গরমে ঘাম, ধুলোময়লা, দূষণ, অতিরিক্ত তেলের অত্যাচারে নাজেহাল হয়ে পড়ে ত্বক। পাশাপাশি, সাজগোজও নষ্ট হয়ে যায় রোদের জেরে। কিন্তু এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। নানা জনে নানাবিধ উপায় অবলম্বন করেন। এক এক কৌশল এক এক জনের জন্য কার্যকরী হয়। তবে তার জন্য খানিক হলেও পরিশ্রম করতে হবে। কেবল দামি প্রসাধনী মাখলে উপকার না-ও মিলতে পারে। তাই ঘরোয়া টোটকায় ভরসা রাখতে হতে পারে। সম্প্রতি গরমের অত্যাচার থেকে ত্বককে রক্ষা করার একটি উপায় বাতলালেন বলিউড অভিনেত্রী নওহিদ সাইরাসি।
তবে হেঁশেলে যা আছে, সব মিশিয়ে মুখে মাখলেই যে উপকার মিলবে, তা-ও সত্য নয়। হলুদ, বেসন, দুধ, মধু-নাগালে যা আছে, তা-ই ব্যবহারের দরকার নেই। এই প্রবণতার কারণে বরং কখনও কখনও উল্টো ফলও হতে পারে। তাই নওহিদের পরামর্শে একেবারে সহজ, বাহুল্যবর্জিত একটি ফেস মাস্ক বানিয়ে নিতে পারেন ঘরেই।
এই মাস্ক বানানোর জন্য মাত্র দু’টি উপকরণের প্রয়োজন— ঘরে পাতা টক দই এবং অল্প মধু। ২ টেবিল চামচ দই এবং ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে মাস্ক বানিয়ে নিন। মিনিট পাঁচেকও সময় ব্যয় হবে না তাতে। স্নানে যাওয়ার প্রায় ঘণ্টাখানেক আগে মুখে মেখে নিতে হবে। সপ্তাহে অন্তত দু’বার এ ভাবে ত্বকের পরিচর্যা করার পরামর্শ অভিনেত্রীর। এই মাস্ক মেখে নওহিদের ত্বক আগের থেকে অনেক বেশি টানটান হয়েছে। মুখের ছিদ্রগুলি সঙ্কুচিত হয় এই মাস্কের ফলে। পাশাপাশি, দইয়ের শীতল অনুভূতি ত্বকের প্রদাহ কমাতে পারে।
এই মাস্ক কেন কার্যকরী হতে পারে?
দইয়ের মধ্যে থাকে প্রাকৃতিক ল্যাক্টিক অ্যাসিড, যা ত্বককে আলতো করে এক্সফোলিয়েট করে, মৃত কোষ দূর করে এবং ত্বককে মসৃণ করে ময়েশ্চারাইজ়িং ক্ষমতার গুণে। অন্য দিকে মধু ত্বককে আর্দ্র রাখে, নরম করে এবং একটি প্রাকৃতিক ঔজ্জ্বল্য এনে দেয়। ফলে এই দুইয়ের মিশ্রণ ত্বককে পরিষ্কার, হাইড্রেটেড ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
তবে হেঁশেলে যা আছে, সব মিশিয়ে মুখে মাখলেই যে উপকার মিলবে, তা-ও সত্য নয়। হলুদ, বেসন, দুধ, মধু-নাগালে যা আছে, তা-ই ব্যবহারের দরকার নেই। এই প্রবণতার কারণে বরং কখনও কখনও উল্টো ফলও হতে পারে। তাই নওহিদের পরামর্শে একেবারে সহজ, বাহুল্যবর্জিত একটি ফেস মাস্ক বানিয়ে নিতে পারেন ঘরেই।
এই মাস্ক বানানোর জন্য মাত্র দু’টি উপকরণের প্রয়োজন— ঘরে পাতা টক দই এবং অল্প মধু। ২ টেবিল চামচ দই এবং ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে মাস্ক বানিয়ে নিন। মিনিট পাঁচেকও সময় ব্যয় হবে না তাতে। স্নানে যাওয়ার প্রায় ঘণ্টাখানেক আগে মুখে মেখে নিতে হবে। সপ্তাহে অন্তত দু’বার এ ভাবে ত্বকের পরিচর্যা করার পরামর্শ অভিনেত্রীর। এই মাস্ক মেখে নওহিদের ত্বক আগের থেকে অনেক বেশি টানটান হয়েছে। মুখের ছিদ্রগুলি সঙ্কুচিত হয় এই মাস্কের ফলে। পাশাপাশি, দইয়ের শীতল অনুভূতি ত্বকের প্রদাহ কমাতে পারে।
এই মাস্ক কেন কার্যকরী হতে পারে?
দইয়ের মধ্যে থাকে প্রাকৃতিক ল্যাক্টিক অ্যাসিড, যা ত্বককে আলতো করে এক্সফোলিয়েট করে, মৃত কোষ দূর করে এবং ত্বককে মসৃণ করে ময়েশ্চারাইজ়িং ক্ষমতার গুণে। অন্য দিকে মধু ত্বককে আর্দ্র রাখে, নরম করে এবং একটি প্রাকৃতিক ঔজ্জ্বল্য এনে দেয়। ফলে এই দুইয়ের মিশ্রণ ত্বককে পরিষ্কার, হাইড্রেটেড ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে।