রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানার সাবেক ওসি ইন্সপেক্টর মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, ভ্রূণ হত্যা, স্ত্রীর অর্থ আত্মসাৎ এবং একাধিক অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তার চতুর্থ স্ত্রী, রাজশাহী মহানগর পুলিশের ট্রাফিক সার্জেন্ট সাবিহা আক্তার এ অভিযোগ এনে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ড. মোহাম্মদ শাজাহানের কাছে দুই পৃষ্ঠার লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
অভিযোগের পর ঘটনাটি রাজশাহীর পুলিশ মহলসহ নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে| অভিযোগ পাওয়ার পর ডিআইজি কার্যালয় বিষয়টি তদন্তের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শারমিন সুলতানা নেলিকে দায়িত্ব দিয়েছে।
লিখিত অভিযোগে সার্জেন্ট সাবিহা আক্তার ইন্সপেক্টর মাহবুবের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দাবি করেছেন| অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে ইন্সপেক্টর মাহবুব আলমকে সিরাজগঞ্জ পুলিশ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ড. মোহাম্মদ শাজাহান বলেন, কোন ব্যক্তির দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে যোগদান করা মাহবুব আলম চাকরি জীবনের অধিকাংশ সময় রাজশাহীতে কর্মরত ছিলেন। তিনি রাজশাহী মহানগর পুলিশের মতিহার, শহমখদুম, বোয়ালিয়া, দামকুড়া ও চন্দ্রিমা থানায় বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া, চন্দ্রিমা থানায় কর্মরত থাকাকালীন ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে তাকে ক্লোজ করা হয় এবং পরবর্তীতে বিভাগীয় শাস্তিও দেওয়া হয়।
তবে ইন্সপেক্টর মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
অভিযোগের পর ঘটনাটি রাজশাহীর পুলিশ মহলসহ নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে| অভিযোগ পাওয়ার পর ডিআইজি কার্যালয় বিষয়টি তদন্তের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শারমিন সুলতানা নেলিকে দায়িত্ব দিয়েছে।
লিখিত অভিযোগে সার্জেন্ট সাবিহা আক্তার ইন্সপেক্টর মাহবুবের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দাবি করেছেন| অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে ইন্সপেক্টর মাহবুব আলমকে সিরাজগঞ্জ পুলিশ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ড. মোহাম্মদ শাজাহান বলেন, কোন ব্যক্তির দায় পুলিশ বাহিনী নেবে না। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে যোগদান করা মাহবুব আলম চাকরি জীবনের অধিকাংশ সময় রাজশাহীতে কর্মরত ছিলেন। তিনি রাজশাহী মহানগর পুলিশের মতিহার, শহমখদুম, বোয়ালিয়া, দামকুড়া ও চন্দ্রিমা থানায় বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া, চন্দ্রিমা থানায় কর্মরত থাকাকালীন ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে তাকে ক্লোজ করা হয় এবং পরবর্তীতে বিভাগীয় শাস্তিও দেওয়া হয়।
তবে ইন্সপেক্টর মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।