রাজশাহী আঞ্চলিক বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি (বিআরটিএ) কার্যালয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ বিভিন্ন সেবা পেতে ঘুষের অভিযোগ উঠেছে। সেবাগ্রহীতাদের দাবি, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে টাকা না দিলে পরীক্ষায় পাস করা বা প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে শতাধিক ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন জমা পড়লেও সপ্তাহে মাত্র এক-দুই দিন পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় অংশ নিতে এলে আবেদনকারীদের বায়োমেট্রিক, লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষার ধাপ পেরোতে হয়। তবে এসব প্রক্রিয়ায় ঘুষ ছাড়া অগ্রসর হওয়া কঠিন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
নগরীর তাহসিনুল আমিন রাহী বলেন, পরিচিত ব্যক্তি বা অর্থের বিনিময়ে সহজেই কাজ সম্পন্ন হলেও সাধারণ আবেদনকারীদের দীর্ঘদিন ভোগান্তি পোহাতে হয়। একই অভিযোগ করেছেন নগরীর কাজলা এলাকার হিরা ও সাদ্দাম। তাঁদের দাবি, টাকা দিলে দ্রুত লাইসেন্স পাওয়া যায়, আর না দিলে নানা অজুহাতে আবেদন আটকে দেওয়া হয়।
একাধিক সূত্র জানায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে ৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়। হালকা লাইসেন্সের জন্য সর্বনিম্ন ৩ হাজার এবং ভারি লাইসেন্সের জন্য প্রায় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে মাসে প্রায় অর্ধকোটি টাকার লেনদেন হয় বলেও দাবি সূত্রগুলোর। সূত্র আরও জানায়, কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর যোগসাজশে একটি সিন্ডিকেট এসব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছে। বিশেষ করে সহকারী পরিচালক পদ শূন্য থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। মোটরযান পরিদর্শক সমুন হোসেন বলেন, এ বিষয়ে কিছু জানেন না তিনি। আর সহকারী পরিচালকের দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী মোঃ শাহজামান জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে শতাধিক ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন জমা পড়লেও সপ্তাহে মাত্র এক-দুই দিন পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় অংশ নিতে এলে আবেদনকারীদের বায়োমেট্রিক, লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষার ধাপ পেরোতে হয়। তবে এসব প্রক্রিয়ায় ঘুষ ছাড়া অগ্রসর হওয়া কঠিন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
নগরীর তাহসিনুল আমিন রাহী বলেন, পরিচিত ব্যক্তি বা অর্থের বিনিময়ে সহজেই কাজ সম্পন্ন হলেও সাধারণ আবেদনকারীদের দীর্ঘদিন ভোগান্তি পোহাতে হয়। একই অভিযোগ করেছেন নগরীর কাজলা এলাকার হিরা ও সাদ্দাম। তাঁদের দাবি, টাকা দিলে দ্রুত লাইসেন্স পাওয়া যায়, আর না দিলে নানা অজুহাতে আবেদন আটকে দেওয়া হয়।
একাধিক সূত্র জানায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে ৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়। হালকা লাইসেন্সের জন্য সর্বনিম্ন ৩ হাজার এবং ভারি লাইসেন্সের জন্য প্রায় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে মাসে প্রায় অর্ধকোটি টাকার লেনদেন হয় বলেও দাবি সূত্রগুলোর। সূত্র আরও জানায়, কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর যোগসাজশে একটি সিন্ডিকেট এসব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছে। বিশেষ করে সহকারী পরিচালক পদ শূন্য থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। মোটরযান পরিদর্শক সমুন হোসেন বলেন, এ বিষয়ে কিছু জানেন না তিনি। আর সহকারী পরিচালকের দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী মোঃ শাহজামান জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।