাশেম, মোঃ আলমগীর, শফিউল করিম, সুবাস প্রকাশ শুভ রাজ এবং শেফায়েত নুরকে আটক করা হয়।
উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে—একটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক, তাজা ও খালি অ্যামুনিশন, শটগানের কার্তুজ, কিরিচ, চাইনিজ কুড়াল, চকলেট বোমা, অস্ত্র তৈরির নকশা, লোহার রড, পাইপ, কাটিং সরঞ্জামসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি। এছাড়া উদ্ধার করা হয় গ্রাইন্ডিং মেশিন, হাতুড়ি, প্লায়ার্স, স্ক্রু ড্রাইভার, টুল বক্স এবং ৮৫টি শিশা।
রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফরিদ জানান, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতির পরিকল্পনা করে আসছিল এবং বড় ধরনের একটি ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সময়ের আগেই পুলিশের এ অভিযান বড় ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার (৫ মে) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে রশিদনগর ইউনিয়নের বড় ধলিরছড়া এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় বাংলাদেশ পুলিশ।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন রামু থানার এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ আনোয়ার। তার সঙ্গে এএসআই ছবিউল্লাহ, এএসআই মোঃ ইলিয়াছ, এএসআই রুপম চন্দ্র সেন, এএসআই মোঃ জাহেদুল ইসলাম, এএসআই মোঃ সৈয়দ হোছাইন ও এএসআই কোরবান আলীসহ সঙ্গীয় ফোর্স অংশ নেন।
পুলিশ জানায়, আমির হোসেন ওরফে কালাবাঁশির বসতঘরের সামনের কক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকেই আমির হোসেন, হেলাল উদ্দিন, আবুল কাশেম, মোঃ আলমগীর, শফিউল করিম, সুবাস প্রকাশ শুভ রাজ এবং শেফায়েত নুরকে আটক করা হয়।
উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে—একটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক, তাজা ও খালি অ্যামুনিশন, শটগানের কার্তুজ, কিরিচ, চাইনিজ কুড়াল, চকলেট বোমা, অস্ত্র তৈরির নকশা, লোহার রড, পাইপ, কাটিং সরঞ্জামসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি। এছাড়া উদ্ধার করা হয় গ্রাইন্ডিং মেশিন, হাতুড়ি, প্লায়ার্স, স্ক্রু ড্রাইভার, টুল বক্স এবং ৮৫টি শিশা।
রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফরিদ জানান, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতির পরিকল্পনা করে আসছিল এবং বড় ধরনের একটি ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সময়ের আগেই পুলিশের এ অভিযান বড় ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।