দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে ইরানে ইন্টারনেট ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। তবু নানা উপায়ে সেই বাধা এড়িয়ে সীমিত পরিসরে ব্যবহার করা হচ্ছে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা। ছোট আকৃতির একটি বিশেষ ডিভাইসের মাধ্যমে অনেক ইরানি নাগরিক বাইরের বিশ্বের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সুযোগ পাচ্ছেন, যদিও তা গোপনে।
বিদেশে থাকা এক ইরানি নাগরিক সাহান্দ (ছদ্মনাম) এই ব্যবস্থাকে সম্ভব করতে ভূমিকা রাখছেন। তিনি বলেন, ‘একজন মানুষও যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে, সেটাই আমার সাফল্য।’ তার মতে, এই উদ্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ হলেও প্রয়োজনীয়। সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার পর থেকেই ইরানে কার্যত ডিজিটাল অন্ধকার নেমে এসেছে।
জানুয়ারি থেকে তিনি সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অন্তত এক ডজন টার্মিনাল পাঠিয়েছেন। এসব ডিভাইসের মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী একসঙ্গে সংযুক্ত হতে পারেন। নতুন নতুন উপায়ে আরও ডিভাইস পাঠানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, নিরাপত্তার অজুহাতে সরকার ইন্টারনেট সীমিত করেছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ স্বাধীন তথ্যপ্রবাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। তারা এখন অনেকটাই রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমের ওপর নির্ভরশীল।
মানবাধিকার সংগঠন উইটনেস জানিয়েছে, ইরানে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ স্টারলিংক ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে বর্তমানে এটি ব্যবহার করলে ২ বছর এবং সরবরাহ করলে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আইন লঙ্ঘনের দায়ে গত মাসে চারজন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, বিশেষ করে টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমেও এসব ডিভাইস বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে। গত আড়াই বছরে কয়েক হাজার ইউনিট বিক্রির তথ্য মিলেছে। বর্তমানে দেশটিতে স্তরভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যবস্থা চালু রয়েছে—ব্যাংকিং ও জরুরি সেবার জন্য আলাদা নেটওয়ার্ক থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনেক প্ল্যাটফর্ম বন্ধ রয়েছে।
ডিজিটাল অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা অ্যাকসেস নাউয় বলছে, ইন্টারনেট বন্ধ রাখা এখন ক্রমেই একটি বৈশ্বিক প্রবণতায় পরিণত হচ্ছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। শুধু ২০২৫ সালেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শত শতবার ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি
বিদেশে থাকা এক ইরানি নাগরিক সাহান্দ (ছদ্মনাম) এই ব্যবস্থাকে সম্ভব করতে ভূমিকা রাখছেন। তিনি বলেন, ‘একজন মানুষও যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে, সেটাই আমার সাফল্য।’ তার মতে, এই উদ্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ হলেও প্রয়োজনীয়। সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার পর থেকেই ইরানে কার্যত ডিজিটাল অন্ধকার নেমে এসেছে।
জানুয়ারি থেকে তিনি সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অন্তত এক ডজন টার্মিনাল পাঠিয়েছেন। এসব ডিভাইসের মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী একসঙ্গে সংযুক্ত হতে পারেন। নতুন নতুন উপায়ে আরও ডিভাইস পাঠানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, নিরাপত্তার অজুহাতে সরকার ইন্টারনেট সীমিত করেছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ স্বাধীন তথ্যপ্রবাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। তারা এখন অনেকটাই রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমের ওপর নির্ভরশীল।
মানবাধিকার সংগঠন উইটনেস জানিয়েছে, ইরানে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ স্টারলিংক ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে বর্তমানে এটি ব্যবহার করলে ২ বছর এবং সরবরাহ করলে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আইন লঙ্ঘনের দায়ে গত মাসে চারজন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, বিশেষ করে টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমেও এসব ডিভাইস বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে। গত আড়াই বছরে কয়েক হাজার ইউনিট বিক্রির তথ্য মিলেছে। বর্তমানে দেশটিতে স্তরভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যবস্থা চালু রয়েছে—ব্যাংকিং ও জরুরি সেবার জন্য আলাদা নেটওয়ার্ক থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনেক প্ল্যাটফর্ম বন্ধ রয়েছে।
ডিজিটাল অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা অ্যাকসেস নাউয় বলছে, ইন্টারনেট বন্ধ রাখা এখন ক্রমেই একটি বৈশ্বিক প্রবণতায় পরিণত হচ্ছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। শুধু ২০২৫ সালেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শত শতবার ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি