নওগাঁর রাণীনগরে গ্রামীন জনপদে চলাচলের রাস্তায় দুই প্রভাবশালী পক্ষে-বিপক্ষে বেড়া দিয়ে এবং মেঠো সড়ক কেটে প্রায় ১ মাস ধরে অবরুদ্ধ করে রাখে গ্রামবাসিদের।
এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত স্বাপেক্ষে উভয় পক্ষকে নিজ নিজ দায়িত্বে বেড়াগুলো অপসারণ এবং কাটা রাস্তায় মাটি দিয়ে ভরাট করে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। তাৎক্ষণিক ভাবে বেড়া অপসারণসহ রাস্তায় মাটির কাজ ভরাট করায় গ্রামবাসি অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে রেহায় পায়| কয়েকবার সামাজিক ভাবে সালিশি বৈঠক হলেও শান্তিপূর্ণ সমাধা না হওয়ায় শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যাক্তি বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বারাবরে গত ১৬ এপ্রিল একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
জানা গেছে, উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের মেরিয়া পূর্বপাড়া বিশ্ববাাঁধ হতে পুকুরপাড় সংলগ্ন এবং মসজিদে যাতায়াতের রাস্তায় তিনটি স্থানে ইমরান আলী নামে এক ব্যাক্তির নের্তৃত্বে বাঁশ দিয়ে বেড়া এবং রাস্তার মাটি কেটে জনসাধারণের চলাচলের বাধা সৃষ্টি করে।
বিষয়টি স্থানীয় ভাবে কয়েক দফা মিমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ফলোপ্রুসু না হওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিস পর্যন্ত গড়ায়| বিষয়টি নিরসনের জন্য বুধবার সকালে সহকারি কমিশনার (ভূমি) নিজেই ঘটনাস্থলে এসে দুই পক্ষকে ডেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জনস্বার্থে বেড়াগুলো অপসারণ এবং কাটা রাস্তাগুলো মাটি দিয়ে ভরাট করার নির্দেশ দিলে বাদি-বিবাদি এক মত হয়ে নিজ নিজ দায়িত্বে বেড়া এবং মাটি ভরাটের কাজ করে দেওয়ায় বুধবার দুপুর থেকে মেরিয়া গ্রামের প্রায় ৫শ’জন লোক স্বাভাবিক ভাবে চলাচল শুরু করেন।
বেড়া দেওয়ার কারণে গ্রামের মুসল্লিরা মসজিদে আসা-যাওয়া পাকা ইরি ধান ঘরে তোলা এবং ছেলে মেয়েদের স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসায় যাওয়া-আসা করতে চরম প্রতিবন্ধকতায় ছিলো। আজ শান্তিপূর্ণ মিমাংসা হওয়ায় সাধারণ গ্রামবাসি অনেকজ খুশি।
তারা বলছে এ ধরণের অপতৎপরতা আর যেন কেউ কোন দিন না পারে সেই জন্য স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের সু-নজর কামনা করেন। একই সাথে তাদের দাবি এই মেঠো সড়কটি যেন সরকারি বরাদ্ধ থেকে স্থায়ী ভাবে পাকাকরণ করা হয়।
অভিযোগকারি শহিদুল ইসলাম জানান, আমাদের গ্রামীন ছোট রাস্তা দিয়ে ওই গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে গাড়িতে করে মোটা গাছের গুল নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আমি বাধা দিই। এই রাস্তাদিয়ে শুধু ছোট ছোট গাড়ি চলার উপযোগী। সে আমার কথা না শুনলে মানুষের চলাচলের অংশ বাদ দিয়ে বড় গাড়ি যাতে ঢ়ুকতে না পারে সে অংশে আমি বাঁশ দিয়ে বেড়া দিই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ইমরান আলীর নের্তৃত্বে গ্রামের ভিতরে তিনটি স্থানে বাঁশ দিয়ে বেড়া এবং মেঠো রাস্তার দুই জায়গায় মাটি কেটে গর্ত করে। ফলে গ্রামবাসি অবরুদ্ধ হয়ে পরে।
অপর দিকে ইমরান জানন, অভিযোগকারি শহিদুল রাস্তায় বেড়া দেওয়ার পর আমি তিন জায়গায় বেড়া এবং দুই জায়গায় রাস্তার মাটি কেটে দিয়েছি। আজ এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে আমরা উভয় পক্ষ শান্তিপূর্ণ সমাধানে উপনীত হই। আজ থেকে গ্রামবাসি স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করতে পারবে।
উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি ) নাবিলা ইয়াসমিন জানান, এই গ্রাম থেকে শহিদুল নামে একজন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করলে স্যারের নির্দেশে আমি ঘটনাস্থলে এসে অভিযোগের সত্যতা পাই। বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় উভয় পক্ষকে বেড়া অপসারণ এবং রাস্তায় কাটা মাটি ভরাট করে দেওয়ার নির্দেশ দিলে তারা নিজ নিজ দায়িত্বে আমার উপস্থিতিতে বেড়া তুলে নেওয়াসহ কাটা রাস্তা মাটি দিয়ে ভরাট করে দেয়।
উভয়পক্ষ এ বিষয়ে আর কোন উত্তেজনা সৃষ্টি করবেনা মর্মে আমার কাছে তারা স্বচ্ছায় লিখিত অঙ্গীকার দিয়েছে। রাস্তায় বেড়া দেওয়ার কারণে ওই গ্রামের প্রায় ৪শ’ মানুষের চলাচলের নানা ধরণের অসুবিধা হতো। গ্রামবাসি আজ থেকে তারা স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করতে পারবে।
