রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তীব্র নদীভাঙন পরিস্থিতি ও বাঁধ নির্মাণ এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সাংসদ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
মঙ্গলবার (৫ মে) দিনব্যাপী তিনি গোদাগাড়ী পৌরসভার সারাংপুর, কাচারীপাড়া, সুলতানগঞ্জ ঘাট এবং উপজেলার দুর্গম চরআষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের (ইউপি) চর বয়ারমারীসহ বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে ভাঙনের ভয়াবহতা দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শন শেষে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, “নদীভাঙন এই অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি দীর্ঘস্থায়ী অভিশাপ। প্রতি বছর নদী ভাঙনে মানুষ তাদের ভিটেমাটি ও আবাদি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে। আমরা আর সাময়িক সমাধান চাই না; জনগণের জানমাল রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী টেকসই বাঁধ নির্মাণ করতে হবে।”তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাশেদুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী জেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি ড. ওবায়দুল্লাহ, আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন জামায়াত প্রার্থী আব্দুল্লাহীল কাফিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীরা ভাঙন রোধে দ্রুত জিও ব্যাগ ডাম্পিং ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কারিগরি দিকগুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) দিনব্যাপী তিনি গোদাগাড়ী পৌরসভার সারাংপুর, কাচারীপাড়া, সুলতানগঞ্জ ঘাট এবং উপজেলার দুর্গম চরআষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের (ইউপি) চর বয়ারমারীসহ বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে ভাঙনের ভয়াবহতা দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শন শেষে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, “নদীভাঙন এই অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি দীর্ঘস্থায়ী অভিশাপ। প্রতি বছর নদী ভাঙনে মানুষ তাদের ভিটেমাটি ও আবাদি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে। আমরা আর সাময়িক সমাধান চাই না; জনগণের জানমাল রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী টেকসই বাঁধ নির্মাণ করতে হবে।”তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাশেদুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী জেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি ড. ওবায়দুল্লাহ, আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন জামায়াত প্রার্থী আব্দুল্লাহীল কাফিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীরা ভাঙন রোধে দ্রুত জিও ব্যাগ ডাম্পিং ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কারিগরি দিকগুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।