সময় নিলেন না, সুযোগও দিলেন না। মাদ্রিদ ওপেনের ফাইনালে একতরফা ম্যাচে আলেকজান্ডার জেরেভকে ৬-১, ৬-২ হারিয়ে খেতাব জিতলেন ইয়ানিক সিনার। খেলা শেষ মাত্র ৫৭ মিনিটে। এই জয়ের সুবাদে শুধু আরও একটি ট্রফি নয়, রোলাঁ গারোর আগে নিজের জমি আরও মজবুত করে ফেললেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা।
জয়ের সৌজন্যে সিনার গড়লেন নতুন রেকর্ড। টানা পাঁচটি মাস্টার্স খেতাব হাতে তোলার নজির আগে কেউ গড়তে পারেননি। শুধু তাই নয়, মরসুমের প্রথম চারটি মাস্টার্স প্রতিযোগিতাও প্রথম তিনিই জিতলেন।
পরিসংখ্যান আরও পরিষ্কার ছবি দিচ্ছে—টানা ১৩ সেট জয়, টানা ৯ ম্যাচে অপরাজিত, আর একটানা ৬৫টি সার্ভিস গেম ধরে রাখা। এই ধারাবাহিকতা রোলাঁ গারোর আগে অন্যদের জন্য সতর্কবার্তা। মাস্টার্স পর্যায়ে শেষ ২৮টি ম্যাচ জিতেছেন সিনার। শেষ ৫৮ সেটের মধ্যে ৫৬টি। সামগ্রিকভাবে শেষ ৪৭ ম্যাচে জয় ৪৫টিতে। অর্থাৎ, পারফরম্যান্সে কোনও ওঠানামা নেই। ধারাবাহিক নিয়ন্ত্রণ এখন সিনারের সবচেয়ে বড় শক্তি।
ফাইনালের ছবিটা শুরু থেকে একমুখী। চারটির চারটিতেই ব্রেক পয়েন্ট কাজে লাগিয়েছেন সিনার। নিজের সার্ভে একবারও চাপে পড়তে হয়নি। প্রথম সার্ভ থেকে পেয়েছেন ৯৩ শতাংশ পয়েন্ট। বেসলাইন থেকে শটের গতি আর নিখুঁত নিয়ন্ত্রণে জেরেভকে পুরো ম্যাচে পিছনে ঠেলেছেন।
ম্যাচের শুরুতে ৫-০ লিড নিয়ে কার্যত ফলাফল নিশ্চিত করে দেন। শেষে আবার ব্রেক করে ম্যাচ শেষ নিজের সার্ভ ধরে রেখে। হেড-টু-হেড পরিসংখ্যানেও ব্যবধান বাড়ান—জেরেভের বিরুদ্ধে এগিয়ে ১০-৪। সাম্প্রতিক লড়াইগুলোতেও স্ট্রেট সেটে জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় থাকল।
ম্যাচ শেষে সিনার বলেন, ‘আমি ম্যাচটা খুব ভালভাবে শুরু করি, শুরুতেই ব্রেক পাই। ও আজ সেরা টেনিস খেলছিল না, তাই আমি এগিয়ে গিয়ে খেলতে চেয়েছি। খেলার মান নিয়ে আমি খুব খুশি। এই ধরনের একটা খেতাব জেতা আমার কাছে অনেক বড় ব্যাপার।’
এই জয়ের পর সিনারের সামনে আরেকটা বড় লক্ষ্য স্পষ্ট—কেরিয়ার ‘গোল্ডেন মাস্টার্স’। এখন পর্যন্ত নয়টি মাস্টার্সের মধ্যে আটটিই জিতেছেন তিনি। বাকি শুধু ইতালিয়ান ওপেন, যা আয়োজিত হবে তাঁর ঘরের মাঠ, রোমে। আগামী সপ্তাহে শুরু সেই প্রতিযোগিতা। ২৪ বছরের ইতালিয়ান রোমে খেতাব জিততে পারলে নোভাক জোকোভিচের পর দ্বিতীয় টেনিস তারকা হিসেবে এই কৃতিত্বের মালিক হবেন। সেই লক্ষ্যে এগোনোর পাশাপাশি রোলাঁ গারোর আগে ছন্দ ধরে রাখাই এখন প্রধান কাজ। মাদ্রিদে যা দেখা গেল, তাতে স্পষ্ট—সিনার এখন শুধু ফর্মে নেই, রয়েছেন পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। আর সেটাই তাঁকে আলাদা করে দিচ্ছে।
জয়ের সৌজন্যে সিনার গড়লেন নতুন রেকর্ড। টানা পাঁচটি মাস্টার্স খেতাব হাতে তোলার নজির আগে কেউ গড়তে পারেননি। শুধু তাই নয়, মরসুমের প্রথম চারটি মাস্টার্স প্রতিযোগিতাও প্রথম তিনিই জিতলেন।
পরিসংখ্যান আরও পরিষ্কার ছবি দিচ্ছে—টানা ১৩ সেট জয়, টানা ৯ ম্যাচে অপরাজিত, আর একটানা ৬৫টি সার্ভিস গেম ধরে রাখা। এই ধারাবাহিকতা রোলাঁ গারোর আগে অন্যদের জন্য সতর্কবার্তা। মাস্টার্স পর্যায়ে শেষ ২৮টি ম্যাচ জিতেছেন সিনার। শেষ ৫৮ সেটের মধ্যে ৫৬টি। সামগ্রিকভাবে শেষ ৪৭ ম্যাচে জয় ৪৫টিতে। অর্থাৎ, পারফরম্যান্সে কোনও ওঠানামা নেই। ধারাবাহিক নিয়ন্ত্রণ এখন সিনারের সবচেয়ে বড় শক্তি।
ফাইনালের ছবিটা শুরু থেকে একমুখী। চারটির চারটিতেই ব্রেক পয়েন্ট কাজে লাগিয়েছেন সিনার। নিজের সার্ভে একবারও চাপে পড়তে হয়নি। প্রথম সার্ভ থেকে পেয়েছেন ৯৩ শতাংশ পয়েন্ট। বেসলাইন থেকে শটের গতি আর নিখুঁত নিয়ন্ত্রণে জেরেভকে পুরো ম্যাচে পিছনে ঠেলেছেন।
ম্যাচের শুরুতে ৫-০ লিড নিয়ে কার্যত ফলাফল নিশ্চিত করে দেন। শেষে আবার ব্রেক করে ম্যাচ শেষ নিজের সার্ভ ধরে রেখে। হেড-টু-হেড পরিসংখ্যানেও ব্যবধান বাড়ান—জেরেভের বিরুদ্ধে এগিয়ে ১০-৪। সাম্প্রতিক লড়াইগুলোতেও স্ট্রেট সেটে জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় থাকল।
ম্যাচ শেষে সিনার বলেন, ‘আমি ম্যাচটা খুব ভালভাবে শুরু করি, শুরুতেই ব্রেক পাই। ও আজ সেরা টেনিস খেলছিল না, তাই আমি এগিয়ে গিয়ে খেলতে চেয়েছি। খেলার মান নিয়ে আমি খুব খুশি। এই ধরনের একটা খেতাব জেতা আমার কাছে অনেক বড় ব্যাপার।’
এই জয়ের পর সিনারের সামনে আরেকটা বড় লক্ষ্য স্পষ্ট—কেরিয়ার ‘গোল্ডেন মাস্টার্স’। এখন পর্যন্ত নয়টি মাস্টার্সের মধ্যে আটটিই জিতেছেন তিনি। বাকি শুধু ইতালিয়ান ওপেন, যা আয়োজিত হবে তাঁর ঘরের মাঠ, রোমে। আগামী সপ্তাহে শুরু সেই প্রতিযোগিতা। ২৪ বছরের ইতালিয়ান রোমে খেতাব জিততে পারলে নোভাক জোকোভিচের পর দ্বিতীয় টেনিস তারকা হিসেবে এই কৃতিত্বের মালিক হবেন। সেই লক্ষ্যে এগোনোর পাশাপাশি রোলাঁ গারোর আগে ছন্দ ধরে রাখাই এখন প্রধান কাজ। মাদ্রিদে যা দেখা গেল, তাতে স্পষ্ট—সিনার এখন শুধু ফর্মে নেই, রয়েছেন পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। আর সেটাই তাঁকে আলাদা করে দিচ্ছে।