নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ছিনতাইকারীদের হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় হামলাকারীরা এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে একটি শর্টগান ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার পর বন্দর চৌধুরী বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার মদনগঞ্জ ফাঁড়ির এএসআই সোহেল, কনস্টেবল ফয়সাল ও কনস্টেবল মিজানুর রাত্রীকালীন টহল ডিউটিতে ছিলেন। রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ১৫ মিনিটের মধ্যে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে তারা জানতে পারেন, বন্দর চৌধুরী বাড়ি এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী সিফাত, সুফিয়ান ও তানভিরের সঙ্গে কথা বলেন। পরে পাশের একটি সন্দেহজনক বাসায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারীদের অবস্থান নিশ্চিত করেন। পুলিশ ঘরে প্রবেশ করলে সেখানে থাকা দুর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র দা ও রামদা দিয়ে হামলা চালায়।
এ সময় এএসআই সোহেলের পায়ে এবং কনস্টেবল ফয়সালের পেট ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে হামলাকারীরা পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে থাকা শর্টগান ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
আহত দুই পুলিশ সদস্যকে দ্রুত বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নবীগঞ্জে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুতর আহত কনস্টেবল ফয়সালকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এএসআই সোহেলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সোহান (২৪), তার বাবা আমির হোসেন, মা সালমা এবং বড় ভাই সাব্বিরকে আটক করেছে পুলিশ। তারা বন্দর চৌধুরী বাড়ি এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, ছিনিয়ে নেওয়া অস্ত্র উদ্ধারে এবং জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার পর বন্দর চৌধুরী বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার মদনগঞ্জ ফাঁড়ির এএসআই সোহেল, কনস্টেবল ফয়সাল ও কনস্টেবল মিজানুর রাত্রীকালীন টহল ডিউটিতে ছিলেন। রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ১৫ মিনিটের মধ্যে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে তারা জানতে পারেন, বন্দর চৌধুরী বাড়ি এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী সিফাত, সুফিয়ান ও তানভিরের সঙ্গে কথা বলেন। পরে পাশের একটি সন্দেহজনক বাসায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারীদের অবস্থান নিশ্চিত করেন। পুলিশ ঘরে প্রবেশ করলে সেখানে থাকা দুর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র দা ও রামদা দিয়ে হামলা চালায়।
এ সময় এএসআই সোহেলের পায়ে এবং কনস্টেবল ফয়সালের পেট ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে হামলাকারীরা পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে থাকা শর্টগান ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
আহত দুই পুলিশ সদস্যকে দ্রুত বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নবীগঞ্জে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুতর আহত কনস্টেবল ফয়সালকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এএসআই সোহেলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সোহান (২৪), তার বাবা আমির হোসেন, মা সালমা এবং বড় ভাই সাব্বিরকে আটক করেছে পুলিশ। তারা বন্দর চৌধুরী বাড়ি এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানিয়েছে, ছিনিয়ে নেওয়া অস্ত্র উদ্ধারে এবং জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।