টানা তিনবার ক্ষমতায় থাকার পর সোমবার (৪ মে) বিজেপির কাছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাওয়া তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তার দাবি, তিনি নির্বাচনে হারেননি এবং বিজেপি যে ম্যান্ডেট পেয়েছে তা ‘লুট’ করা।
বুধবার (৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মমতা বলেন, ‘আমি হারিনি, তাই রাজভবনে যাব না। আমি পদত্যাগপত্রও জমা দেব না।’
মমতা ইতোমধ্যেই অভিযোগ করেছেন যে এই নির্বাচনে ১০০টি আসন ‘চুরি’ হয়েছে। বুধবার তিনি সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার জন্যও অভিযুক্ত করেছেন।
তৃণমূল নেত্রী বলেন, গণতন্ত্র এভাবে কাজ করে না, যখন বিচার বিভাগ থাকে না। যখন নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট এবং সরকার একদলীয় শাসন চায়, তখন বিশ্বের কাছে একটি ভুল বার্তা যায়।
নির্বাচন কমিশনের ওপর দায় দিয়ে তিনি সংস্থাটির বিরুদ্ধে ‘নোংরা খেলা’ খেলার অভিযোগ করেছেন। বলেছেন, আসল প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন কমিশন, বিজেপি নয়।
কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে নির্বাচনে সরাসরি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘এভাবেই তারা মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, বিহার এবং এখন পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাচন চুরি করেছে।’
৭১ বছর বয়সি মমতা আরও অভিযোগ করেন, একটি ভোটকেন্দ্রে তিনি আক্রমণের শিকার হয়েছেন। বলেন, আমার পেটে ও পিঠে লাথি মারা হয়েছে। সিসিটিভি বন্ধ ছিল। আমাকে গণনা কেন্দ্র থেকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়া হয়। একজন নারী হিসেবে আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে।
আগামীতে নিজ দলের কৌশল প্রকাশ করতে রাজি হননি মমতা। তবে বলেছেন, ইন্ডিয়া ব্লকের নেতারা তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং তাদের সমর্থন তার সঙ্গে রয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি
বুধবার (৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মমতা বলেন, ‘আমি হারিনি, তাই রাজভবনে যাব না। আমি পদত্যাগপত্রও জমা দেব না।’
মমতা ইতোমধ্যেই অভিযোগ করেছেন যে এই নির্বাচনে ১০০টি আসন ‘চুরি’ হয়েছে। বুধবার তিনি সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার জন্যও অভিযুক্ত করেছেন।
তৃণমূল নেত্রী বলেন, গণতন্ত্র এভাবে কাজ করে না, যখন বিচার বিভাগ থাকে না। যখন নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট এবং সরকার একদলীয় শাসন চায়, তখন বিশ্বের কাছে একটি ভুল বার্তা যায়।
নির্বাচন কমিশনের ওপর দায় দিয়ে তিনি সংস্থাটির বিরুদ্ধে ‘নোংরা খেলা’ খেলার অভিযোগ করেছেন। বলেছেন, আসল প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন কমিশন, বিজেপি নয়।
কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে নির্বাচনে সরাসরি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘এভাবেই তারা মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, বিহার এবং এখন পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাচন চুরি করেছে।’
৭১ বছর বয়সি মমতা আরও অভিযোগ করেন, একটি ভোটকেন্দ্রে তিনি আক্রমণের শিকার হয়েছেন। বলেন, আমার পেটে ও পিঠে লাথি মারা হয়েছে। সিসিটিভি বন্ধ ছিল। আমাকে গণনা কেন্দ্র থেকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়া হয়। একজন নারী হিসেবে আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে।
আগামীতে নিজ দলের কৌশল প্রকাশ করতে রাজি হননি মমতা। তবে বলেছেন, ইন্ডিয়া ব্লকের নেতারা তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং তাদের সমর্থন তার সঙ্গে রয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি