যুদ্ধ আবহে পারস্য উপসাগরের আকাশে বিপাকে পড়ল মার্কিন বায়ুসেনার একটি বিশেষ বিমান। মাঝ আকাশে অন্যান্য বিমানকে জ্বালানি সরবরাহকারী ‘কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার’টি ওড়ার পর মাঝপথেই জরুরি সঙ্কেত (৭৭০০ ডিস্ট্রেস সিগন্যাল) পাঠায়।
জানা গিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে ওড়ার পর কাতারের কাছে বিমানটির রেডার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, সামরিক অভিযানের কাজে সাহায্য করতেই আকাশে ছিল এই মার্কিন বিমানটি। উড়ান সংক্রান্ত তথ্য বলছে, অবতরণের আগে বিমানটি আকাশে বেশ কিছুক্ষণ চক্কর কাটছিল।
ঠিক কী কারণে এই জরুরি অবস্থা তৈরি হল বা কোনও হামলা হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। আমেরিকার পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। ইরানের সংবাদমাধ্যম বিমান নিখোঁজ হওয়ার খবর দিলেও তারা এর সঙ্গে জড়িত কি না, সে বিষয়ে নীরব তেহরান।
গত মার্চ মাসেই ইরাকের আকাশে ইরানের হামলায় একই মডেলের একটি মার্কিন বিমান ভেঙে পড়েছিল। ফলে দ্বিতীয়বার বিমান নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
জানা গিয়ছে, মার্কিন বায়ুসেনার এই বিমান আসলে একটি ‘উড়ন্ত পেট্রোল পাম্প’।
এর কাজ কী কী?
মাঝ আকাশে লড়াই চলাকালীন কোনও যুদ্ধবিমানের জ্বালানির ঘাটতি হলে এই বিমানটি তাতে তেল ভরে দেয়। এর ফলে যুদ্ধবিমানগুলো দীর্ঘক্ষণ আকাশে থাকতে পারে।
গত ৬০ বছর ধরে মার্কিন সেনাবাহিনীতে থাকা এই বিমানটি কয়েকশো যাত্রী বা প্রায় ৩৭,৬০০ কেজি মালপত্র বইতে পারে।
কেবল যুদ্ধ নয়, প্রয়োজনে আহত রোগীদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার জন্য এতে বিশেষ চিকিৎসার ব্যবস্থাও থাকে।
আমেরিকা ও তার বন্ধু দেশগুলোর আকাশপথের শক্তিতে এই বিমানের গুরুত্ব অপরিসীম। আপাতত বিমানটি কোথায় এবং কী অবস্থায় আছে, তা নিয়েই দানা বাঁধছে রহস্য।
জানা গিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে ওড়ার পর কাতারের কাছে বিমানটির রেডার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, সামরিক অভিযানের কাজে সাহায্য করতেই আকাশে ছিল এই মার্কিন বিমানটি। উড়ান সংক্রান্ত তথ্য বলছে, অবতরণের আগে বিমানটি আকাশে বেশ কিছুক্ষণ চক্কর কাটছিল।
ঠিক কী কারণে এই জরুরি অবস্থা তৈরি হল বা কোনও হামলা হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। আমেরিকার পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। ইরানের সংবাদমাধ্যম বিমান নিখোঁজ হওয়ার খবর দিলেও তারা এর সঙ্গে জড়িত কি না, সে বিষয়ে নীরব তেহরান।
গত মার্চ মাসেই ইরাকের আকাশে ইরানের হামলায় একই মডেলের একটি মার্কিন বিমান ভেঙে পড়েছিল। ফলে দ্বিতীয়বার বিমান নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
জানা গিয়ছে, মার্কিন বায়ুসেনার এই বিমান আসলে একটি ‘উড়ন্ত পেট্রোল পাম্প’।
এর কাজ কী কী?
মাঝ আকাশে লড়াই চলাকালীন কোনও যুদ্ধবিমানের জ্বালানির ঘাটতি হলে এই বিমানটি তাতে তেল ভরে দেয়। এর ফলে যুদ্ধবিমানগুলো দীর্ঘক্ষণ আকাশে থাকতে পারে।
গত ৬০ বছর ধরে মার্কিন সেনাবাহিনীতে থাকা এই বিমানটি কয়েকশো যাত্রী বা প্রায় ৩৭,৬০০ কেজি মালপত্র বইতে পারে।
কেবল যুদ্ধ নয়, প্রয়োজনে আহত রোগীদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার জন্য এতে বিশেষ চিকিৎসার ব্যবস্থাও থাকে।
আমেরিকা ও তার বন্ধু দেশগুলোর আকাশপথের শক্তিতে এই বিমানের গুরুত্ব অপরিসীম। আপাতত বিমানটি কোথায় এবং কী অবস্থায় আছে, তা নিয়েই দানা বাঁধছে রহস্য।