শুধু ধোঁয়া, ধুলো, দূষণ নয়— চুল রুক্ষ এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয় অতিরিক্ত তাপেও। কেশসজ্জার জন্য কখনও চুল সোজা করা হয়, কখনও কোঁকড়ানো। বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ব্যবহারে চুল শুকোনো থেকে কেশসজ্জার ফলে ক্ষতির বহর বাড়ে। সেই চুল শুধু শ্যাম্পু মেখে বা তেল দিয়ে মাসাজ় করে ঠিক করা যায় না। দরকার হয় বিশেষ যত্নের।
অতিরিক্ত তাপ এবং রাসায়নিকের ব্যবহারে চুল সোজা, কোঁকড়া বার বার করতে থাকলে, চুল রুক্ষ হয়ে যায়। চুলের ডগা ফেটে যায়। স্বাভাবিক জেল্লাও কমতে থাকে। একবার চুল ক্ষতিগ্রস্ত হলে, সেই ক্ষতিপূরণ খুব সহজ হয় না। দরকার হয় সময়ের এবং সঠিক কৌশলের।
বিশেষ শ্যাম্পু: ক্ষতিগ্রস্ত চুলের যত্ন নেওয়ার জন্য বিশেষ ধরনের শ্যাম্পু মেলে। এই ধরনের শ্যাম্পু চুলের স্বাভাবিক তৈলাক্ত ভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে।
কন্ডিশনার: চুলের উপযোগী কোনও কন্ডিশনার বেছে নেওয়া জরুরি। কন্ডিশনার চুলের রুক্ষ ভাব কমিয়ে চুল নরম এবং মসৃণ করতে সাহায্য করে।
হেয়ার মাস্ক: শুধু শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার যথেষ্ট নয়। চুলের গোড়া পরিষ্কার এবং চুলের ফলিকল মজবুত রাখারও দরকার হয়। সেই বাড়তি খেয়াল রাখতে পারে চুলের মাস্ক। চুল মসৃণ করতে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখতে বিশেষ বিশেষ মাস্ক পাওয়া যায়। সপ্তাহে অন্তত একদিন এমন মাস্ক ব্যবহার করা দরকার।
কেশসজ্জা: বার বার বৈদ্যুতিন যন্ত্রের ব্যবহারে কেশসজ্জার প্রবণতা চুলের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। চেষ্টা করা দরকার সেগুলি না করার। বার বার রং করা, রাসায়নিকের প্রয়োগেও চুলের ক্ষতি হয়।
সুরক্ষা: ধোঁয়া, ধুলো, রোদের হাত থেকে চুলকে রক্ষা করে লিভ-ইন হেয়ার সিরাম। এই ধরনের সিরাম চুলের উপর হালকা মসৃণ পরত তৈরি করে। ফলে চুল জট পাকিয়ে যায় না।
অতিরিক্ত তাপ এবং রাসায়নিকের ব্যবহারে চুল সোজা, কোঁকড়া বার বার করতে থাকলে, চুল রুক্ষ হয়ে যায়। চুলের ডগা ফেটে যায়। স্বাভাবিক জেল্লাও কমতে থাকে। একবার চুল ক্ষতিগ্রস্ত হলে, সেই ক্ষতিপূরণ খুব সহজ হয় না। দরকার হয় সময়ের এবং সঠিক কৌশলের।
বিশেষ শ্যাম্পু: ক্ষতিগ্রস্ত চুলের যত্ন নেওয়ার জন্য বিশেষ ধরনের শ্যাম্পু মেলে। এই ধরনের শ্যাম্পু চুলের স্বাভাবিক তৈলাক্ত ভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে।
কন্ডিশনার: চুলের উপযোগী কোনও কন্ডিশনার বেছে নেওয়া জরুরি। কন্ডিশনার চুলের রুক্ষ ভাব কমিয়ে চুল নরম এবং মসৃণ করতে সাহায্য করে।
হেয়ার মাস্ক: শুধু শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার যথেষ্ট নয়। চুলের গোড়া পরিষ্কার এবং চুলের ফলিকল মজবুত রাখারও দরকার হয়। সেই বাড়তি খেয়াল রাখতে পারে চুলের মাস্ক। চুল মসৃণ করতে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখতে বিশেষ বিশেষ মাস্ক পাওয়া যায়। সপ্তাহে অন্তত একদিন এমন মাস্ক ব্যবহার করা দরকার।
কেশসজ্জা: বার বার বৈদ্যুতিন যন্ত্রের ব্যবহারে কেশসজ্জার প্রবণতা চুলের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। চেষ্টা করা দরকার সেগুলি না করার। বার বার রং করা, রাসায়নিকের প্রয়োগেও চুলের ক্ষতি হয়।
সুরক্ষা: ধোঁয়া, ধুলো, রোদের হাত থেকে চুলকে রক্ষা করে লিভ-ইন হেয়ার সিরাম। এই ধরনের সিরাম চুলের উপর হালকা মসৃণ পরত তৈরি করে। ফলে চুল জট পাকিয়ে যায় না।