এ ব্যাপারে কোন পক্ষ জনসাধারণের চলাচলের অসুবিধা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত স্বাপেক্ষে উভয় পক্ষকে নিজ নিজ দায়িত্বে বেড়াগুলো অপসারণ এবং কাটা রাস্তায় মাটি দিয়ে ভরাট করে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। তাৎক্ষণিক ভাবে বেড়া অপসারণসহ রাস্তায় মাটির কাজ ভরাট করায় গ্রামবাসি অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে রেহায় পায়| কয়েকবার সামাজিক ভাবে সালিশি বৈঠক হলেও শান্তিপূর্ণ সমাধা না হওয়ায় শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যাক্তি বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বারাবরে গত ১৬ এপ্রিল একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
জানা গেছে, উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের মেরিয়া পূর্বপাড়া বিশ্ববাাঁধ হতে পুকুরপাড় সংলগ্ন এবং মসজিদে যাতায়াতের রাস্তায় তিনটি স্থানে ইমরান আলী নামে এক ব্যাক্তির নের্তৃত্বে বাঁশ দিয়ে বেড়া এবং রাস্তার মাটি কেটে জনসাধারণের চলাচলের বাধা সৃষ্টি করে।
বিষয়টি স্থানীয় ভাবে কয়েক দফা মিমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ফলোপ্রুসু না হওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিস পর্যন্ত গড়ায়| বিষয়টি নিরসনের জন্য বুধবার সকালে সহকারি কমিশনার (ভূমি) নিজেই ঘটনাস্থলে এসে দুই পক্ষকে ডেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জনস্বার্থে বেড়াগুলো অপসারণ এবং কাটা রাস্তাগুলো মাটি দিয়ে ভরাট করার নির্দেশ দিলে বাদি-বিবাদি এক মত হয়ে নিজ নিজ দায়িত্বে বেড়া এবং মাটি ভরাটের কাজ করে দেওয়ায় বুধবার দুপুর থেকে মেরিয়া গ্রামের প্রায় ৫শ’জন লোক স্বাভাবিক ভাবে চলাচল শুরু করেন।
বেড়া দেওয়ার কারণে গ্রামের মুসল্লিরা মসজিদে আসা-যাওয়া পাকা ইরি ধান ঘরে তোলা এবং ছেলে মেয়েদের স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসায় যাওয়া-আসা করতে চরম প্রতিবন্ধকতায় ছিলো। আজ শান্তিপূর্ণ মিমাংসা হওয়ায় সাধারণ গ্রামবাসি অনেকজ খুশি।
তারা বলছে এ ধরণের অপতৎপরতা আর যেন কেউ কোন দিন না পারে সেই জন্য স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের সু-নজর কামনা করেন। একই সাথে তাদের দাবি এই মেঠো সড়কটি যেন সরকারি বরাদ্ধ থেকে স্থায়ী ভাবে পাকাকরণ করা হয়।
অভিযোগকারি শহিদুল ইসলাম জানান, আমাদের গ্রামীন ছোট রাস্তা দিয়ে ওই গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে গাড়িতে করে মোটা গাছের গুল নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আমি বাধা দিই। এই রাস্তাদিয়ে শুধু ছোট ছোট গাড়ি চলার উপযোগী। সে আমার কথা না শুনলে মানুষের চলাচলের অংশ বাদ দিয়ে বড় গাড়ি যাতে ঢ়ুকতে না পারে সে অংশে আমি বাঁশ দিয়ে বেড়া দিই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ইমরান আলীর নের্তৃত্বে গ্রামের ভিতরে তিনটি স্থানে বাঁশ দিয়ে বেড়া এবং মেঠো রাস্তার দুই জায়গায় মাটি কেটে গর্ত করে। ফলে গ্রামবাসি অবরুদ্ধ হয়ে পরে।
অপর দিকে ইমরান জানন, অভিযোগকারি শহিদুল রাস্তায় বেড়া দেওয়ার পর আমি তিন জায়গায় বেড়া এবং দুই জায়গায় রাস্তার মাটি কেটে দিয়েছি। আজ এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে আমরা উভয় পক্ষ শান্তিপূর্ণ সমাধানে উপনীত হই। আজ থেকে গ্রামবাসি স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করতে পারবে।
উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি ) নাবিলা ইয়াসমিন জানান, এই গ্রাম থেকে শহিদুল নামে একজন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করলে স্যারের নির্দেশে আমি ঘটনাস্থলে এসে অভিযোগের সত্যতা পাই। বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় উভয় পক্ষকে বেড়া অপসারণ এবং রাস্তায় কাটা মাটি ভরাট করে দেওয়ার নির্দেশ দিলে তারা নিজ নিজ দায়িত্বে আমার উপস্থিতিতে বেড়া তুলে নেওয়াসহ কাটা রাস্তা মাটি দিয়ে ভরাট করে দেয়।
উভয়পক্ষ এ বিষয়ে আর কোন উত্তেজনা সৃষ্টি করবেনা মর্মে আমার কাছে তারা স্বচ্ছায় লিখিত অঙ্গীকার দিয়েছে। রাস্তায় বেড়া দেওয়ার কারণে ওই গ্রামের প্রায় ৪শ’ মানুষের চলাচলের নানা ধরণের অসুবিধা হতো। গ্রামবাসি আজ থেকে তারা স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করতে পারবে।
এ ব্যাপারে কোন পক্ষ জনসাধারণের চলাচলের অসুবিধা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।